নরওয়ের চমক আর ইংল্যান্ডের আধিপত্য, প্রথমার্ধ শেষ সমতায়
এবারের বিশ্বকাপের অন্যতম শক্তিশালী দল ইংল্যান্ড। তবে নরওয়েও এসেছে চমক দেখাতে। মাঠের খেলায় প্রথমার্ধে সেই দুটোরই দেখা মিলল। বল দখলে রেখে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করল ইংল্যান্ড। আর কাউন্টার অ্যাটাক থেকে চমক দেখানোর চেষ্টায় নরওয়ে। নরওয়েজিয়ানরা চমক দেখিয়ে এগিয়েও গেল। ইংল্যান্ড প্রথমার্ধের শেষ সময়ে ম্যাচে ফিরল আধিপত্য দেখিয়ে। ফলে প্রথমার্ধ শেষ হলো সমতায় থেকেই।
আজ রোববার (১২ জুলাই) বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় যুক্তরাষ্ট্রের মায়ামিতে কোয়ার্টার ফাইনালে মুখোমুখি হয়েছে ইংল্যান্ড আর নরওয়ে। প্রথমার্ধ শেষে ১-১ গোলের সমতায় ম্যাচ।
ম্যাচের শুরু থেকেই বল দখলে রেখে মাঠে আধিপত্য বিস্তারের চেষ্টা করে ইংল্যান্ড। বিপরীতে, কাউন্টার অ্যাটাক থেকে গোল আদায়ের সুযোগ খুঁজছিল নরওয়ে। তবে দুই দলই আটকে যাচ্ছিল প্রতিপক্ষের রক্ষণে গিয়ে।
অবশেষে ম্যাচের ৩৬তম মিনিটে এগিয়ে যায় নরওয়ে। বক্সের বাইরে থেকে দুর্দান্ত শটে গোল করেন আন্দ্রেয়াস স্কিয়েলদেরুপ। গোলের আগে ইংল্যান্ডের মাঝমাঠে বল হারানোকে কাজে লাগিয়ে দ্রুত আক্রমণে যায় নরওয়ে, যা শেষ পর্যন্ত ফল এনে দেয়।
গোল হজমের পর বলের দখলে আধিপত্য বাড়ায় ইংল্যান্ড। পুরো প্রথমার্ধেই প্রায় দুই-তৃতীয়াংশ সময় বল নিজেদের দখলে রাখে তারা। পাসিং ও আক্রমণ গঠনে এগিয়ে থাকলেও শেষ মুহূর্তে গোলের দেখা পাচ্ছিল না থ্রি লায়ন্সরা।
তবে বিরতির ঠিক আগে আসে স্বস্তির মুহূর্ত। যোগ করা সময়ে জুড বেলিংহ্যামের গোলে সমতায় ফেরে ইংল্যান্ড। অ্যান্থনি গর্ডনের পাস থেকে পাওয়া বল নিয়ে বক্সের মধ্যে ঢুকে দারুণ ফিনিশিংয়ে বল জালে জড়িয়ে দেন তিনি।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, বল দখল ও পাসিংয়ে স্পষ্টভাবে এগিয়ে ইংল্যান্ড। তাদের পাস সংখ্যা ও নির্ভুলতা বেশি, তবে আক্রমণে বেশি কার্যকর ছিল নরওয়ে। কম সুযোগ তৈরি করেও এগিয়ে যাওয়ার প্রমাণ দিয়েছে তারা।
প্রথমার্ধের যোগ করা সময়ে আরও একবার নরওয়ের জালে বল জড়িয়েছিলেন হ্যারি কেইন। কিন্তু লাইন্সম্যান অফসাইডের পতাকা তোলায় বাতিল হয়ে যায় সেটি। ফলে ১-১ গোলের সমতায় নিয়েই বিরতিতে গেছে দুই দল।

স্পোর্টস ডেস্ক