চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে ইংল্যান্ডের স্বস্তির জয়
২৫ মিনিটেই একজন কমে গিয়েছিল চেক প্রজাতন্ত্রের। তখন মনে হচ্ছিল, ইংল্যান্ডের জন্য ম্যাচটি হয়তো আরও সহজ হয়ে যাবে। কিন্তু সংখ্যাগরিষ্ঠতার সুবিধা নিয়েও প্রথমার্ধে কোনো গোলের দেখা পায়নি টমাস টুখেলের দল।
প্রাগে ম্যাচের শুরুটা বরং স্বাগতিকদের জন্যই স্বস্তির ছিল। প্রথম ২০ মিনিটে ইংল্যান্ডকে কয়েকবার চাপে ফেলেছিল চেক প্রজাতন্ত্র। ১৬ মিনিটে মর্গান রজার্সের শট পোস্টে লেগে ফিরে আসে। ফিরতি বলে এলিয়ট অ্যান্ডারসনের চেষ্টা আটকে যায়। এরপর বুকায়ো সাকার শটও ঠেকিয়ে দেন চেক ডিফেন্ডার জিরি স্লামা।
২৫ মিনিটে ম্যাচের বড় মোড় আসে। এলিয়ট অ্যান্ডারসনকে ফাউল করায় পাভেল শুলৎসকে প্রথমে হলুদ কার্ড দেখান রেফারি। পরে ভিএআরের হস্তক্ষেপে সেই সিদ্ধান্ত বদলে লাল কার্ড দেখানো হয়। ১০ জনের দলে পরিণত হয় চেক প্রজাতন্ত্র।
এরপর থেকে বলের দখল ও আক্রমণে এগিয়ে যায় ইংল্যান্ড। কিন্তু চেকদের জমাট রক্ষণে বারবার আটকে যাচ্ছিল তাদের আক্রমণ। প্রথমার্ধ শেষ হয় গোলশূন্য অবস্থায়।
বিরতির পর অবশ্য আর বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি ইংল্যান্ডকে। ৪৭ মিনিটে ট্রেন্ট আলেক্সান্ডার-আর্নল্ডের ক্রস থেকে মাথা ছুঁইয়ে বল জালে পাঠান অ্যান্থনি গর্ডন।
গোল হজমের পরও একজন কম নিয়ে খেলতে থাকা চেক প্রজাতন্ত্র রক্ষণ সামলে ম্যাচে থাকার চেষ্টা করে। তবে ইংল্যান্ডের চাপ ক্রমেই বাড়তে থাকে।
৬৯ মিনিটে আসে দ্বিতীয় গোল। বক্সের ভেতর মর্গান রজার্সকে আটকাতে গিয়ে ক্রেইচি বল হারালে সেটি হ্যারি কেইনের সামনে পড়ে। বাঁ পায়ের শটে বল জালে পাঠিয়ে ব্যবধান ২-০ করেন ইংল্যান্ড অধিনায়ক।
এরপর আরও কয়েকটি সুযোগ তৈরি করে ইংল্যান্ড। ৮২ মিনিটে এজেকিয়েল এজের শট কোনোমতে ঠেকিয়ে দেন চেক গোলরক্ষক কোভার। ৮৯ মিনিটে দূরপাল্লার শটে আবারও চেষ্টা করেন এজে, তবে সেটি লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। যোগ করা সময়ে জুড বেলিংহামের শটও ঠেকিয়ে দেন চেক গোলরক্ষক।
শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানের জয় নিয়ে মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড। এই জয়ে লিগ ‘এ’র গ্রুপ সিতে দুই ম্যাচে ৩ পয়েন্ট নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে আছে তারা। অন্যদিকে টানা দুই ম্যাচ হেরে তলানিতে চেক প্রজাতন্ত্র।
পরের ম্যাচে ইংল্যান্ডের প্রতিপক্ষ ক্রোয়েশিয়া। চেক প্রজাতন্ত্র খেলবে স্পেনের বিপক্ষে।

স্পোর্টস ডেস্ক