আজ চুল দিবস
চুল শুধু সৌন্দর্যের অংশ নয়, অনেকের কাছে এটি আত্মবিশ্বাসেরও গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। সাজগোজে পোশাক কিংবা মেকআপ যতটাই গুরুত্বপূর্ণ হোক, চুলের স্টাইল ঠিকঠাক না হলে পুরো সাজটাই যেন অসম্পূর্ণ থেকে যায়। আর তাই চুলের যত্ন ও সৌন্দর্য নিয়ে সচেতনতার বার্তা দিতেই আজ বৃহস্পতিবার (০১ অক্টোবর) পালিত হচ্ছে ‘চুল দিবস’।
যুক্তরাষ্ট্রের হেয়ার স্টাইল কোম্পানি ‘নুমি’ ২০১৭ সালে দিবসটির প্রচলন করে। বিচিত্র এই দিনটি আপনিও চাইলে নিজের মতো করে উদযাপন করতে পারেন। প্রিয়জনকে উপহার দিতে পারেন পছন্দের চিরুনি, হেয়ার ব্রাশ কিংবা চুলের যত্নের প্রয়োজনীয় কোনো সামগ্রী।
একজন নারীর কাছে চুল যেন সৌন্দর্যের অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ। তবে পুরুষের কাছেও এর গুরুত্ব কম নয়। মাথা ভর্তি চুল যেমন অনেকের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দেয়, তেমনি চুল হারানোর কষ্টও অনেকেই অনুভব করেন। তাই যুগের পর যুগ চুলের যত্ন ও সৌন্দর্য ধরে রাখতে মানুষ নানা ধরনের পদ্ধতি ও উপকরণ ব্যবহার করে আসছে।
জানা যায়, প্রাচীন মিসরের রানি ক্লিওপেট্রা নাকি চুল পরিষ্কার ও পরিচর্যার জন্য গাধার দুধ ব্যবহার করতেন। অর্থাৎ চুলকে সুন্দর ও স্বাস্থ্যোজ্জ্বল রাখতে মানুষের আগ্রহ নতুন কিছু নয়।
সৌন্দর্যের পাশাপাশি চুলকে ঘিরে রয়েছে নানা সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষঙ্গও। ‘যে রাঁধে, সে চুলও বাঁধে’—প্রচলিত এই প্রবাদে যেমন চুলের কথা উঠে আসে, তেমনি ‘তুমি আমার একটা চুলও ছিঁড়তে পারবে না’—এর মতো কথাতেও চুল হয়ে উঠেছে শক্তি ও আত্মবিশ্বাস প্রকাশের প্রতীক।
চুল সোজা, ঢেউখেলানো, কোঁকড়ানো কিংবা খুব বেশি কোঁকড়ানো—যে ধরনেরই হোক, প্রতিটি চুলেরই রয়েছে নিজস্ব সৌন্দর্য ও বৈশিষ্ট্য। চুলের স্বাভাবিক গঠনকে আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে এবং নিজের পছন্দমতো সাজাতে রয়েছে নানা ধরনের পণ্য ও সরঞ্জাম। তবে শুধু স্টাইল নয়, চুলের স্বাস্থ্য ও যত্নের প্রতিও সচেতন হওয়া জরুরি।
নিজেকে কীভাবে সাজাবেন, তার বড় একটি অংশ নির্ভর করে চুলের ওপর। হালকা সাজ হোক কিংবা জমকালো আয়োজন—চুলের স্টাইল পুরো লুক বদলে দিতে পারে। তাই চুলের সৌন্দর্যের পাশাপাশি এর যত্ন নেওয়াও জরুরি। চুল দিবসে নিজের চুলের প্রতি একটু বাড়তি যত্ন নেওয়ার মধ্য দিয়েই শুরু হতে পারে সেই অভ্যাস।
সূত্র: ডেজ অব দ্যা ইয়ার

ফিচার ডেস্ক