সালমানের রায় নিয়ে টুইটারে হাসিঠাট্টা!
১৩ বছর ধরে চলতে থাকা মামলার ঝক্কি থেকে মুক্তি পেয়েছেন সালমান। সব অভিযোগ পেছনে ফেলে এখন মুক্ত তিনি। তারপরও সালমানের বিচার নিয়ে তো কিছু প্রশ্ন থেকে যাচ্ছেই। এদিকে, পুরো বিষয়টি নিয়ে যেমন উল্লাসের অন্ত নেই অনেকের, তেমনি কটূক্তিতেও কম যাচ্ছেন না অনেকে। টুইটারে সালমানের বিচার নিয়ে রীতিমতো কড়া হাসিঠাট্টায় মেতেছেন অনেকেই।
চালকের আসনে সালমান ছিলেন কি না, এ নিয়ে দ্বন্দ্বের যেন অন্ত নেই! ‘মাজলউইড’ নামের এক ব্যবহারকারী সেরা ঠাট্টাটি করেছেন এই দৃষ্টিকোণ থেকে, ‘২০০২ সালেই ভাইয়ের ড্রাইভারলেস গাড়ি ছিল... দেখে শেখো গুগল!’
সৌরভ পান্ডে টুইট করেছেন, ‘মানে হলো, সালমান খান বা তাঁর ড্রাইভার কেউই গাড়ি চালাচ্ছিলেন না। আমি জানতাম না যে ভারতে অটোপাইলটওয়ালা গাড়ি রয়েছে!’
অমিতাভ হলদিপুরের টুইট, ‘তার মানে, ড্রাইভারবিহীন গাড়ি ভারতে ২০০২ সালেই আবিষ্কার হয়ে গিয়েছিল? হায় গুগল!’
সুবোধ শ্রীবাস্তব টুইট করেছেন, ‘কেউই বুঝল না যে ২০০২ সালেই ভারত প্রথম ড্রাইভারবিহীন গাড়ি আবিষ্কার করে ফেলেছিল!’
বিবেক পরাঞ্জপি টুইট করেছেন, ‘গুগল ড্রাইভারলেস গাড়ি নিয়ে ভাববার আগেই এটা তো ভারতে আবিষ্কার হয়ে গিয়েছিল!’
এ কে এস পাইয়ের টুইট, ‘গাড়িটাই আসলে মাতাল ছিল!’
এ মাস্কেটিয়ার বলেছেন, ‘অবশেষে আমরা জানলাম। গাড়িটাই মাতাল ছিল!’
২০০২ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর সালমান তাঁর টয়োটা ল্যান্ডক্রুজার চাপিয়ে দেন বান্দ্রার ফুটপাতে ঘুমন্ত পাঁচজন মানুষের ওপর। ডাক্তারি পরীক্ষায় প্রমাণিত হয়, এ সময় ঘোরতর মদ্যপ ছিলেন বলিউডের এই সুপারস্টার। সালমান বারবারই দাবি করেন যে এ সময় তিনি গাড়ি চালাচ্ছিলেন না। কে আসলে তখন গাড়ি চালাচ্ছিলেন, এই বিষয়ে স্বচ্ছ কোনো সিদ্ধান্তে শেষ পর্যন্ত আসতে পারেননি আদালত!

সামি আল মেহেদী