Skip to main content
NTV Online

বিশ্ব

বিশ্ব
  • অ ফ A
  • যুক্তরাষ্ট্র
  • যুক্তরাজ্য
  • কানাডা
  • ভারত
  • পাকিস্তান
  • আরব দুনিয়া
  • এশিয়া
  • ইউরোপ
  • লাতিন আমেরিকা
  • আফ্রিকা
  • অস্ট্রেলিয়া
  • অন্যান্য
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • মত-দ্বিমত
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • জীবনধারা
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম ও জীবন
  • নির্বাচন
  • সহজ ইংরেজি
  • প্রিয় প্রবাসী
  • আইন-কানুন
  • চাকরি চাই
  • অটোমোবাইল
  • হাস্যরস
  • শিশু-কিশোর
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • English Version
  • এনটিভি বাজার
  • এনটিভি কানেক্ট
  • যোগাযোগ
  • English Version
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি অস্ট্রেলিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি কানেক্ট
  • ভিডিও
  • ছবি
  • এনটিভির অনুষ্ঠান
  • বিজ্ঞাপন
  • আর্কাইভ
  • কুইজ
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • মত-দ্বিমত
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • জীবনধারা
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম ও জীবন
  • নির্বাচন
  • সহজ ইংরেজি
  • প্রিয় প্রবাসী
  • আইন-কানুন
  • চাকরি চাই
  • অটোমোবাইল
  • হাস্যরস
  • শিশু-কিশোর
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • English Version
  • এনটিভি বাজার
  • এনটিভি কানেক্ট
  • যোগাযোগ
  • English Version
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি অস্ট্রেলিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি কানেক্ট
  • ভিডিও
  • ছবি
  • এনটিভির অনুষ্ঠান
  • বিজ্ঞাপন
  • আর্কাইভ
  • কুইজ
Follow
  • বিশ্ব
  • যুক্তরাষ্ট্র
এনটিভি অনলাইন ডেস্ক
২২:০৫, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
আপডেট: ২২:৫১, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
এনটিভি অনলাইন ডেস্ক
২২:০৫, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
আপডেট: ২২:৫১, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
আরও খবর
‘হেরে গিয়ে কেমন লাগছে?’ প্রশ্ন এড়িয়ে নীরবে হাঁটলেন ট্রাম্প
ইরানের একাধিক স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ, হামলায় অচল বাণিজ্য জাহাজ
যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে আরও শক্ত জবাব দেওয়া হবে : আইআরজিসি
ইরানের স্থলপথেও অবরোধ জোরদার করছে যুক্তরাষ্ট্র
মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবির পর নিজের অবস্থান শক্ত করছেন জেডি ভ্যান্স
ফরেনসিক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ড. ব্যান্ডি এক্স লির হুঁশিয়ারি

পরাজিত ট্রাম্প পারমাণবিক বিপর্যয় ঘটাতে পারেন, মনোরোগ বিশেষজ্ঞের সতর্কবার্তা!

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক
২২:০৫, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
আপডেট: ২২:৫১, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
এনটিভি অনলাইন ডেস্ক
২২:০৫, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
আপডেট: ২২:৫১, ০৮ নভেম্বর ২০২৬
ডোনাল্ড ট্রাম্প। ফাইল ছবি

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর থেকেই হোয়াইট হাউসের অন্দরে শুরু হয়েছে এক চাপা উত্তেজনা। কিন্তু বাইরে শান্ত থাকা এই মানুষটিই কি ভেতরে ভেতরে এক টাইম বোমা হয়ে উঠছেন? পরাজয়ের জ্বালা, ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার আর শৈশবের অবদমিত ক্ষোভ মিলে ডোনাল্ড ট্রাম্প কি তবে এমন কোনো ধ্বংসাত্মক পথ বেছে নিতে পারেন, যা ডেকে আনতে পারে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ বা পারমাণবিক বিপর্যয়? বিশ্বখ্যাত ফরেনসিক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ড. ব্যান্ডি এক্স লি এবং আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিশ্লেষকদের চাঞ্চল্যকর মূল্যায়ন দ্য ইনডিপেন্ডেন্ট পত্রিকার প্রতিবেদন থেকে অনুবাদ করে তুলে ধরা হলো।

যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচনে নিজের দলের শোচনীয় পরাজয়ের পর প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যে প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন, তা তার স্বভাবসুলভ অস্থির আচরণের তুলনায় বেশ সংযত বলেই মনে হয়েছে। তবে এখনই তাকে নিয়ন্ত্রণে আনার সময়; অন্যথায়, তিনি নজিরবিহীন ধ্বংসলীলা চালাতে পারেন। ট্রাম্পের দৃষ্টিতে এই বিশ্ব হয় তাকে ব্যর্থ করেছে, অথবা তাকে একজন ‘পরাজিত’ (লুজার) হিসেবে চিহ্নিত করেছে, এই ক্ষোভ থেকেই তিনি হয়তো ধ্বংসাত্মক পথে পা বাড়াতে পারেন। এমনটাই মনে করেন ফরেনসিক মনোরোগ বিশেষজ্ঞ (সাইকিয়াট্রিস্ট) ও সহিংসতা বিষয়ক বিশেষজ্ঞ ড. ব্যান্ডি এক্স লি।

২০১৬ সালে ট্রাম্প প্রথমবার নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই ড. ব্যান্ডি এক্স লি ট্রাম্পের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সতর্কবার্তা দিয়ে আসছেন। তিনি নিউইয়র্ক টাইমসের বেস্টসেলার বই ‘দ্য ডেঞ্জারাস কেস অব ডোনাল্ড ট্রাম্প’-এর সম্পাদনা করেছেন। গত এপ্রিলে যুক্তরাষ্ট্রের ৩৬ জন শীর্ষস্থানীয় মানসিক স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞের একটি দলের অংশ হিসেবে তিনি ট্রাম্পকে ক্ষমতা থেকে সরানোর আহ্বান জানিয়ে একটি বিবৃতি দিয়েছিলেন। তাদের মতে, ট্রাম্পের আচরণ ক্রমশ ভারসাম্যহীন হয়ে উঠছিল।

কোনো নির্যাতনমূলক সম্পর্কের ক্ষেত্রে, একজন নারীর জন্য সবচেয়ে বিপজ্জনক মুহূর্তটি আসে ঠিক তখনই, যখন তিনি তার সহিংস সঙ্গীকে ছেড়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। গত মঙ্গলবার (৩ নভেম্বর) যুক্তরাষ্ট্রের জনগণ যেন সেই সম্পর্কের বাঁধন থেকে বেরিয়ে আসার প্রথম পদক্ষেপ নিল। তারা ট্রাম্পবাদকে পেছনে ফেলে এগিয়ে যাওয়ার প্রস্তুতি শুরু করল। এখন সেই পর্যায়টি সামনে রয়েছে, যা যেকোনো ভুক্তভোগীর জন্যই সবচেয়ে ভীতিজনক আর তা হলো প্রতিশোধ বা চরম আক্রোশ। ড. ব্যান্ডি এক্স লির মতে, ট্রাম্পকে এখনই নিয়ন্ত্রণে না আনলে তিনি যেকোনো ভয়ংকর কাণ্ড ঘটিয়ে ফেলতে পারেন।

‘ডায়েরি অব অ্যা সিইও’ শীর্ষক পডকাস্টে কথা বলার সময় শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বিষয়ক রাষ্ট্রবিজ্ঞানের অধ্যাপক রবার্ট পেপ বলেন, আসন্ন জানুয়ারি মাস ঘনিয়ে আসা এবং সে সময় ডেমোক্র্যাটিক রাজনীতিকদের শপথ গ্রহণের প্রাক্কালে, আমরা আমাদের জীবনের সবচেয়ে বিপজ্জনক আট সপ্তাহের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

অধ্যাপক রবার্ট পেপ বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যবর্তী নির্বাচন ট্রাম্প প্রশাসনের ভাগ্য নির্ধারণ করে দিয়েছে—আর ক্ষমতার এই হস্তান্তর পর্বটিই সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সময়। তিনি বলেন, ‘৬ জানুয়ারির ঘটনায় আমরা তা প্রত্যক্ষ করেছি। সুতরাং, এই অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে যা ঘটবে, তা অনায়াসেই ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের রূপ নিতে পারে। কারণ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বারবার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, নির্বাচনের পর তিনি পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত করবেন। আর এখন তো চলছে নির্বাচন পরবর্তী সময়।’

নির্বাচনে পরাজয়ের পর টেলিভিশনে প্রথমবারের মতো সরাসরি উপস্থিত হয়ে ট্রাম্প নির্বাচনের বিষয়ে একটি শব্দও উচ্চারণ করেননি। বরং তিনি ২০ মিনিট ধরে সাংবাদিকদের হোয়াইট হাউসের ‘ইস্ট উইং’-এর জায়গায় গড়ে তোলা একটি নির্মাণাধীন এলাকা ঘুরিয়ে দেখিয়েছেন। সেখানে তিনি যে বলরুম তৈরি করছেন, সেটিকে তিনি ‘ওয়াশিংটনের সবচেয়ে নিরাপদ স্থান’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং একটি ইস্পাতের বিমের ওপর স্বাক্ষর করে লিখে দিয়েছেন—‘লাভ! (ভালোবাসা!)’।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ড. ব্যান্ডি এক্স লি বলেন, এ থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে নির্বাচনের ফলাফল, অর্থাৎ পরাজিত হওয়ার বিষয়টি ট্রাম্পের জন্য মেনে নেওয়া অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

ড. ব্যান্ডি এক্স লি বলেন, “সম্ভবত তিনি (ট্রাম্প) এই বলরুমটির মধ্যেই স্বস্তি খুঁজে পাচ্ছেন। সেখানে তিনি ‘নিরাপত্তা’ ও ‘ভালোবাসা’র কথা বলছেন।”

ব্যান্ডি এক্স লি আরও বলেন, ট্রাম্প সারা জীবন যে জিনিসের আকাঙ্ক্ষা করেছেন, অথচ যা তিনি কখনোই পাননি, সেটিই যেন তিনি এখন সেখানে খুঁজে বেড়াচ্ছেন।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ড. ব্যান্ডি এক্স লি বলেন, ‘আসলে ট্রাম্পের ক্ষোভ তার বাবা-মায়ের প্রতি, কারণ শৈশবে তার যা প্রয়োজন ছিল, তা তারা তাকে দেননি। আর এই ক্ষোভই এখন পুরো পৃথিবীর বিরুদ্ধে প্রতিশোধ নেওয়ার আকাঙ্ক্ষায় পরিণত হয়েছে। হতে পারে, এখন পুরো পৃথিবীই তার লক্ষ্যবস্তু।’

ড. ব্যান্ডি এক্স লি সংবাদমাধ্যম ‘দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট’কে বলেন, তিনি ২০১৭ সালের জানুয়ারিতে ট্রাম্প যখন প্রথমবার দায়িত্ব গ্রহণ করেন, তখন থেকেই পারমাণবিক অস্ত্রের ওপর তার অবাধ নিয়ন্ত্রণ নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন। তিনি বলেন, ‘পারমাণবিক অস্ত্রের ভয়াবহ পরিণতি না বুঝেই ট্রাম্প এগুলোর প্রতি ভীষণ আকৃষ্ট; তার কাছে এগুলো কেবল বড় আকারের বোমা ছাড়া আর কিছুই নয়।’

ব্যান্ডি এক্স লি আরও বলেন, “তবে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার মানবসভ্যতা বা আমাদের পরিচিত জীবনের এক বিপর্যয়কর সমাপ্তি ডেকে আনবে। ট্রাম্পকে যদি এখনই নিয়ন্ত্রণে না আনা হয়, তবে তিনি হয়তো পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করে বসতে পারেন। কারণ, নির্বাচনে পরাজয়ের কারণে তিনি প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ এবং ‘পরাজিত’ হিসেবে নিজের ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারের জন্য মরিয়া হয়ে উঠতে পারেন।”

ড. ব্যান্ডি এক্স লি বলেন, নির্বাচনের ফলাফলের পর ট্রাম্পের প্রাথমিক প্রতিক্রিয়া ছিল বেশ ‘শান্ত ও নমনীয়’।

মধ্যবর্তী নির্বাচনে ফলাফল ঘোষণার পর ফক্স নিউজের স্টুডিওতে ফোন করে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, ডেমোক্র্যাটদের সঙ্গে তিনি ‘অনেক বিষয়েই’ কাজ করতে পারেন।

ব্যান্ডি এক্স লি বলেন, আমেরিকার হাতে এখন খুব অল্প সময় আছে—এমন কিছু পদক্ষেপ নেওয়ার, যার মাধ্যমে কোনো তাৎক্ষণিক বড় ধরনের প্রতিক্রিয়া ছাড়াই ট্রাম্পকে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব হতে পারে। এই পর্যায়ে সঠিক ব্যবস্থাপনা হলো—তার লক্ষ্যগুলো আরও বাস্তবসম্মত না হওয়া পর্যন্ত তার ওপর সীমাবদ্ধতা আরোপ করে যাওয়া এবং এরপর তাকে ছোট ছোট অর্জনের মাধ্যমে সন্তুষ্টি খুঁজে পেতে সহায়তা করা।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ব্যান্ডি এক্স লি আরও বলেন, ‘আপনার হয়তো নজরে পড়েছে, অন্যদের বেঁচে থাকার জন্য যেমন অক্সিজেনের প্রয়োজন, ঠিক তেমনই তার প্রয়োজন অতিরিক্ত প্রশংসা ও স্তুতি। এর পরিণতিতে যা ঘটে তা হলো—মানুষ তাকে অতিরিক্ত প্রশ্রয় দেয়, তার সঙ্গে অত্যন্ত সতর্ক ও কোমল আচরণ করে এবং তাকে বারবার অপ্রয়োজনীয় সব ‘কগনিটিভ স্ক্রিন’ বা বুদ্ধিবৃত্তিক সক্ষমতা যাচাইয়ের পরীক্ষা (যেমন—মন্ট্রিল কগনিটিভ অ্যাসেসমেন্ট) দেয়।

যদিও ট্রাম্প বারবার দাবি করেছেন, তিনি এই পরীক্ষায় ৩০-এর মধ্যে ৩০ পেয়ে পূর্ণ নম্বর অর্জন করেছেন। এরপর তারা তাকে বলে যে, এই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার অর্থ হলো তিনি একজন জিনিয়াস।

ড. ব্যান্ডি এক্স লি বলেন, ট্রাম্পের মনের কোনো এক কোণে হয়তো অবচেতনভাবেই এই বিশ্বাস কাজ করে—তিনি নিজে কিংবা তার অনুসারী রিপাবলিকানরা কেউই আসলে জয়ের যোগ্য ছিলেন না। এই বেদনাদায়ক অনুভূতিকে ঢেকে রাখতে তিনি নিজেকে এমনভাবে উপস্থাপন করেন যেন তিনি কখনোই পরাজিত হতে পারেন না। ড. লি বলেন, ‘বিভ্রম বা বিভ্রান্তির উৎসও এখানেই, যেহেতু বাস্তবতা এতই অসহনীয় যে তার মুখোমুখি হওয়া সম্ভব নয়। তাই তিনি নিজেকে ও অন্যদের কাছে মিথ্যা বলেন আর এক পর্যায়ে তিনি নিজেই নিজের সেই মিথ্যাগুলোকে বিশ্বাস করতে শুরু করেন।’

হোয়াইট হাউসের ইস্ট রুমে ট্রাম্প মধ্যবর্তী নির্বাচনের ফলাফল পর্যবেক্ষণ করছিলেন। তার সঙ্গে ছিলেন ভাইস প্রেসিডেন্ট জে ডি ভ্যান্স, পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও এবং তার ঊর্ধ্বতন টিম। শোনা যায়, সেই পুরো রাত তিনি অভিযোগ করেছেন—তার উপদেষ্টারা তাকে ভুল পরিসংখ্যান দিয়েছিলেন। তার আশপাশের মানুষগুলো টিকে থাকে তাকে সেই কথাগুলো শুনিয়ে, যা তিনি শুনতে চান। ডোনাল্ড ট্রাম্প যা শুনতে চান, তারা ঠিক তা-ই তাকে বলে।

তবে ড. ব্যান্ডি এক্স লি বলেন, আশপাশের মানুষগুলো পছন্দসই কথা শুনিয়েছে বলে ট্রাম্প তাদের ওপর ক্ষুব্ধ হওয়ার পরিবর্তে, বরং এমন কথা আরও বেশি শুনতে চাইবেন। ড. লি বলেন, ‘একজন সুস্থ মানুষ হয়তো তাদের ওপর রাগ করবেন যারা তাকে সত্য বলেনি, কিন্তু ডোনাল্ড ট্রাম্প তেমন নন। তিনি বরং তাদের এমন মানুষ হিসেবে দেখবেন, যারা কষ্টের সময়ে তার ক্ষত জুড়িয়ে দিয়েছিল। তাদের ওপর তার রাগ তখনই জন্মাবে, যখন তারা তাকে সান্ত্বনা দেওয়া বন্ধ করে দেবে আর শেষ পর্যন্ত এমনটা সবাই করেবে।’

এদিকে ডেমোক্র্যাটরা প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেট—উভয়ের নিয়ন্ত্রণই নিজেদের হাতে নিয়েছে। টেক্সাসে ৩০ বছরেরও বেশি সময়ের মধ্যে প্রথমবারের মতো সিনেট থেকে শুরু করে লেফটেন্যান্ট গভর্নর পর্যন্ত প্রতিটি রাজ্য-পর্যায়ের নির্বাচনে তারা জয়লাভ করেছে। এমনকি কানসাস ও সাউথ ক্যারোলাইনার মতো কট্টর রিপাবলিকান-সমর্থিত অঙ্গরাজ্যগুলোতেও তারা জয়ী হয়েছে, যা রিপাবলিকানদের জন্য গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় মধ্যবর্তী নির্বাচনি পরাজয়। তাহলে, এই বিশাল পরাজয়, চরম বিব্রতকর পরিস্থিতি এবং পরবর্তী বিচ্ছিন্নতা কি ট্রাম্পকে আরও বেশি ভঙ্গুর ও অস্থির করে তুলবে?

ব্যান্ডি এক্স লি বলেন, পরিস্থিতি যেকোনো দিকে মোড় নিতে পারে। তার আত্মরক্ষার দেয়াল যখন দুর্বল হয়ে পড়বে, ঠিক তখনই তিনি হয়ত নিজেকে সামলে নিয়ে আরও তীব্র পাল্টা আক্রমণ করার প্রস্তুতি নিতে পারেন। আর এই ‘বিপজ্জনক’ আচরণের রূপ আসলে কেমন হতে পারে, সে বিষয়ে ড. ব্যান্ডি এক্স লি বলেন, সব লক্ষণ মধ্যপ্রাচ্যের দিকে ইঙ্গিত করছে।

মনোরোগ বিশেষজ্ঞ ড. ব্যান্ডি এক্স লি বলেন, “ইরানের ভূগর্ভস্থ ক্ষেপণাস্ত্র ঘাঁটিগুলো সাধারণ বোমার আঘাতে ধ্বংস করা অসম্ভব বলে মনে করা হয়। যদিও তাদের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মাত্রা এখনও পারমাণবিক অস্ত্র তৈরির পর্যায়ে পৌঁছায়নি, তবে এক্ষেত্রে বাস্তব তথ্যের কোনো গুরুত্ব নেই। তাই, পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি ‘প্রতিরোধ’ করার অজুহাতে ট্রাম্প হয়তো এই ঘাঁটিগুলোতে পারমাণবিক হামলা চালিয়ে বসতে পারেন।”

শুধু লি-ই যে উদ্বিগ্ন তা নয়। ডানপন্থি টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব টাকার কার্লসন ইরানের বিষয়ে চলতি বছরের শুরুর দিকে প্রকাশ্যে ট্রাম্পের সঙ্গে দূরত্ব তৈরি করেছিলেন। গত সপ্তাহে টাকার কার্লসন বলেন, প্রশাসনের ভেতরের সূত্রগুলো তাকে বলেছে—যুক্তরাষ্ট্র হয়তো কয়েক দিনের মধ্যেই পারমাণবিক হামলা চালাতে পারে। আর এই হামলার লক্ষ্যবস্তু হতে পারে ইরানের ‘পিকঅ্যাক্স মাউন্টেন’, যা দেশটির পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচির কেন্দ্রস্থল বলে বিবেচনা করা হয়। চলতি সপ্তাহে ব্রিটিশ পারমাণবিক বিশেষজ্ঞ প্যাট্রিসিয়া লুইস ‘দ্য ইন্ডিপেন্ডেন্ট’ পত্রিকাকে একটি পারমাণবিক হামলার পরিণতি কী হতে পারে, তা জানান। তিনি বলেন, ‘ঘটনাস্থলের একেবারে কাছাকাছি থাকা মানুষগুলো তাৎক্ষণিক বাষ্পীভূত হয়ে যাবে। আর যারা কিছুটা দূরে থাকবে, তারা প্রচণ্ড বিস্ফোরণ ও তার ফলে সৃষ্ট অগ্নিকাণ্ডের কবলে পড়বে; পাশাপাশি তারা উচ্চমাত্রার তেজস্ক্রিয়তার শিকার হবে। এ ছাড়া তেজস্ক্রিয়তাজনিত অসুস্থতায় পরবর্তী কয়েক সপ্তাহের মধ্যে অনেকেই মারা যাবে।’

ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ বলয়ে থাকা ব্যক্তিদের এখন হিসাব কষতে হবে—তাদের ভবিষ্যৎ কি এই ‘রাজনৈতিকভাবে দুর্বল’ প্রেসিডেন্টের আরও ঘনিষ্ঠ হওয়ার মধ্যে নিহিত, নাকি তার থেকে দূরত্ব বজায় রাখার মধ্যে। ডোনাল্ড ট্রাম্পের বিতর্কিত অভিবাসনবিরোধী নীতিগুলোর রূপকার স্টিফেন মিলার যে সুসি ওয়াইলসের স্থলাভিষিক্ত হয়ে হোয়াইট হাউসের চিফ অব স্টাফ হতে যাচ্ছেন, তা থেকে স্পষ্ট বোঝা যায়—পর্দার আড়ালে ট্রাম্প পরাজয় মেনে নিয়ে পিছু হটার মানসিকতায় নেই, বরং তিনি তার অবস্থানে আরও অনড় হয়ে উঠছেন।

ড. ব্যান্ডি এক্স লি ‘নিয়ন্ত্রণের’ কথা বলছেন, তা সফল হতে হলে ট্রাম্পের আশপাশে এমন কিছু দায়িত্বশীল ও পরিপক্ক মানুষের উপস্থিতি প্রয়োজন, যারা প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ ও অপমানিত ট্রাম্পকে নানাভাবে—যেমন তোষামোদ, ছোটখাটো সাফল্য বা গলফ খেলার সুযোগ দিয়ে ব্যস্ত রাখতে পারবেন, যতক্ষণ না নতুন কংগ্রেস শপথ গ্রহণ করে। তবে, সুসি ওয়াইলসের জায়গায় স্টিফেন মিলারের আগমন একটি স্পষ্ট ইঙ্গিত, ট্রাম্পের ক্ষমতার শেষ পর্যায়ে তার নীতিমালায় কোনো নমনীয়তা দেখাবেন না, বরং এটি আরও কঠোর হতে পারে। এক্ষেত্রে ‘মেক আমেরিকা গ্রেট এগেইন’ মতাদর্শের অনুসারীরা আগের চেয়েও বেশি পুরস্কৃত হবেন।

ট্রাম্প ডোনাল্ড ট্রাম্প যুক্তরাষ্ট্র মধ্যবর্তী নির্বাচন পারমাণবিক অস্ত্র

সংশ্লিষ্ট সংবাদ: যুক্তরাষ্ট্র

০৮ নভেম্বর ২০২৬
‘হেরে গিয়ে কেমন লাগছে?’ প্রশ্ন এড়িয়ে নীরবে হাঁটলেন ট্রাম্প
০৮ নভেম্বর ২০২৬
ইরানের একাধিক স্থানে বিস্ফোরণের শব্দ, হামলায় অচল বাণিজ্য জাহাজ
০৮ নভেম্বর ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র হামলা করলে আরও শক্ত জবাব দেওয়া হবে : আইআরজিসি
  • আরও
সর্বাধিক পঠিত
  1. পোল্যান্ডে বন্দুকধারীর হামলায় নিহত ৬, সন্দেহভাজনের বাড়িতে আরও ৩ মরদেহ
  2. মধ্যবর্তী নির্বাচনে ভরাডুবির পর নিজের অবস্থান শক্ত করছেন জেডি ভ্যান্স
  3. নেতানিয়াহুকে পেছনে ফেলে সরকার গঠনের দায়িত্ব পেলেন আইজেনকোট
  4. এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণ আবেদনের সময় বাড়ল
  5. ট্রাম্প-পুতিন চুক্তির পরও রাশিয়ার ডিজেল কিনতে ব্যবসায়ীদের অনীহা কেন?
  6. ক্ষেপণাস্ত্রের সীমার ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নিল ইরান

Alhaj Mohammad Mosaddak Ali

Chairman

NTV Online, BSEC Building (Level-8), 102 Kazi Nazrul Islam Avenue, Karwan Bazar, Dhaka-1215 Telephone: +880255012281 up to 5, Fax: +880255012286 up to 7

Alhaj Mohammad Mosaddak Ali

Chairman

NTV Online, BSEC Building (Level-8), 102 Kazi Nazrul Islam Avenue, Karwan Bazar, Dhaka-1215 Telephone: +880255012281 up to 5, Fax: +880255012286 up to 7

Browse by Category

  • About NTV
  • Career
  • NTV Programmes
  • Advertisement
  • Web Mail
  • NTV FTP
  • Satellite Downlink
  • Europe Subscription
  • USA Subscription
  • Privacy Policy
  • Terms & Conditions
  • Contact
  • Archive
  • My Report

NTV Prime Android App

Find out more about our NTV: Latest Bangla News, Infotainment, Online & Live TV

Qries

Reproduction of any content, news or article published on this website is strictly prohibited. All rights reserved

x