মালয়েশিয়ার পথে: স্মরণীয় শিক্ষা সফর
ভ্রমণ মানুষের জ্ঞানের পরিধিকে বিস্তৃত করে, আর সেই ভ্রমণ যদি হয় চমৎকার কোনো দেশে, তবে তা স্মৃতিতে অম্লান হয়ে থাকে। সম্প্রতি আমরা মালয়েশিয়ায় একটি সফরে গিয়েছিলাম। সফরটি সংক্ষিপ্ত হলেও আমাদের জন্য ছিল অত্যন্ত আনন্দদায়ক।
যাত্রার সূচনা আমাদের যাত্রা শুরু হয়েছিল খুব ভোরে। শেষ রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে সকাল ৫টার দিকে আমরা বাসা থেকে বিমানবন্দরের উদ্দেশে রওনা হই। রাস্তার ট্রাফিক কম থাকায় মাত্র ২০ মিনিটেই অর্থাৎ সকাল ৫টা ২০ মিনিটে আমরা বিমানবন্দরে পৌঁছে যাই।
বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর আমরা প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা (ইমিগ্রেশন ও অন্যান্য কাজ) সম্পন্ন করি। এরপর আমাদের হাতে কিছুটা সময় ছিল, যা আমরা ফ্লাইটের লাউঞ্জে কাটিয়েছি। অবশেষে সকাল ৮টা ১০ থেকে ৮টা ১৫ মিনিটের মধ্যে আমরা বিমানে আরোহণ করি এবং আল্লাহর অশেষ রহমতে সুন্দরভাবে মালয়েশিয়ায় অবতরণ করি।
দর্শনীয় স্থান পরিদর্শন মালয়েশিয়ায় পৌঁছানোর পর আমরা বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ এবং আকর্ষণীয় স্থান পরিদর্শন করি। আমাদের তালিকার শীর্ষে ছিল:
কেএলসিসি
কুয়ালালামপুরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত পেট্রোনাস টুইন টাওয়ারের বিশালতা আমাদের মুগ্ধ করেছে।
পুত্রজায়া ও মসজিদ
মালয়েশিয়ার প্রশাসনিক রাজধানী পুত্রজায়ার স্থাপত্যশৈলী এবং সেখানকার দৃষ্টিনন্দন কেন্দ্রীয় মসজিদটি ছিল দেখার মতো।
জেন্টিং হাইল্যান্ডস
পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এই পর্যটন কেন্দ্রটি ভ্রমণের ক্লান্তি দূর করে আমাদের মনে এক অন্যরকম প্রশান্তি এনে দিয়েছিল।
সবশেষে বলা যায়, এই সফরটি ছিল আমাদের জন্য এক দারুণ অভিজ্ঞতা। নতুন দেশ, তাদের সংস্কৃতি এবং আধুনিক স্থাপত্য সম্পর্কে জানার এই সুযোগটি আমরা পূর্ণমাত্রায় উপভোগ করেছি। এই সফরের প্রতিটি মুহূর্ত আমাদের স্মৃতিতে চিরকাল উজ্জ্বল হয়ে থাকবে।

এস. কে. তাওসিফ আহমেদ সূর্য