রংপুরকে হারিয়ে অবশেষে জয়ের দেখা পেল নোয়াখালী
বিপিএলে ছয় ম্যাচ খেলেও জয় অধরাই ছিল নোয়াখালী এক্সপ্রেসের। সপ্তম ম্যাচে এসেছে তাদের জয় খরা কাটানোর পথ কিছুটা সুগম করে দিয়েছিলেন ব্যর্থতার বৃত্তে আটকে থাকা দলটির ব্যাটাররা। রানে ফিরেছেন সৌম্য সরকার-হাবিবুর রহমান সোহানরা। এরপর দারুণ বোলিংয়ে বাকি কাজটা সাড়েন হাসান মাহমুদ-মোহাম্মদ নবীরা। এতে শক্তিশালী রংপুরকে হারিয়েছে ৬ রানের ব্যবধানে।
আজ শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করে ১৯.৫ ওভারে সবগুলো উইকেট হারিয়ে ১৪৮ রান সংগ্রহ করে নোয়াখালী। জবাব দিতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ৯ উইকেট হারিয়ে ১৩৯ রান তুলতে পারে রংপুর।
রান তাড়ায় নেমে দেখেশুনে শুরু করে রংপুর। তবে কিছুক্ষণ পরই দ্রুতই জোড়া উইকেট হারায় তারা। এক ওভারের ব্যবধানে ফিরে যান দুই ওপেনার লিটন দাস (১৩ বলে ১৫) আর ডেভিড মিলান (১০ বলে ৭)।
সেই ধাক্কা সামলে নিয়েছিলেন তাওহিদ হৃদয় আর ইফতেখার আহমেদ। দুজন মিলে গড়েছিলেন ৬৩ রানের জুটি। ৩১ বলে ৩৭ রান করা ইফতেখারকে ফিরিয়ে সেই জুটি ভাঙেন জাহির খান।
এরপর আর সমীকরণ মেলাতে পারেনি রংপুর। কিছুক্ষণের মধ্যে ফিরে যান একপ্রান্ত আগলে রাখা হৃদয়ও। ফেরার আগে তার ব্যাট থেকে আসে ২৮ বলে ২৯ রান।
ছয় নম্বরে নেমে ঝড়ের আভাস দিলেও দ্রুতই থেমে যায় সেটি। ১৬ বলে ২৪ রান করে ফেরেন হাসান মাহমুদের বলে। এতে শেষ হয় রংপুরের আশা।
নোয়াখালীর হয়ে সর্বোচ্চ ৪ উইকেট নেন হাসান। দুটি উইকেট যায় জাহির খানের ঝুলিতে। একটি করে উইকেট নেন মেহেদী হাসান রানা, বিলাল সামি, মোহাম্মদ নবী।
এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে ভালো শুরু করেছিলেন নোয়াখালীর দুই ওপেনার সৌম্য সরকার আর শাহামদ হোসাইন দিপু। শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক খেলার চেষ্টায় ৮ বলে ১৪ রান করে ফেরেন দিপু।
দিপু ফিরলেও সৌম্য, হাবিবুর রহমান সোহান, জাকের আলী আর মাহিদুল ইসলামরা মাঝারি ইনিংসে দলের পুঁজি দেড়শ ছুঁইছুঁই করেন। সৌম্য ২৭ বলে ৩১ সোহান ১৬ বলে ৩০, জাকের ৩৭ বলে ৩৮ আর মাহিদুল ২১ বলে ২৮ রানের ইনিংস খেলেন।
রংপুরের হয়ে সমান তিনটি করে উইকেট নেন মুস্তাফিজুর রহমান আর মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরী। দুটি উইকেট নেন খুশদিল শাহ। একটি করে উইকেট নেন সুফিয়ান মুকিম আর নাহিদ রানা।

স্পোর্টস ডেস্ক