স্মৃতিভ্রম প্রতিরোধের ছয় উপায়
সাধারণত প্রবীণ বয়সে স্মৃতিভ্রম বা ডিমেনসিয়া রোগ হতে দেখা যায়। তবে শারীরিক ও মানসিকভাবে কর্মক্ষম থাকলে এই রোগ অনেকটাই প্রতিরোধ করা যায়। তরুণ বয়সে বিষণ্ণতার সমস্যায় ভুগলে প্রবীণ বয়সে স্মৃতিভ্রম হওয়ার ঝুঁকি অনেক বাড়ে।
কোনো কিছুতে মনোনিবেশ না করতে পারা, ভুলে যাওয়া, দ্বিধান্বিত মানসিকতা, হতাশা ইত্যাদি স্মৃতিভ্রমের লক্ষণ। স্মৃতিভ্রম প্রতিরোধের কিছু পরামর্শ জানিয়েছে জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাই।
১. স্যাচুরেটেড চর্বি রয়েছে এমন খাবার এড়িয়ে যাওয়া ভালো। প্রাণীজ মাংস, প্রক্রিয়াজাত খাবার ইত্যাদিতে রয়েছে স্যাচুরেটেট চর্বি। এটি একপর্যায়ে স্মৃতিভ্রমের সমস্যা তৈরি করে।
২. অতিরিক্ত মদ্যপান করাও একপর্যায়ে স্মৃতিভ্রমের কারণ হতে পারে। তাই এটি এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।
৩. খাদ্যতালিকায় সবজি ও ফল রাখুন। এগুলো ভবিষ্যতে স্মৃতিভ্রম প্রতিরোধে সাহায্য করবে।
৪. আমরা অনেকেই হয়তো জানি না ধূমপান মস্তিস্ক ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয় এবং স্মৃতিভ্রমের সমস্যা তৈরি করতে পারে। তাই ধূমপান এড়িয়ে যাওয়াই ভালো।
৫. বেশি লবণ খাওয়াও স্মৃতিভ্রমের ঝুঁকি বাড়ায়। স্মৃতিভ্রমের ঝুঁকি কমাতে খাবারে লবণের পরিমাণ কমান।
৬. প্রতিদিন ব্যায়াম শরীরকে চাঙ্গা রাখে। শারীরিক ও মানসিকভাবে কর্মক্ষম থাকলে স্মৃতিভ্রম প্রতিরোধ করা যায়।

শাশ্বতী মাথিন