কেইনের রেকর্ড গড়া গোলে গ্রুপসেরা হয়ে নকআউটে ইংল্যান্ড
দীর্ঘ সময় গোলের জন্য অপেক্ষা করতে হয়েছে। আক্রমণের পর আক্রমণ করেও পানামার জমাট রক্ষণ ভাঙতে পারছিল না ইংল্যান্ড। তবে ধৈর্য হারায়নি টমাস টুখেলের দল। শেষ পর্যন্ত জুড বেলিংহ্যামের দুর্দান্ত ভলি ও হ্যারি কেইনের ইতিহাস গড়া গোলে পানামাকে হারিয়ে গ্রুপসেরা হয়ে নকআউটের টিকিট নিশ্চিত করল ইংল্যান্ড।
আজ রোববার (২৮ জুন) বাংলাদেশ সময় রাত ৩টায় ‘এল’ গ্রুপের ম্যাচে মুখোমুখি হয়েছিল ইংল্যান্ড আর পানামা। দারুণ লড়াই শেষে পানামাকে ২-০ গোলে হারিয়েছে ইংল্যান্ড। এ নিয়ে গ্রুপ পর্বে টানা তিন ম্যাচে অপরাজিত থাকল থ্রি-লায়ন্সরা।
প্রথমার্ধে বলের দখল ও আক্রমণে স্পষ্ট আধিপত্য ছিল ইংল্যান্ডের। মার্কাস
র্যাশফোর্ডের ফ্রি-কিক অল্পের জন্য লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়। বুকায়ো সাকা, জুড বেলিংহ্যাম ও হ্যারি কেইন একের পর এক আক্রমণ সাজালেও পানামার রক্ষণভাগ দেয়াল হয়ে দাঁড়ায়। অন্যদিকে, সুযোগ পেলেই পাল্টা আক্রমণে ওঠে পানামা। তবে জর্ডান পিকফোর্ডের দৃঢ়তায় কোনো বিপদ ঘটতে দেয়নি ইংল্যান্ড। ফলে গোলশূন্য সমতায় শেষ হয় প্রথমার্ধ।
বিরতির পর আরও আক্রমণাত্মক হয়ে নামে ইংল্যান্ড। অবশেষে ৬২তম মিনিটে আসে কাঙ্ক্ষিত গোল। সেট-পিস থেকে বুকায়ো সাকার নিচু করে বাড়ানো বল নিকটবর্তী পোস্টে অসাধারণ এক ভলিতে জালে জড়িয়ে দেন জুড বেলিংহ্যাম। সেই গোলেই ভেঙে যায় পানামার প্রতিরোধ।
গোলের মাত্র পাঁচ মিনিট পরই ইতিহাস গড়েন হ্যারি কেইন। ৬৭তম মিনিটে ব্যবধান ২-০ করেন ইংলিশ অধিনায়ক। এটি ছিল বিশ্বকাপে তার ১১তম গোল, যা তাকে ইংল্যান্ডের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতার আসনে বসিয়েছে। এর আগে ১০ গোল নিয়ে এই রেকর্ডের মালিক ছিলেন কিংবদন্তি গ্যারি লিনেকার।
শেষ পর্যন্ত ২-০ ব্যবধানের জয় নিয়েই মাঠ ছাড়ে ইংল্যান্ড। হয়তো চোখধাঁধানো ফুটবল উপহার দিতে পারেনি টমাস টুখেলের দল। কিন্তু প্রয়োজনের সময় কার্যকর ফুটবল খেলেই নিজেদের কাজ ঠিকভাবে সেরে নিয়েছে। গ্রুপসেরা হিসেবে তারা নিশ্চিত করেছে শেষ ৩২ তথা নকআউট পর্বের টিকিট। এখন শেষ ৩২-এ তাদের প্রতিপক্ষ কে হবে, সেটিই জানার অপেক্ষা।

স্পোর্টস ডেস্ক