ডিএসই : তিন খাতে লেনদেন ৪১ শতাংশ
গেল সপ্তাহে (৩ থেকে ৭ মে) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ব্যাংক খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার। এতে খাতটি লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে প্রকৌশল ও ওষুধ রসায়ন খাত। এই তিন খাতে সম্মিলিতভাবে লেনদেন হয়েছে ৪০ দশমিক ৯৩ শতাংশ।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে চার হাজার ১৫১ কোটি ২৩ লাখ ৩০ হাজার টাকা। এতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৮৩০ কোটি ২৪ লাখ ৭০ হাজার টাকা। পুঁজিবাজারে বর্তমানে ২১টি খাতে মোট ৪১৩টি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংক, প্রকৌশল ও ওষুধ রসায়ন এই তিন খাতের ১১২টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৬৯৭ কোটি ৯৪ লাখ ৫০ হাজার টাকা। বাকি ১৮টি খাতের ৩০১টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ৪৫৩ কোটি ২৮ লাখ ৮০ হাজার টাকা।
শীর্ষ অবস্থানে থাকা ব্যাংক খাতের ৩৬টি প্রতিষ্ঠানে মোট লেনদেন হয়েছে ৫৭৪ কোটি ৯২ লাখ ৫০ হাজার টাকা। এই খাতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১১৪ কোটি ৯৮ লাখ ৫০ হাজার টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক ৮৬ শতাংশ।
লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা প্রকৌশল খাতের ৪২টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৫৭০ কোটি ৯৯ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক ৭৬ শতাংশ। লেনদেনে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতের ৩৪টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৫৫০ কোটি তিন লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১৩ দশমিক ৩১ শতাংশ।
অন্যান্য খাতের মধ্যে বস্ত্র খাতে ১২ দশমিক ১২ শতাংশ, সাধরন বিমা খাতে ১০ দশমিক ৬৮ শতাংশ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে সাত দশমিক ১৪ শতাংশ, বিবিধ খাতে পাঁচ দশমিক ৪৬ শতাংশ, জ্বালানি ও শক্তি খাতে চার দশমিক শূন্য সাত শতাংশ, আইটি খাতে তিন দশমিক ২৯ শতাংশ, সিরামিক খাতে তিন দশমিক ২৩ শতাংশ, জীবন বিমা খাতে দুই দশমিক ৮১ শতাংশ, চামড়া খাতে এক দশমিক ৮৮ শতাংশ, পেপার ও প্রিন্টিং খাতে এক দশমিক ৮৩ শতাংশ, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে এক দশমিক ৪৮ শতাংশ এবং টেলিকম খাতে এক দশমিক ৩৫ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।
বাকি খাতগুলোর মধ্যে সেবা আবাসন খাতে এক দশমিক ২১ শতাংশ, নন-ব্যাংকিং আর্থিক খাতে শূন্য দশমিক ৯৫ শতাংশ, সিমেন্ট খাতে শূন্য দশমিক ৬২ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে শূন্য দশমিক ৬০ শতাংশ, পাট খাতে শূন্য দশমিক ২০ শতাংশ এবং করপোরেট বন্ড খাতে শূন্য দশমিক ১৪ শতাংশ লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক