ব্যাটিং ব্যর্থতায় কোনোমতে ১০০ ছাড়ানো পুঁজি সিলেটের
এ ম্যাচেও ব্যর্থতার বৃত্ত থেকে বের হতে পারলেন না সিলেট টাইটান্সের ব্যাটাররা। বিশেষ করে টপঅর্ডার আর মিডল অর্ডার ব্যর্থ হলো আরও একবার। এতে দ্রুতই গুটিয়ে যাওয়ার শঙ্কায় পড়া সিলেটকে কোনোমতে ১০০ ছাড়ানো পুঁজি এনে দিয়েছেন আজমতউল্লাহ ওমরজাই-পারভেজ হোসেন ইমনরা।
আজ রোববার (৪ জানুয়ারি) সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যটা করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে ১২৬ রান সংগ্রহ করেছে সিলেট।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে পাওয়ার-প্লের মধ্যেই ৬ উইকেট হারায় সিলেট। চট্টগ্রাম রয়্যালসের শেখ মেহেদী আর মির্জা তাহির বেগের স্পিনে পরাস্ত হয়ে ফেরেন সিলেটের প্রথম ছয় ব্যাটার।
ইনিংসের দ্বিতীয় ওভারে মেহেদী হাসান মিরাজের বিদায় দিয়ে শুরু হয় সেই ফেরার মিছিল। প্রমোশন নিয়ে ওপেনিংয়ে এসেও সফল হতে পারেননি তিনি। ফিরেছেন মোটে ৬ বলে ৫ রান করে। দ্রুতই ফিরে যান আবারও একাদশে সুযোগ পাওয়া হজরতউল্লাহ জাজাইও (৭ বলে ৪)।
এরপর পারভেজ হোসেন ইমন আর জাকির হাসান দায়িত্ব নেওয়ার চেষ্টা করেন। দুজনই ভালো শুরু পেয়েছিলেন কিন্তু একজনও ইনিংস বড় করতে পারেননি। ১৫ বলে ১৫ রান করে জাকির ফেরার পর উইকেটে দাঁড়াতেই পারেননি ইথান ব্রুকস (১ বলে ০) ও আফিফ হোসেন (৪ বলে ৪ রান)।
ইমন আর আজমতুল্লাহ ওমরজাই মিলে ষষ্ঠ উইকেটে ৪৩ রানের জুটি গড়ে দলের রান কিছুটা বাড়িয়ে নেন। ২২ বলে ১৭ রান করে ইমন ফিরলে ভাঙে সেই জুটি।
ওমরজাই এরপর রাহাতুল ফেরদৌসকে নিয়ে গড়েন ৩৪ রানের আরেকটি জুটি। ৪১ বলে ৪৪ রান করা ওমরজাই ফিরলে ভাঙে সেই জুটি। পরে নাসুমকে নিয়ে আরেকটু সময় চালিয়ে যান ফেরদৌস। তিনি অপরাজিত থাকেন ১৯ বলে ১৭ রানে। নাসুম ৬ বলে ১৩ রানে।
চট্টগ্রামের পক্ষে সর্বোচ্চ দুটি করে উইকেট শিকার করেন মেহেদী ও মির্জা তাহির। একটি করে উইকেট নেন শরিফুল ইসলাম, মুকিদুল ইসলাম ও আমের জামাল।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
সিলেট টাইটান্স : ২০ ওভারে ১২৬/৭ (মিরাজ ৫, জাজাই ৪, জাকির ১৫, ইমন ১৭, ইথান ০, আফিফ ৪, ওমরজাই ৪৪, রাহাতুল ১৭*, নাসুম ৭*; শরিফুল ৪-০-২৯-১, মুকিদুল ১.২-০-১১-১, মেহেদী ৪-০-১৮-২, মির্জা তাহির ২.৪-০-২৪-২, তানভীর ৪-০-১৭-০, জামাল ৪-০-১৭-১)

স্পোর্টস ডেস্ক