ক্যারিয়ার সেরা বোলিংয়ের রহস্য জানালেন নাহিদ
দেশের ক্রিকেটে তাকে নিয়ে স্বপ্ন দেখছে অনেকে। গতির ঝড় তুলে ইতোমধ্যে প্রশংসা কুড়িয়েছেন নাহিদ রানা। ওয়ানডে ক্রিকেটে এবার মেলে ধরলেন নিজেকে। মিরপুরের হোম অব ক্রিকেটে প্রথমবার খেলতে নেমেই বাজিমাত। সবমিলিয়ে ষষ্ঠ ওয়ানডে খেলতে নেমে ক্যারিয়ারের প্রথম ফাইফার তুলে নিলেন নাহিদ।
আজ বুধবার (১১ মার্চ) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় স্টেডিয়ামে পাকিস্তানের মুখোমুখি হয় বাংলাদেশ। তিন ম্যাচ ওয়ানডে সিরিজের প্রথমটিতে স্বাগতিকরা পেয়েছেন ৮ উইকেটের জয়। যেখানে বল হাতে সবচেয়ে বড় অবদান নাহিদের। মিরপুরের পিচে পেসের ঝড় তুলে ৭ ওভারে ২৪ রান খরচায় নিয়েছেন ৫ উইকেট।
দুর্দান্ত বোলিংয়ের কোনো রহস্য আছে কি না, জানতে চাইলে নাহিদ বলেন, 'যেকোনো উইকেটে শুরুতে এক-দুই ওভার সাহায্য করে। চেষ্টা করেছি এটা কাজে লাগাতে, লাইন-লেন্থ মেনে বোলিং করতে। '
মিরপুরে নিজের প্রথম ওয়ানডেতেই অসাধারণ বোলিং। নাহিদ নিজেও খুশি। তিনি বলেন, 'খুবই ভালো লাগছে। মিরপুরে আমার প্রথম ওয়ানডে ম্যাচ, আমার কাছে অনেক স্পেশাল ছিল। দলে অবদান রাখতে পেরে ভালো লাগছে।'
নিজের পরের ওভারে এসে দ্বিতীয় শিকার ধরেন নাহিদ। এবার টাইগার এই পেসারের পেস আগুনে পুড়েন আরেক অভিষিক্ত শামিল হোসেন। উইকেটের পেছনে লিটন দাসের হাতে ক্যাচ দেন তিনি।
নিজের তৃতীয় ওভারে এসে তৃতীয় শিকার ধরেন নাহিদ। এবার তার শিকারে পরিণত হন মাজ সাদাকত। তার শর্ট বল খেলতে গিয়ে ফাইন লেগে সাইফ হাসানের হাতে ধরা পড়েন পাকিস্তানের এই ওপেনার।
চতুর্থ ওভারে নাহিদের চতুর্থ শিকার মোহাম্মদ রিজওয়ান। অভিজ্ঞ এই পাকিস্তানি ব্যাটার ক্যাচ দেন উইকেটের পেছনে লিটন দাসের হাতে।
পঞ্চম ওভারে এসে ওয়ানডে ক্যারিয়ারের প্রথমবার ফাইফার তুলে নেন নাহিদ। এবার ফেরান সালমান আলি আঘাকে। তিনিও ফাঁদে পড়েন নাহিদের শর্ট বলের।
টানা পাঁচ ওভারে পাঁচ উইকেট তুলে নিয়ে পাকিস্তানের সর্বনাশ ঘটান টাইগার এই ব্যাটার। তার পেস আগুনেই পুড়ে শেষ হয়েছে সফরকারী ব্যাটাররা।

ক্রীড়া প্রতিবেদক