জয়-মেহেদীর ঝড়ে সিলেটকে বড় লক্ষ্য দিল চট্টগ্রাম
রেকর্ড গড়ার দ্বারপ্রান্তে ছিলেন অ্যাডাম রসিংটন। সেটি না পারলেও দলের রান বাড়িয়েছেন তিনি। ইংলিশ এই ব্যাটারের দায়িত্বশীল ব্যাটিংয়ের পর সিলেটের বোলারদের তুলোধুনো করেন মাহমুদুল হাসান জয় আর শেখ মেহেদী। তাদের ঝড়ে ২০০ ছুঁইছুঁই রানের পুঁজি দাঁড় করিয়েছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
আজ বুধবার (৭ জানুয়রি) সিলেট টাইটান্সের বিপক্ষে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৫ উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রান সংগ্রহ করেছে চট্টগ্রাম রয়্যালস।
আগের কয়েকটি ম্যাচের মতো এদিনও দারুণ ব্যাটিং প্রদর্শনী করলেন চট্টগ্রামের দুই ওপেনার মোহাম্মদ নাঈম আর অ্যাডাম রসিংটন। যদিও নাঈম বেশি সময় উইকেটে থাকতে পারলেন না। ১৫ বলে ১৮ রান করে তিনি ফিরলেও রসিংটন চালিয়ে গেছেন প্রদর্শনী।
রসিংটনের সঙ্গে সিলেটে চার-ছক্কার বৃষ্টি নামাতে যোগ দেন মাহমুদুল হাসান জয়। জয় এদিন ছিলেন আরও আগ্রাসী। ২০০ এর ওপরে স্ট্রাইকরেটে ব্যাটিং করেছেন তিনি। হাফসেঞ্চুরির কাছে যাওয়া জয়ের ঝড় থামান রুয়েল মিয়ার। ২১ বলে ৪৪ রান করে ফেরেন তিনি।
বিপিএলে প্রথম ব্যাটার হিসেবে টানা চার ম্যাচে হাফসেঞ্চুরির রেকর্ড গড়া থেকে এক কদম দূরে ছিলেন রসিংটন। কিন্তু সেই এক রানের আক্ষেপ নিয়ে ফিরতে হয়েছে তাকে। ৩৮ বলে ৪৯ রান করে আউট হন তিনি।
এরপর চট্টগ্রামের রান বাড়ানোর কাজটা করেন হাসান নাওয়াজ। তার সঙ্গী আসিফ আলী (৮ বলে ১৩ রান) ভালো শুরুর পর ফেরেন দ্রুতই। এরপর নাওয়াজও বেশি সময় উইকেটে টিকতে পারেননি। ২০ বলে ২৫ রান করে রুয়েল মিয়ার শিকার হন তিনি।
শেষ দিকে চট্টগ্রামের রানের চাকায় গতি বাড়ান অধিনায়ক শেখ মেহেদী। ঝড়ো ব্যাটিংয়ে চট্টগ্রামের রান দুইশর কাছে নিয়ে যান তিনি। শেষ পর্যন্ত ৪ চার আর এক ছক্কায় ১৩ বলে ৩৩ রানে অপরাজিত থাকেন মেহেদী আর আমের জামাল ৫ বলে ৬ রানে।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
চট্টগ্রাম রয়্যালস : ২০ ওভারে ১৯৮/৫ (নাইম ১৮, রসিংটন ৪৯, জয় ৪৪, নাওয়াজ ২৫, আসিফ ১৩, মেহেদী ৩৩*, জামাল ৬*; রুয়েল ৪-০-৪১-৩, খালেদ ৪-০-৫৫-০, মঈন ৪-০-২৩-১, নাসুম ৪-০-২৪-০, ওমরজাই ৪-০-৪৭-১)

স্পোর্টস ডেস্ক