‘স্পর্শীয়া এখনো লক্ষ্মীই আছে’
‘ছোটবেলায় স্পর্শীয়া অনেক শান্ত ছিল। কথা খুব কম বলত। ওকে নিয়ে যখন আমি শপিংমলে ঘুরতাম, তখন খেলনা কিংবা বই দেখে আমাকে ফিসফিস করে বলত, আম্মু, তোমার ব্যাগে কি টাকা আছে? আমি খেলনা কিনব। টাকা না থাকলে কিনব না।’ এভাবে স্পর্শীয়ার ছোটবেলার স্বভাবের কথা বললেন মা সুজান হক।
সুজান হক আরো যোগ করেন, ‘স্পর্শীয়ার নিজের আলাদা একটা জগৎ আছে, যেখানে ও থাকতে অনেক পছন্দ করে। বই পড়তেও খুব ভালোবাসে। আমি ওকে সব সময় ভালো লেখকদের বই কিনে দিতাম। এখনো বই পড়ার অভ্যাস ওর রয়েছে।’
অন্যদিকে স্পর্শীয়া মাকে নিয়ে বলেন, ‘মা হলো আমার পৃথিবী। মাকে আমি অনেক ভালোবাসি। হয়তো মা এটা বুঝতে পারে না। মাকে অনেক অনুভব করি। সব সময় তাঁকে হাসিখুশি রাখার চেষ্টা করি। আমি বুঝি সবকিছুতেই আমার মা আমাকেই চায়, আমিও মাকে চাই।’
মেয়েকে নিয়ে এখন সময় কাটে জানতে চাইলে সুজান হক বলেন, ‘এখন তো স্পর্শীয়া অনেক ব্যস্ত থাকে। শুটিংয়ের কারণে ওর সঙ্গে সকালে আর রাতে দেখা হয়। দেখা যায় ফোনেই ওর সঙ্গে বেশি আলাপ হচ্ছে। শুটিং লোকেশন থেকে ফোন দিয়ে ও আমার খোঁজ-খবর রাখে। আবার পরদিনের শুটিং কস্টিউম রেডি রাখার কথাও আমাকে জানিয়ে রাখে। আমিও সব রেডি করে রাখি। তবে ওর ধৈর্য আগের চেয়ে কমেছে। এটা সময়ের ব্যস্ততার কারণে। তবে ছোট্ট লক্ষ্মী স্পর্শীয়া এখনো লক্ষ্মীই আছে।’

নাইস নূর