সূর্যাস্তের আগে পৌঁছাতে না পারায় জাতীয় স্মৃতিসৌধে তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন
জাতীয় স্মৃতিসৌধে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন বিএনপির নেতৃবন্দ। সূর্যাস্তের আগে পৌঁছানো সম্ভব না হওয়ায় নিয়ম অনুযায়ী বিকেল ৫টা ৬ মিনিটের দিকে তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা জানানো হয়।
তারেক রহমানের পক্ষে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন বিএনপির স্থায়ী কমিটি সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ডক্টর আব্দুল মঈন খান, বিএনপির চেয়ারপারসন উপদেষ্টা কাউন্সিল সদস্য আমানউল্লাহ আমান, লুৎফুজ্জামান বাবর, ঢাকা জেলা বিএনপির সভাপতি খন্দকার আবু আশফাক, সাধারণ অ্যাডভোকেট নিপুণ রায় চৌধুরী, ডা. দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন, তমিজউদদীন, ইয়াসিন ফেরদৌস মুরাদ, আইয়ুব খান, মেজর জেনারেল (অব.) ফজলে এলাহী আকবর ও মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান।
গতকাল দেশে ফেরার পরদিন আজ বাবা বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা ও সাবেক প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের কবর জিয়ারত করেন দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আজ শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেল ৪টা ৪০ মিনিটের দিকে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে বাবার কবর জিয়ারত করেন। বাবার সমাধি থেকে সাভার জাতীয় স্মৃতিসৌধের উদ্দেশে রওনা হন তারেক রহমান।
এর আগে বেলা ২টা ৫২ মিনিটের দিকে গুলশানের বাসা থেকে রওনা দেন তিনি। দীর্ঘ দুই দশক পর বাবার কবর জিয়ারতে আসেন তারেক রহমান। এর আগে সর্বশেষ ২০০৬ সালের ১ সেপ্টেম্বর বিএনপি প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে বাবার কবর জিয়ারত করেন তিনি।
এদিকে আগামীকাল ইনকিলাব মঞ্চের প্রতিষ্ঠাতা শহীদ ওসমান হাদির কবর জিয়ারত করতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যাবেন তারেক রহমান। সেখান থেকে জুলাই আন্দোলনে আহতদের দেখতে যাবেন পঙ্গু হাসপাতালে।
উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে ওয়ান-ইলেভেনের সরকারের আমলে গ্রেপ্তার হন তারেক রহমান। এক বছর কারাভোগের পর ২০০৮ সালে মুক্তি পেয়ে ১১ই সেপ্টেম্বর চিকিৎসার জন্য স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান ও কন্যা জাইমা রহমানকে নিয়ে লন্ডন যান তিনি। এরপর স্বৈরাচার হাসিনা সরকারের রোষানলে পড়ে লন্ডনেই নির্বাসিত জীবন যাপন করে আসছিলেন বিএনপির এই দ্বিতীয় শীর্ষ নেতা। ১৭ বছরের লন্ডনের নির্বাসিত জীবন শেষে ২৫শে ডিসেম্বর দেশে ফিরেন তিনি।

নিজস্ব প্রতিবেদক