বিশ্বকাপে অনিশ্চিত ইরান—কী বলছে ফিফা?
ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের হামলায় অস্থির অবস্থা তৈরি হয়েছে বিশ্বজুড়ে। যার প্রভাব পড়েছে ফুটবলেও। চলমান এই যুদ্ধের ফলে আসন্ন ফিফা বিশ্বকাপে ইরানের অংশগ্রহণ নিয়ে ধোঁয়াশা বেড়েছে। ইরান বিশ্বকাপে অংশ নেবে কি না, ফুটবল অঙ্গনে এটি এখন বড় প্রশ্ন।
ইরান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি মেহদি তাজ হামলার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই বলেছিলেন, ‘এই আক্রমণ ও নিষ্ঠুরতার পর আমরা বিশ্বকাপের দিকে আশাবাদী দৃষ্টিতে তাকাতে পারি না।’
ফিফা অবশ্য এখনই কোনো সিদ্ধান্ত দিতে নারাজ। ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা জানিয়েছে, এখনই কিছু বলাটা তড়িঘড়ি হয়ে যাবে। পরিস্থিতি পর্যকবেক্ষণে রেখেছে তারা।
ফিফা মহাসচিব ম্যাথিয়াস গ্রাফস্ট্রম বলেন, ‘পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। এখনই বিস্তারিত মন্তব্য করা একটু তড়িঘড়ি হয়ে যাবে। ইরানের সম্ভাব্য বিশ্বকাপ প্রত্যাহার নিয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো আলোচনা হয়নি।’
২০২৬ বিশ্বকাপের নিয়মাবলির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী কোনো সদস্য দেশ ‘ফোর্স মেজর’ পরিস্থিতিতে সরে দাঁড়ালে ফিফা নিজ বিবেচনায় প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত নিতে পারবে। অর্থাৎ ইরান সরে গেলে তাদের জায়গায় অন্য কোনো দলকে নেওয়ার ক্ষমতা ফিফার রয়েছে।
‘টিম মেল্লি’ হিসেবে পরিচিত ইরান জাতীয় ফুটবল দল ইতোমধ্যে টানা চতুর্থবারের মতো বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করেছে। তারা গ্রুপ ‘জি’-তে বেলজিয়াম, মিশর ও নিউজিল্যান্ডের মোকাবিলা করার কথা রয়েছে। সূচি অনুযায়ী দুটি ম্যাচ লস অ্যাঞ্জেলসে এবং একটি সিয়াটলে অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
২০২৬ বিশ্বকাপের তিন আয়োজক দেশের একটি যুক্তরাষ্ট্র। টুর্নামেন্টের বেশিরভাগ ম্যাচে দেশটিতে অনুষ্ঠিত হবে। বাকি দুই আয়োজক মেক্সিকো ও কানাডা।

স্পোর্টস ডেস্ক