মেহজাবীন লিখলেন, ‘আমার বয়ফ্রেন্ড এবং আমি’!
জীবনের ব্যস্ততা দূরে সরিয়ে প্রিয় মানুষের সাথে একটু নিরিবিলি সময় কাটানোর চেয়ে রোমান্টিক আর কী হতে পারে! কর্মব্যস্ততা আর ক্যামেরার ফ্ল্যাশলাইটের দুনিয়া থেকে বের হয়ে যখন প্রিয় মানুষটির সাথে কোনো দূরদ্বীপ বা সমুদ্রঘেঁষা রিসোর্টে সময় কাটানো হয়, তখন প্রতিটি মুহূর্ত হয়ে ওঠে স্মৃতিময়।
ঠিক তেমনি এক রাজকীয় ও স্নিগ্ধ অবকাশ যাপনের ঝিলিক নিয়ে হাজির হয়েছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। হলুদ রঙের একটি চমৎকার প্লেটেড গাউনে তার এই রূপ যেন চারপাশের পরিবেশকে আরও উজ্জ্বল করে তুলেছে।
ছবিতে হলুদ স্লিভলেস গাউনে মেহজাবীনকে লাগছে মোহনীয়, যেন রাতের সমুদ্রের ক্যানভাসে এক টুকরো উজ্জ্বল রোদ।
পরের ছবিগুলোতে ধরা পড়েছে এক অমলিন ডিনার ডেট। কাঠের কারুকার্যখচিত বিলাসবহুল কোনো রেস্তোরাঁ যেখানে ছাদ থেকে ঝুলছে দৃষ্টিনন্দন ক্রিস্টাল বা মাছের আকৃতির নান্দনিক লাইটিং। আরামদায়ক সোফায় বসে হাসিমুখে মেহজাবীন তাকিয়ে আছেন সামনের মানুষটির দিকে, যিনি পরম যত্নে ক্যামেরায় বন্দী করছেন এই অমূল্য মুহূর্তগুলো। টেবিলে রাখা উজ্জ্বল হলুদ রঙের হ্যান্ডব্যাগটি পুরো লুকে এনে দিয়েছে একটি নিখুঁত স্টাইলিশ ছোঁয়া।
ডাইনিং টেবিলের উষ্ণ আলো, চারপাশের কাঠের ছিমছাম ইন্টেরিয়র এবং দু'জনের মধ্যকার এই বোঝাপড়া ট্রাভেলগপ্রেমীদের জন্য একটি পারফেক্ট কাপল গোল।
শেষ ছবিটিতে মেহজাবীনকে দেখা যায় একটি ঘরের অন্দরমহলে সাদা সোফায় অত্যন্ত রিল্যাক্সড ও স্টাইলিশ ভঙ্গিমায় শুয়ে থাকতে। সামনে ট্রাইপডে সেট করা ফোন যা ইঙ্গিত দেয় ট্রাভেল ভ্লগিং কিংবা কোনো স্পেশাল ফটোশুটের নেপথ্য কাহিনীর।
সোফার কুশন আর পেছনের নরম আলো ট্রাভেল লাইফস্টাইলের এক অলস কিন্তু সুন্দর দুপুর বা বিকেলের কথাই মনে করিয়ে দেয়।

ফিচার ডেস্ক