চট্টগ্রামের বিপক্ষে সাদামাটা পুঁজি রাজশাহীর
রাজশাহী ওয়ারিয়র্সের দুই ওপেনার দুই অঙ্কের ঘর স্পর্ম করলেও পরের পাঁচ ব্যাটারই ফিরলেন এক অঙ্কের ঘরে থাকতেই। এর মধ্যে একজন ফিরলেন শূন্যরানে। এমন অবস্থায় ১০০ পার করাই কঠিন হয়ে পড়েছিল রাজশাহীর জন্য। কিন্তু শেষদিকে ব্যাটহাতে চট্টগ্রাম রয়্যালসের বোলারদের শাসন করলেন আবদুল গাফ্ফার সাকলাইন। তার ক্যামিওতে লড়াকু পুঁজি পেয়েছে রাজশাহী।
আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত সবগুলো উইকেট হারিয়ে ১৩৩ রান সংগ্রহ করেছে রাজশাহী।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দেখেশুনে শুরু করেন রাজশাহীর দুই ওপেনার। এরপরও পাওয়ার-প্লেতেই উইকেট হারায় তারা। পাওয়ার-প্লের শেষ ওভারে দলীয় ৩০ রানে বিদায় নেন শাহিবাজাদা ফারহান। ১৯ বলে ২১ রান আসে তার ব্যাট থেকে।
তিনে নেমে দায়িত্ব নেওয়ার চেষ্টায় ব্যর্থ হন অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্ত। দ্রুত তিন উইকেট তুলে নিয়ে রাজশাহীকে চেপে ধরে চট্টগ্রাম রয়্যালস। নবম ওভারে পরপর দুই বলে দুই উইকেট তুলে নেন শেখ মেহেদী। ওভারের তৃতীয় বলে বোল্ড করে ফেরান শান্তকে (১১ বলে ৮)। পরের বলে গোল্ডেন ডাক খাইয়ে ফেরান মুশফিকুর রহিমকে। ওভার তিনেক পরে আকবর আলীকে (১০ বলে ৩) ফেরান মুকিদুল ইসলাম মুগ্ধ।
বাকিদের যাওয়া-আসার ভিড়ে একপ্রান্ত আগলে রেখে দলের রানের চাকা সচল রাখছিলেন তানজিদ হাসান তামিম। কিন্তু হাফসেঞ্চুরির কাছে গিয়ে আউট হয়ে যান তিনিও। তার ব্যাট থেকে আসে ৩৭ বলে ৪১ রান।
এরপর রাজশাহীর স্বীকৃত দুই ব্যাটার ছিলেন কেবল জিমি নিশাম আর রায়ান বার্ল। গুরু দায়িত্ব ছিল তাদের দুজনের ওপর। কিন্তু হতাশ করে ফেরেন নিশাম। ৯ বলে ৬ রান করে মির্জা তাহির বেগের বলে উইকেটের পেছনে ক্যাচ দেন তিনি। পরের ওভারে ফিরে যান বার্লও (৮ বলে ৬)।
শেষ দিকে ব্যাটহাতে ঝড় তুলে লড়াকু পুঁজি এনে দেন আব্দুল গাফ্ফার সাকলাইন। ৩ ছক্কা আর ২ চারে ১৫ বলে ৩২ রান করেন তিনি। এতে ১৩৩ রানের পুঁজি পায় রাজশাহী।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রাজশাহী ওয়ারিয়র্স : ২০ ওভারে ১৩৩/১০ (শাহিবজাদা ২১, তামিম ৪১, শান্ত ৮, মুশফিক ০, আকবর ৩, নিশাম ৬, বার্ল ৩, সাকলাইন ৩২, রিপন ১০, বিনুরা ৩, মুরাদ ১*; শরিফুল ৪-০-১৬-১, মুকিদুল ২-০-২০-১, তানভীর ৩-০-২৩-১, মেহেদী ৪-০-২০-২, তাহির ৩-০-২৩-১, জামাল ৩-০-২৭-২, নাওয়াজ ১-০-৩-১)।

ক্রীড়া প্রতিবেদক