ফিফা থেকে দুঃসংবাদ পেতে পারে আর্জেন্টিনা
বিশ্বকাপ ফাইনাল শেষ হতেই নিউ জার্সির মাঠে তৈরি হয় উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতি। শেষ বাঁশি বাজার কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই আর্জেন্টিনার লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও স্পেনের এরিক গার্সিয়ার মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। পরে সেই উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে দুই দলের খেলোয়াড়, বেঞ্চ ও কোচিং স্টাফদের মাঝে।
শেষ বাঁশির পর সেই উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। পারেদেস দৌড়ে গিয়ে এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়েন এবং একপর্যায়ে তার গলায় হাত দেন। ধাক্কার পর মাটিতে পড়ে যান গার্সিয়া। এরপর দুই দলের খেলোয়াড়, বদলি সদস্য এবং কোচিং স্টাফদের মধ্যে ধাক্কাধাক্কি শুরু হয়। পরে ম্যাচ অফিসিয়ালরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
এই ঘটনার জেরে দ্বিতীয় হলুদ কার্ডের পর সরাসরি লাল কার্ড দেখেন পারেদেস। ফলে একই ম্যাচে লাল কার্ড দেখা দ্বিতীয় আর্জেন্টাইন ফুটবলার হন তিনি।
পুরো ম্যাচজুড়েই ছিল টানটান উত্তেজনা। নির্ধারিত সময়ের ৯০ মিনিটে স্পেনের ডিফেন্ডার পাও কুবারসির ওপর কঠিন ট্যাকলের কারণে লাল কার্ড দেখেন আর্জেন্টিনার এনজো ফার্নান্দেস। এতে শেষ মুহূর্তে ১০ জনের দলে পরিণত হয় আর্জেন্টিনা। একই সঙ্গে ম্যাচে আর্জেন্টিনার খেলোয়াড়রা ৫টি হলুদ কার্ড দেখেন।
পারেদেসের ঘটনাটি নিয়ে তদন্ত শুরু করতে যাচ্ছে ফিফার ডিসিপ্লিনারি কমিটি। নিয়ম অনুযায়ী লাল কার্ডের কারণে অন্তত এক ম্যাচ নিষিদ্ধ হওয়ার কথা পারেদেসের। তবে ম্যাচ শেষে সংঘর্ষে জড়ানোর বিষয়টি গুরুতর হিসেবে বিবেচিত হলে তার শাস্তি আরও বাড়তে পারে।
এদিন, ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ের ১০৬ মিনিটে ফেরান তোরেসের একমাত্র গোলে ১-০ ব্যবধানে জয় পায় স্পেন। এর মাধ্যমে ২০১০ সালের পর আবারও বিশ্বকাপ শিরোপা ঘরে তুলল ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নরা।

স্পোর্টস ডেস্ক