যে নিয়মে শেষ মুহূর্তে বাতিল ক্রোয়েশিয়ার গোল
বল জালে জড়াতেই উল্লাসে মেতে উঠেছিল ক্রোয়েশিয়া। মনে হচ্ছিল, শেষ মুহূর্তে পর্তুগালের বিপক্ষে অবিশ্বাস্য এক সমতা ফিরিয়েছে তারা। কিন্তু কয়েক মিনিট পরই বদলে যায় পুরো দৃশ্য। ভিডিও অ্যাসিস্ট্যান্ট রেফারি (ভিএআর) অফসাইডের সিদ্ধান্ত দিলে বাতিল হয়ে যায় গোলটি। তাতে ক্রোয়েশিয়ার স্বপ্ন ভাঙে। শেষ পর্যন্ত ২-১ ব্যবধানে জিতে বিশ্বকাপের শেষ ষোলো নিশ্চিত করে পর্তুগাল।
ম্যাচের ৯৪তম মিনিটে গনসালো রামোস গোল করে পর্তুগালকে এগিয়ে দেন। এরপর ১০ মিনিটের যোগ করা সময়ের একেবারে শেষ দিকে, ১০৩তম মিনিটে গোলমুখে তৈরি হওয়া নাটকীয় পরিস্থিতি থেকে যশকো গভার্দিওল বল জালে পাঠান। প্রথম দেখায় গোলটি বৈধ বলেই মনে হয়েছিল। তবে, রেফারি ভিএআরের সাহায্য নেন।
রিপ্লেতে দেখা যায়, ইভান পেরিসিচের ডান দিক থেকে ভেসে আসা ক্রসটি প্রথমে ক্রোয়েশিয়ার ইগর মাতানোভিচের মাথায় অল্প স্পর্শ করে। এরপর সেটি পর্তুগালের ডিফেন্ডার রেনাতো ভেইগার মাথায় লেগে গোলমুখে থাকা মারিও পাশালিচের কাছে যায়। সেখান থেকে বলটি জালে পাঠান গভার্দিওল।
বিতর্কের মূল কারণ ছিল অফসাইডের মুহূর্ত। ভেইগার স্পর্শটি ইচ্ছাকৃত ছিল না। তাই নিয়ম অনুযায়ী অফসাইড ধরা হয় মাতানোভিচের মাথায় বল লাগার সময়। ওই মুহূর্তে পাসালিচ অফসাইডে ছিলেন। পরে তিনি অনসাইডে ফিরলেও সেটি আর নিয়মে প্রভাব ফেলেনি।
ফলে বহু প্রতীক্ষিত সমতার গোলটি আর স্কোরবোর্ডে যোগ হয়নি। কয়েক সেকেন্ডের ব্যবধানে উল্লাস বদলে যায় হতাশায়। ভিএআরের সেই সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়। ২-১ ব্যবধানে জয় নিয়ে শেষ ষোলোতে উঠে যায় পর্তুগাল। আর হৃদয়ভাঙা বিদায় নিতে হয় ক্রোয়েশিয়াকে।

স্পোর্টস ডেস্ক