Skip to main content
NTV Online

বিনোদন

বিনোদন
  • অ ফ A
  • ঢালিউড
  • বলিউড
  • হলিউড
  • টলিউড
  • মুখোমুখি
  • টিভি
  • সংগীত
  • নৃত্য
  • মঞ্চ
  • ওয়েব সিরিজ ও ফিল্ম
  • শোক
  • সংস্কৃতি
  • স্বীকৃতি
  • শুটিং স্পট
  • অন্যান্য
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • মত-দ্বিমত
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • জীবনধারা
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম ও জীবন
  • নির্বাচন
  • সহজ ইংরেজি
  • প্রিয় প্রবাসী
  • আইন-কানুন
  • চাকরি চাই
  • অটোমোবাইল
  • হাস্যরস
  • শিশু-কিশোর
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • English Version
  • এনটিভি বাজার
  • এনটিভি কানেক্ট
  • যোগাযোগ
  • English Version
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি অস্ট্রেলিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি কানেক্ট
  • ভিডিও
  • ছবি
  • এনটিভির অনুষ্ঠান
  • বিজ্ঞাপন
  • আর্কাইভ
  • কুইজ
  • বাংলাদেশ
  • বিশ্ব
  • খেলাধুলা
  • বিনোদন
  • অর্থনীতি
  • শিক্ষা
  • মত-দ্বিমত
  • শিল্প ও সাহিত্য
  • জীবনধারা
  • স্বাস্থ্য
  • বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি
  • ভ্রমণ
  • ধর্ম ও জীবন
  • নির্বাচন
  • সহজ ইংরেজি
  • প্রিয় প্রবাসী
  • আইন-কানুন
  • চাকরি চাই
  • অটোমোবাইল
  • হাস্যরস
  • শিশু-কিশোর
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • English Version
  • এনটিভি বাজার
  • এনটিভি কানেক্ট
  • যোগাযোগ
  • English Version
  • এনটিভি ইউরোপ
  • এনটিভি অস্ট্রেলিয়া
  • এনটিভি ইউএই
  • এনটিভি মালয়েশিয়া
  • এনটিভি কানেক্ট
  • ভিডিও
  • ছবি
  • এনটিভির অনুষ্ঠান
  • বিজ্ঞাপন
  • আর্কাইভ
  • কুইজ
Follow
  • বিনোদন
সামি আল মেহেদী
১৩:১৪, ১৮ মার্চ ২০১৬
সামি আল মেহেদী
১৩:১৪, ১৮ মার্চ ২০১৬
আপডেট: ১৩:১৪, ১৮ মার্চ ২০১৬
আরও খবর
৫ জুলাই তৃতীয় বিয়ে করছেন ৬১ বছর বয়সী আমির খান
৩০ বছর পর ফিরল দিওয়ানা: শাহরুখের প্রথম সিনেমার অজানা ৫ তথ্য
মাত্র ৩০ মিনিটে বিয়ে! অনিল-সুনীতার সেই সিক্রেট ফাঁস
‘ডন ৩’ বিতর্ক সমাধানে এবার সালমান
‘ডন’ এর সঙ্গে পাঙ্গা নিয়ে নিষিদ্ধ রণবীর সিং

হৃতিক-কঙ্গনা : নেপথ্যের যত কথা

‘২০১৪ সালে প্যারিসে বিয়ের প্রস্তাব দেন হৃতিক’

সামি আল মেহেদী
১৩:১৪, ১৮ মার্চ ২০১৬
সামি আল মেহেদী
১৩:১৪, ১৮ মার্চ ২০১৬
আপডেট: ১৩:১৪, ১৮ মার্চ ২০১৬
হৃতিক-কঙ্গনা, আড়ালে অজস্র ঘটনা। ছবি : সংগৃহীত

একটাই কথা বলেছিলেন কঙ্গনা, হৃতিক হচ্ছেন তাঁর ‘বোকাটে সাবেক প্রেমিকদের একজন’! আগুন লেগে গিয়েছিল সেই থেকেই। স্বীকার-অস্বীকার, পাল্টাপাল্টি উত্তপ্ত বাক্যবিনিময়। এমনকি সবশেষে আদালতে মানহানির মামলা, নোটিশে গিয়েও ঠেকেছে পুরো ঘটনা। এমনই সময় মুম্বাই মিররের বিস্তারিত খবরে প্রকাশ—যা রটেছে তা ভালোমতোই ঘটেছে! কঙ্গনার এক ঘনিষ্ঠ বন্ধু ফাঁস করে দিয়েছেন এই কাহিনীর সবিশেষ। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এই ঘনিষ্ঠজনের বিবরণে প্রকাশ হয়েছে নেপথ্যের কাহিনী। কীভাবে হৃতিক কঙ্গনাকে প্রেম নিবেদন করেছিলেন, কবে, কোথায়, তাঁদের প্রেম, ভাঙনের কারণ—সবই রয়েছে এই বিবরণীতে।

বেশ কিছুদিন আগে হৃতিক কঙ্গনাকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠান যাতে বলা হয় কঙ্গনা যেন হৃতিককে তাঁর ‘এক্স-বয়ফ্রেন্ড’ হিসেবে চিহ্নিত না করেন। এর উত্তরে হৃতিকের মেইল-সংক্রান্ত একটি বিষয় নিয়ে কথা বলার চ্যালেঞ্জ ছোড়েন। এ বিষয়ে কঙ্গনার অভিযোগ অবশ্য অস্বীকার করেছেন হৃতিক। কঙ্গনার ‘ঘনিষ্ঠ’ বন্ধু বিস্তারিত আলাপে প্রায় ‘সবকিছুই’ জানিয়েছেন ভারতীয় গণমাধ্যম মুম্বাই মিররকে।

বিয়ের প্রস্তাব

কঙ্গনাকে নাকি সুইজারল্যান্ড থেকে প্যারিস পর্যন্ত রীতিমতো ধাওয়া করেছিলেন হৃতিক। মাঝে লন্ডনে নিজের মা-বাবার সঙ্গে দেখা করে প্যারিসে গিয়ে কঙ্গনার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন হৃতিক। সঙ্গে ছিল বিয়ের আংটি! তিনি এভাবেই বলেছিলেন কঙ্গনাকে, ‘তোমার এ বিষয়টা নিয়ে একটু দ্বিধা থাকতে পারে। আমি কিন্তু আমাদের ভবিষ্যতের জীবন আর সুখ নিয়ে একটুও দ্বিধান্বিত নই, কারণ তুমি একমাত্র মানুষ যে আমাকে কখনো ঠিক বিচারবাছাই করে দেখোনি। আর আমি তোমাকে দেখার প্রথম দিন থেকেই তোমার সঙ্গে আমার একটা গভীর সংযোগ টের পেয়েছি।’

এই ঘটনার সময়কাল ২০১৪ সালের জানুয়ারি মাস। এর আগে ২০১৩-এর ডিসেম্বর মাসেই সুজানের সঙ্গে হৃতিকের বিচ্ছেদের বিষয়টি জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়। এর পরপরই এই বিয়ের প্রস্তাব দেন হৃতিক। দ্বিধান্বিত হলেও হৃতিকের প্রস্তাবে রাজি হয়েছিলেন কঙ্গনা। তারপরেই ঘটনা গড়াতে থাকে অন্যদিকে।

পরের মাসেই হৃতিক কঙ্গনাকে এড়িয়ে চলতে শুরু করেন, শুরু হয়ে যায় তাঁর ‘ব্যাং ব্যাং’ ছবির শুটিং। পুরো বছর ধরেই টানাপড়েনের মধ্য দিয়ে চলতে থাকে দুজনের সম্পর্ক, তবে তা একেবারে ভেস্তে যায়নি। বছরের একেবারে শেষে, ডিসেম্বর মাসে এসে আর শেষরক্ষা হয়নি। চুকেবুকে যায় দুজনের সম্পর্ক।

গল্পের শুরু কীভাবে?

কঙ্গনার ‘বন্ধু’ বলেন, “২০০৯ সালে যখন ‘কাইটস’ ছবির শুটিং চলছিল, তখন ওরা দুজনেই খুব চাপের মুখে। সে সময় তাদের মধ্যে বন্ধুত্বের সূত্রপাত। হৃতিকের বৈবাহিক জীবনে টানাপড়েন, আবার ‘কাইটস’ এর নায়িকা মেক্সিকান মডেল-অভিনেত্রী বারবারা মোরির সঙ্গে সম্পর্কটাও ঠিক কার্যকর হয়ে ওঠেনি হৃতিকের জন্য। কঙ্গনা নিজেও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ঝামেলায় ডুবে ছিল। সে সময়ই একজন আরেকজনের সাহচর্য আর আলাপের মধ্য দিয়ে ভালো বন্ধু হয়ে ওঠে।’

এই বন্ধুত্ব বেশ ‘সিরিয়াস’ হয়ে উঠতে থাকে ‘কৃষ-৩’ ছবির শুটিংয়ের সময় থেকে। ‘সে সময় কঙ্গনার ক্যারিয়ারের অবস্থা তেমন ভালো ছিল না। তাও সে হৃতিকের প্রস্তাবে রাজি হয়নি (ছবিতে অভিনয়ের)। কঙ্গনার প্রতি হৃতিকের মনোযোগ বেড়েই চলছিল, আর এটাতে কঙ্গনা খুবই অস্বস্তি বোধ করছিল।’ তবে কঙ্গনার এই ‘না’-তে দমে যাননি হৃতিক, লেগে থেকেছেন ছয় মাস! এরপর কঙ্গনা রাজি হয়ে যান হৃতিকের প্রস্তাবে।

‘এরপরই হৃতিক চেষ্টা করেন কঙ্গনার সাথে সম্পর্কে জড়াতে। কঙ্গনাকে জানান যে তিনি এবং তাঁর স্ত্রী আলাদা আলাদা বেডরুমে ঘুমান। মজার বিষয়, কঙ্গনা এই সম্পর্কের কথা নিয়ে তাও খোলামেলাভাবে বলত না। কারণ, হৃতিক ওকে আকারে-ইঙ্গিতে এও বলেছিলেন যে সুজানকে আর যাই হোক তিনি কখনো ডিভোর্স দেবেন না’—এমনটাই বলেন কঙ্গনার ‘বন্ধু’।

এরপর কঙ্গনা বুঝে যান, হৃতিকের সঙ্গে তাঁর এই সম্পর্ক সব সময়েই ‘গোপন’ রয়ে যাবে—এ সম্পর্কের ভবিষ্যৎ এটুকুই। ‘কৃষ ৩’-এর শুটিং শেষ করেই একলা একলা মিলানে পাড়ি জমান কঙ্গনা।

হৃতিকের পুনরায় চেষ্টা, অপচেষ্টা!

সে বছরের, অর্থাৎ ২০১৩ সালের ডিসেম্বরেই কঙ্গনাকে অবাক করে দিয়ে ফোন করেন হৃতিক। জানান, সুজানের সঙ্গে বৈবাহিক সম্পর্ক শেষ করতে যাচ্ছেন তিনি—অর্থাৎ, ডিভোর্স। সে সময় কঙ্গনা ছিলেন সুইজারল্যান্ডে, হৃতিক যুক্তরাষ্ট্রে। ‘ডিভোর্সের পর হৃতিক কঙ্গনাকে বিয়ে করতে চান, আর এ কথায় খুবই খুশি হয়েছিল কঙ্গনা। একই সাথে ওর মাথায় জমাট বাঁধে অনেক রকমের দ্বিধা। হৃতিক আসলেই সিরিয়াস কি না, এটা নিয়ে ও দ্বন্দ্বে পড়ে যায়’—বলেন কঙ্গনার বন্ধু। এ জন্যই হৃতিকের কথায় একবাক্যে রাজি হতে পারছিলেন না কঙ্গনা। এরপর কঙ্গনা প্যারিসে গেলে হৃতিক সেখানেও পৌঁছে যান, অনেকটা আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ের প্রস্তাব দেন কঙ্গনাকে। কঙ্গনা এতে রাজি হন বটে, তবে সে সময় থেকেই আসলে তাঁদের সম্পর্কে ভাঙনের শুরু।

“ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে ‘ব্যাং ব্যাং’ ছবির শুটিং শুরু হওয়ার পর থেকেই হৃতিক কঙ্গনার সাথে যোগাযোগ বন্ধ করে দেন। কঙ্গনা তখন নিউইয়র্কে ছুটি কাটাতে যান এবং সেখানেই গুজব শুনতে পান যে ক্যাটরিনার সাথে হৃতিকের বেশ দহরম-মহরম চলছে। ১৪ ফেব্রুয়ারি তিনি হৃতিককে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করেন এবং বলেন যে সততার সাথে এ বিষয়টি নিয়ে যেন তিনি কঙ্গনাকে জানান। হৃতিক তখন কঙ্গনাকে বলেন যে প্যারিসে তাঁদের এনগেজমেন্টের বিষয়ে কঙ্গনা কাউকে কিছু বলেছে কি না। কঙ্গনা জানায় যে ও নিজের পরিবারের সাথে এ বিষয়ে কথা বলেছে। হৃতিক তখন বলেন যে কঙ্গনা নাকি আসলে পুরো বিষয়টা ঠিকঠাক বুঝতে পারেনি”—বলেন কঙ্গনার ‘বন্ধু’।

তখনই কঙ্গনা বুঝতে পারেন যে তাঁর ‘হবু বর’ বিয়ের মণ্ডপে বসার আগেই পিঠটান দিয়েছে! তখন তিনি এই বিষয়টি থেকে একেবারেই সরে আসেন।

“তবে হৃতিক এখানেই কাহিনী শেষ করেননি। ‘কুইন’-এর জন্য ২০১৪-এর মার্চে কঙ্গনা জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার জেতে। তখন হৃতিক আবারও কঙ্গনাকে ফোন করেন এবং ক্ষমা চান। সেই সঙ্গে তিনি কঙ্গনার জীবনে ফিরে আসতে চান”—বলেন কঙ্গনার বন্ধু। তবে এবার আর ‘ভুল’ করেননি কঙ্গনা। জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার তাঁকে তখন অসম্ভব রকমের আত্মবিশ্বাসী করে তুলেছিল। তিনি হয়ে উঠছিলেন ‘সুপারস্টার’। হৃতিক সে সময়ে অনেকটাই অনিরাপদ বোধ করেন। ‘হৃতিক কঙ্গনার মুখোমুখি হন এবং ওকে জিজ্ঞাসা করেন যে তার এ বিষয়ে কোনো বলার আছে কি না। হৃতিককে কঙ্গনা এই বলে আশ্বস্ত করে যে এই সম্পর্কের বিষয়াষয় নিয়ে অনিরাপদ বোধ করার কিছু নেই। তবে এ কথায় হৃতিক আশ্বস্ত হতে পারেননি’—বলেন কঙ্গনার ‘বন্ধু’। তবে তাঁদের মধ্যে টুকটাক যোগাযোগ চলতে থাকে।

সংঘাত চলছে, চলবেই!

এই সম্পর্কের মোটামুটি চূড়ান্ত সংঘর্ষ হয় ২০১৪ সালের মে মাসে। নির্মাতা করন জোহরের একটি পার্টিতে দুজনের দেখা হয়। ‘এর মধ্যে সপ্তাহ দুয়েক তাঁদের মধ্যে কোনো কথা হয়নি। করন জোহরের পার্টিতে দেখা হলে হৃতিকের বাহুতে হাত রাখে কঙ্গনা। এতে হৃতিক খেপে যান এবং কঙ্গনাকে বলেন যে সে কীভাবে আসন্ন বুধবারে অন্য একজন অভিনেতার সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছে! এমনই অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটে সেখানে। কঙ্গনা ব্যাপারটা ঠিক ধরে উঠতে পারেনি। তার আড়ালে কি তাকে নিয়ে কোনো কানাঘুষো চলছে? কারা রয়েছে এর পেছনে? এমনকি হৃতিকই বা কীভাবে এই মিটিংয়ের বিষয়ে জানতে পারলেন, এটা নিয়েও সে এলিভেটরে বারবার প্রশ্ন করে চলছিল’—বলেন কঙ্গনার ‘বন্ধু’।

হ্যাকার হৃতিক?

“কঙ্গনা তখন বুঝতে পারে যে সেই নবীন অভিনেতাটি ওর সাথে মেইল অ্যাড্রেস শেয়ার করেছিলেন। হয়তো হৃতিক কঙ্গনার মেইল অ্যাকাউন্টে অনুপ্রবেশ করে তাদের সব খবরাখবর জানতে পেরেছিলেন। কঙ্গনার এই আশঙ্কা সত্যি হয়েছিল। কয়েকদিন বাদে যখন সেই তরুণ অভিনেতাকে কঙ্গনা এই বিষয়ে জানায়, সেই অভিনেতাটি আকাশ থেকে পড়েন। তিনি জানান যে এই দেখাসাক্ষাতের বিষয়ে তিনি কারো সাথেই গল্পগুজব করেননি’—অবশ্য সেই ‘নবীন অভিনেতা’র পরিচয় প্রকাশ করেননি কঙ্গনার ‘বন্ধু’।

‘কঙ্গনা তখন রঙ্গলিকে (রঙ্গলি রানাউত, কঙ্গনার বোন এবং ম্যানেজার) জানায় যে তার বেশ কয়েকটি মেইল একেবারেই পাওয়া যাচ্ছে না। কঙ্গনা জানতো যে হৃতিক প্রযুক্তিগত বিষয়ে খুবই দক্ষ এবং চটপটে। তখন কঙ্গনা রাকেশ রোশনকে (হৃতিক রোশনের বাবা) ফোন করে এবং জানায় যে, হৃতিক যদি সত্যিই এমনটা করে থাকেন তাহলে তিনি সাইবার ক্রাইমের অপরাধে ফেঁসে যেতে পারেন।’

‘এসব কথা শুনে রাকেশ রোশন বিচলিত হন এবং কঙ্গনাকে বলেন যে তিনি এ বিষয়ে হৃতিকের সঙ্গে কথা বলবেন। কঙ্গনা তখন নিজের মেইল অ্যাকাউন্টটিই ডিলিট করে দেয় এবং এই পুরো বিষয়টা থেকে এক্কেবারে সরে আসার সিদ্ধান্ত নেয়’—কঙ্গনার ‘বন্ধু’র এমনই ভাষ্য।

শেষ হয়েও হয় না শেষ!

তবে সিদ্ধান্ত নিলেও সফল হননি কঙ্গনা। কিছু সময়ের বাদে আবারও জুড়ে বসে দুজনের সম্পর্ক। “এবার কঙ্গনাই নিজের নতুন অ্যাকাউন্টের পাসওয়ার্ড হৃতিককে দিয়ে দেয়। তবে এতে কোনো বিশেষ উপকার আসলে হয়নি। ইন্ডাস্ট্রির সবাই মনে করতেন যে দুজনের মধ্যে গভীর প্রেম, অনেকে কঙ্গনাকে নিজেদের পরিসরে ‘ভাবী’ বলেও সম্বোধন করতেন”—বলেন কঙ্গনার বন্ধু। তবে সম্পর্ক একটু ঠিক হলেই হৃতিক চলে যেতেন আড়ালে। “কঙ্গনা খুবই আপসেট ছিল যে হৃতিক যখন কিনা যেকোনো বড়সড় ছবি মুক্তির আগে টু্‌ইট করে সবাইকে শুভকামনা জানাতেন, সেখানে ‘তনু ওয়েডস মনু রিটার্নস’ বা ‘কাট্টি বাট্টি’র আগে তিনি কিছু বলতেই যাননি। তিনি আবারও ফিরে গিয়েছিলেন তাঁর ‘গোপনতা রক্ষা’ কৌশলে।”

নাছোড় হৃতিক!

“শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি হৃতিক কঙ্গনার ওপর নজরদারি শুরু করেন। কঙ্গনা কোথায় কীভাবে চলাফেরা করছে, এসব জানার জন্য তিনি একজন লোককেও নিয়োগ করেছিলেন। কঙ্গনা কোথায় যাচ্ছে, কার সঙ্গে কথাবার্তা বলছে, কার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে—সবই খোঁজে রাখতেন হৃতিক।”

এতকিছুর পরেও কঙ্গনা হৃতিকের কাছ থেকে একেবারে সরে যেতে পারছিলেন না। কারণ, তিনি হৃতিকের সাথে আবেগে জড়িয়ে ছিলেন। “দুই বছরের সম্পর্ক ওদের”, বলেন কঙ্গনার ‘বন্ধু’। “এটা থেকে সরতে পারছিল না সহজে। সম্পর্কের অবস্থা কোনোভাবেই ভালো যাচ্ছিল না, ভবিষ্যৎও ছিল না। কঙ্গনা এমন কারো সাথে সময় পার করতে চেয়েছিল যার সাথে সে সহজে চলতে ফিরতে পারবে আর এমন গোপনীয়তা মানার ধার ধারতে হবে না। এটা কোনোভাবেই সম্ভব হচ্ছিল না বলে সে সম্পর্কটা শেষ করতে চেয়েছিল। কিন্তু হৃতিক ওকে কোনোভাবেই যেতে দিচ্ছিলেন না। তিনি পুরো বিষয়টাকে নোংরা করে তুলছিলেন’, কঙ্গনার ‘বন্ধু’ এভাবেই দোষারোপ করেছেন হৃতিককে।

তদ্দিনে কঙ্গনা-হৃতিকের কাহিনী নিয়ে ছড়িয়েছে দেদার গসিপ। “এমন গল্প ছড়িয়েছে যে ‘আশিকী ৩’-এর জন্য কঙ্গনাকে ছুড়ে ফেলেছেন হৃতিক, আবার কঙ্গনা নাকি হৃতিককে নিজের অশ্লীল ছবি পাঠিয়েছে, সাথে কুরুচিপূর্ণ মেসেজ পাঠিয়েছে”—বলেন কঙ্গনার ‘বন্ধু’।

সবশেষে তাঁর বক্তব্য, ‘কঙ্গনা এই সম্পর্ক থেকে সরে আসতে চেয়েছিল। অন্য কারো সঙ্গে হয়তো জীবন কাটানোর কথা ভাবছিল সে। হৃতিক হয়তো ভাবতে পারেন যে এসব লিগ্যাল নোটিশ পাঠিয়ে কঙ্গনাকে তিনি বিপর্যস্ত করে তুলবেন, সবার কাছে ক্ষমা চাওয়াবেন। কিন্তু কিসের জন্য ক্ষমা? কঙ্গনা কি কোনো অপরাধ করেছে?”

হৃতিকের নতুন বক্তব্য

এই বিশাল কাহিনীর পরিপ্রেক্ষিতে অবশ্য হালনাগাদ খবর, হৃতিক গতকাল মুখ খুলেছেন। তাঁর কথা এমনই যে তার নামে যে মেইল অ্যাকাউন্টটির কথা বলা হয়েছে, সেটি নাকি তাঁর নয়। এ জন্য ২০১৪ সালেই থানায় ডায়েরি করেছিলেন তিনি। আর সম্পর্কের বিষয়ে তিনি কখনোই কিছু বলেননি, কারণ তাঁকে কিছু বলতে বারণ করা ছিল। ‘দুই বছর ধরে আমি কিছু বলিনি, কারণ আমাকে বলতে বারণ করা হয়েছিল’—এভাবেই বলেন হৃতিক।

কঙ্গনা-হৃতিক নাটক কি এখানেই শেষ হবে, নাকি আরো অনেক কিছু হওয়ার বাকি?

সর্বাধিক পঠিত
  1. সন্ধ্যা ৭টায় মার্কেট বন্ধ হলেও চলবে সিনেমা হল
  2. রুবা মজুমদারের নতুন গান ‘মেঘে ঢাকা চাঁদ’
  3. পরী মণির প্রশ্ন? বরিশালের কোন মিষ্টি পছন্দ আপনার লালটা না সাদাটা?
  4. চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী ‘মধুভাত’ খেয়ে মুগ্ধ জয়া আহসান, সোশ্যাল মিডিয়ায় ঝড়
  5. এবার নরসিংদীতে ‘ইত্যাদি’, প্রচার ৫ জুন
  6. জ্বীন থেকে লোকজ হরর, একসঙ্গে ইউটিউবে মুক্তি পেল ১০ সিনেমা

Alhaj Mohammad Mosaddak Ali

Chairman

NTV Online, BSEC Building (Level-8), 102 Kazi Nazrul Islam Avenue, Karwan Bazar, Dhaka-1215 Telephone: +880255012281 up to 5, Fax: +880255012286 up to 7

Alhaj Mohammad Mosaddak Ali

Chairman

NTV Online, BSEC Building (Level-8), 102 Kazi Nazrul Islam Avenue, Karwan Bazar, Dhaka-1215 Telephone: +880255012281 up to 5, Fax: +880255012286 up to 7

Browse by Category

  • About NTV
  • Career
  • NTV Programmes
  • Advertisement
  • Web Mail
  • NTV FTP
  • Satellite Downlink
  • Europe Subscription
  • USA Subscription
  • Privacy Policy
  • Terms & Conditions
  • Contact
  • Archive
  • My Report

NTV Prime Android App

Find out more about our NTV: Latest Bangla News, Infotainment, Online & Live TV

Qries

Reproduction of any content, news or article published on this website is strictly prohibited. All rights reserved

x