ইফতার
আকাশ ছোঁয়া ক্যাফে দ্রুম
আজ বলব আকাশ ছোঁয়া ইফতারের গল্প। না ইফতারের পরিমাণের কথা বলছি না। বলছি ইফতার করার জায়গাটির কথা। র্যাংগস কেবি স্কয়ার ভবনের সবচেয়ে উঁচু তলা, এখানেই চলে ইফতারের মহা সমারোহ। চারপাশেই কাচের দেয়াল। ইফতারের সময় সন্ধ্যা নামে। আকাশে যেন সৃষ্টি হয় আলো-আধারের এক অদ্ভুত খেলা। সেই খেলার সাথে যোগ দেয় রেস্টুরেন্টে আলো-আঁধারি এক পরিবেশ। আশপাশে এত উঁচু ভবন না থাকায়, কাচের দেয়াল পেরিয়ে রেস্টুরেন্টটি যেন মিশে গেছে আকাশেরই সাথে। তাই বলাই যায় এ যেন আকাশে বসেই ইফতারের পূর্ণস্বাদ গ্রহণ করছেন।
একটু আয়েশ করে বসার জন্য চেয়ারের সাথে সমন্বয় করেছে কমলা রঙের কুশন। একটু পা ছড়িয়ে আড্ডা আর ঘরোয়া আমেজে বসে খাওয়ার জন্য রয়েছে যোগাসন। প্রকৃতির সাথে আপনাকে বেঁধে রাখতে, টেবিলের পাশেই পাবেন টবে রাখা ছোট ছোট গাছ। বাইরের বারান্দায় বসার জন্য চেয়ারের বদলে রাখা হয়েছে পাটের দড়ির মোড়া।
সাথে পুরো রমজানজুড়ে থাকছে ইফতারের ভিন্ন আয়োজন। সাতটি ইফতার প্যাকেজের মধ্যে বেছে নিতে পারেন আপনারটি। তিনটি লাইট আইটেম পাবেন ৩০০, ৩৫০ এবং ৪০০ টাকায়। এ ছাড়া আটটি আইটেমের সমন্বয়ে চাউমিন প্লাটার পাবেন ৩৫০ টাকায়, রাইস প্লাটার ৪৮০ টাকা, নান প্লাটার ৪৮০ টাকা এবং পাস্তা প্লাটার পাবেন ৫৫০ টাকায়।
ইফতারে আপনার রসনা মেটাতে থাকছে লেমোনেইড, চার ধরনের শেইক, তিন ধরনের ফলের জুস। এ ছাড়া থাকছে খাবারের পূর্ণতা দিতে কফি ও চার ধরনের চা। কীভাবে যাবেন এই রেস্তোরাঁয়। ঠিকানা কঠিন কোনো জায়গায় নয়- বনানীর ১১ নম্বর রোডে ১১৬ নম্বর বাড়ি। বি অ্যান্ড বি ইমপেরিয়াল ভবনের ছাদে, ফ্লোর-১২। আর যাঁরা বনানী যেতে চান না, তাঁদের জন্য নতুন আউটলেট খোলা হয়েছে ধানমণ্ডিতে। ধানমণ্ডির ৯/এ, সাত মসজিদ রোডেও খোলা হয়েছে নতুন ক্যাফে দ্রুম।

তৌহিদুল ইসলাম তুষার