বেতন না পেয়ে বসুন্ধরা কিংস ছাড়লেন কিউবা মিচেল
সেই পুরোনো গল্পের মঞ্চায়ন করল বসুন্ধরা কিংস। এবার বলি হলেন কিউবা মিচেল। তারিক কাজীর পর তিনিও ছাড়লেন ক্লাব। কারণ অভিন্ন—‘বেতন বকেয়া।’ ৬ মাস না যেতেই ছিন্ন হলো ঢাকঢোল পিটিয়ে শুরু করা সম্পর্ক। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) বসুন্ধরা কিংস ছাড়ার ঘোষণা দেন কিউবা মিচেল।
ইংল্যান্ডের ক্লাব সান্ডারল্যান্ডের অনূর্ধ্ব-২০ দলে খেলেছেন কিউবা। অভিষিক্ত হয়েছেন বাংলাদেশ জাতীয় ফুটবল দলেও। সম্ভাবনাময় এই তরুণ ইউরোপিয়ান ফুটবল ছেড়ে যোগ দেন দেশের ঘরোয়া ফুটবলে। গত জুলাইয়ে তিন বছরের চুক্তি করেন বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে।
নিজের ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে কিউবা বলেন, ‘আজ আমি বসুন্ধরা কিংসের সঙ্গে আমার চুক্তি ছিন্ন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আমার এই সিদ্ধান্তের পেছনে প্রধান কারণ হলো বকেয়া বেতন। দীর্ঘদিন ধরে অমীমাংসিত থাকা এই সমস্যার মধ্য দিয়ে খেলা চালিয়ে যাওয়া আমার জন্য মানসিকভাবে এবং শারীরিকভাবে অত্যন্ত চ্যালেঞ্জিং ছিল।’
কিউবা যোগ করেন, ‘আমার পুরো সময়জুড়ে আমি সর্বোচ্চ পেশাদারত্ব বজায় রেখেছি। আমি কঠোর প্রশিক্ষণ নিয়েছি, প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছি এবং সর্বদা ক্লাবের সম্মানের প্রতি শ্রদ্ধাশীল ছিলাম। একজন ফুটবলার মাঠে শুধু তার পারফরম্যান্সই দেয় না, বরং তার শৃঙ্খলা ও বিশ্বাসও ঢেলে দেয়। বিনিময়ে, ক্লাবের পক্ষ থেকে অন্তত মৌলিক বাধ্যবাধকতাগুলো পূরণ করা অপরিহার্য।’
কিউবা তার পোস্টের শেষে লিখেছেন, ‘আমি আশা করি যারা একই পরিস্থিতির সম্মুখীন হচ্ছেন—বিশেষ করে যারা বকেয়া বেতন বা প্রতিশ্রুতি ভঙ্গের কারণে নীরবে কষ্ট পাচ্ছেন, তারা যেন নিজেদের অধিকারের পক্ষে কথা বলার সাহস পান। পেশাদার আচরণ এবং ন্যায্য পাওনা দাবি করার জন্য কোনো খেলোয়াড়েরই নিজেকে অসহায় বোধ করা উচিত নয়।’

স্পোর্টস ডেস্ক