কুড়িগ্রামে কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বেড়েছে সবজির দাম
কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে মাত্র এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। আকস্মিক এই দরবৃদ্ধিতে তীব্র অস্বস্তিতে পড়েছেন স্থানীয় নিম্ন ও সীমিত আয়ের মানুষ। ক্রেতাদের অভিযোগ, বাজার সিন্ডিকেটের কারণেই অসৎ উপায়ে দাম বাড়ানো হয়েছে। তবে বিক্রেতারা দাবি করছেন, মৌসুমি বৃষ্টিপাত ও স্থানীয় উৎপাদিত সবজি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হওয়ার কারণে স্থানীয় বাজারে দাম চড়া।
গতকাল মঙ্গলবার (২১ জুলাই) ভূরুঙ্গামারী হাটে সরেজমিনে দেখা যায়, বেগুন ও বরবটি ৬০ থেকে ৮০ টাকা, করলা ও ঢেঁড়স ৮০ টাকা, পটোল ও কাঁকরোল ৬০ টাকা, মুখিকচু, চিচিঙ্গা ও ঝিঙে ৫০ টাকা, লাউ প্রতি পিস ৫০ থেকে ৬০ টাকা এবং শাক প্রতি কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া আলু ২৫ টাকা, পেঁয়াজ ৪৫ থেকে ৫০ টাকা, টমেটো ১৫০ টাকা, গাজর ১৮০ টাকা এবং কাঁচা মরিচ প্রকারভেদে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হতে দেখা গেছে। সবজির পাশাপাশি মসুরের ডাল (চিকন) কেজিতে ২০ টাকা এবং মাসকলাইয়ের ডাল কেজিতে ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে।
সবজি ক্রেতা আব্দুর রাজ্জাক বলেন, গত সপ্তাহের তুলনায় এই সপ্তাহে প্রায় প্রতিটি সবজির দাম কেজিতে ২০ থেকে ৩০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। বাজারে সিন্ডিকেট থাকার কারণে দাম বেড়েছে।
মুদি দোকানি আব্দুস সাত্তার বলেন, মসুরের ডাল (চিকন) কেজি প্রতি ২০ টাকা ও মাসকলাইয়ের দাম কেজি প্রতি ১০ টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্যান্য ডালের দাম অপরিবর্তিত রয়েছে।
কয়েকজন সবজি বিক্রেতা বলেন, সবজির দাম বাড়ার প্রধান কারণ বৃষ্টিপাত। বৃষ্টিপাতে সবজি খেত নষ্ট হয়ে গেছে। এছাড়া স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত সবজি ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে যাওযার কারণে দাম বেড়েছে।

শামসুজ্জোহা সুজন, কুড়িগ্রাম (ভূরুঙ্গামারী)