চলছে ক্রিকেটার-ক্রীড়া উপদেষ্টা বৈঠক
অপেক্ষা, উৎকন্ঠার প্রহর শেষ হতে চলল বলে। বিশ্বকাপ নিয়ে যে দোটানা, অনিশ্চিত পরিস্থিতি—তার অবসান হবে। আজ বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিশ্বকাপ স্কোয়াডে থাকা ক্রিকেটারদের সঙ্গে বৈঠকে বসেছেন যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ নজরুল। বৈঠকের পরই আসতে পারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।
কয়েকটি বিষয়ে আলোচনা হবে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র। ভারতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে না যাওয়ার সিদ্ধান্ত ঠিক কোন পরিস্থিতিতে নেওয়া হয়েছে, সরকারের পক্ষ থেকে সেটি জানানো হবে ক্রিকেটারদের। এরপরই আলোচনা হবে পরবর্তী পদক্ষেপ নিয়ে।
ক্রীড়া উপদেষ্টার কথা কি শুনবেন ক্রিকেটাররা—এমন কৌতূহলও জেগেছে। তবে, আসিফ নজরুল আজ যা-ই বলবেন, সেটি যে সরকারি সিদ্ধান্ত, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন দেখার বিষয় মূলত সেটিই, কোন পথে হাঁটতে চলেছে সরকার।
আইসিসি যেহেতু সময় বেঁধে দিয়েছে, বিসিবি এখন তাকিয়ে আছে সরকারের দিকে। গতকাল সন্ধ্যায় আইসিসির ভার্চুয়াল সভা শেষে বিসিবি সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুল জানান, সরকারের সঙ্গে কথা বলবেন তিনি। তবে সরকারকে চাপ দিতে চান না।
গতকাল বুধবার আইসিসির জরুরি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ভার্চুয়াল সেই সভায় উপস্থিত ছিলেন বিসিবি সভাপতি। বাংলাদেশ নিজ অবস্থানে অনড়। বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না। আইসিসিও স্পষ্ট করেছে তাদের অবস্থান। বাংলাদেশকে খেলতে হবে ভারতেই। অন্যথা, অংশ নেবে বিকল্প দল।
আইসিসির সভায় কী বলেছেন বুলবুল, সেটিই জানিয়েছেন ক্রিকবাজে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে। সেখানে আইসিসিকে নিজেদের অবস্থানের স্বপক্ষে যুক্তি দিয়েছেন বুলবুল। শ্রীলঙ্কায় কেন বাংলাদেশ খেলতে চায়, ভারত কেন নিরাপদ নয়, উঠে এসেছে সেসব।
বিসিবি সভাপতি বলেন, ‘ভোট শুরুর আগেই আমরা আইসিসি বোর্ডকে আমাদের সিদ্ধান্তের পক্ষে কারণগুলো বিশ্লেষণ করেছি। আমরা ভোটাভুটি চাইনি। আমি আইসিসির পক্ষ থেকে একটা মিরাকল আশা করছি। বিশ্বকাপে খেলতে কে না চায়?‘
বুলবুল যোগ করেন, আমরা তাদের (আইসিসি) বলেছিলাম আমাদের ম্যাচগুলো শ্রীলঙ্কায় স্থানান্তর করতে। আমরা আয়ারল্যান্ড বা জিম্বাবুয়ের সঙ্গে গ্রুপ বদলের কথাও বলেছি। এটি হতো সবচেয়ে সহজ উপায়। কিন্তু, শ্রীলঙ্কা জানিয়েছে তারা তাদের গ্রুপে নতুন দল চায় না।’

ক্রীড়া প্রতিবেদক