মা শর্মিলা ঠাকুরই সোহার আইকন
বলিউড মানে রকমারি ফ্যাশনের বাহার। বলিউডি তারকাদের আভিজাত্য আর গ্ল্যামারকে উচ্চতায় পৌঁছে দিতে ফ্যাশনকে হাতিয়ার করতে ছাড়েন না বলিউডি সেলেবদের কেউই। সম্প্রতি কলকাতায় এসে সেই ফ্যাশন নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে বেশ খোলামেলা আড্ডা জমালেন নবাবতনয়া বলিউড অভিনেত্রী সোহা আলী খান। জানালেন নিজের ফ্যাশনের এ টু জেড নানা কথা। ফ্যাশন আর স্টাইলকে আলাদা আলাদাভাবেই নিজের সঙ্গে মানিয়ে নিয়েছেন তিনি।
ফ্যাশন ও স্টাইলকে একসঙ্গে কখনই গুলিয়ে ফেলতে রাজি নন সোহা। বললেন, ‘আমার কাছে ফ্যাশন মানে বর্তমানে যা চলছে সেটাই। অর্থাৎ ট্রেন্ডি, সিজনাল। কিন্ত স্টাইলটা হলো সম্পূর্ণ নিজের। নিজের ব্যক্তিত্বের ওপর নির্ভর করেই ফুটিয়ে তোলা উচিত নিজের স্টাইল, যা অন্য সবার থেকে অবশ্যই নিজেকে আলাদা করে রাখবে।’ সোহা মনে করেন, ফ্যাশনের সঙ্গে স্টাইলের সব সময় একটা সম্পর্ক রয়েছে। সব সময় ফ্যাশনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে স্টাইল করা উচিত। তবে ফ্যাশন যাই হোক না কেন, স্টাইলটা ততদূর পর্যন্ত হওয়া উচিত, যতটা নিজেকে স্বাচ্ছন্দ্য থাকা যায়। স্বাচ্ছন্দ্যে বিঘ্ন ঘটিয়ে স্টাইল করা উচিত নয়।
নিজের ফ্যাশন আর স্টাইল প্রসঙ্গে সোহা বললেন, ‘সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সবকিছুই বদলায়। তবে আমি বরাবরই ক্যাজুয়াল পোশাক পরতে ভীষণ ভালোবাসি। ট্রেন্ডি পোশাকও অবশ্য আমার ফেভারিট। আর স্টাইল বলতে গেলে সেই ষাটের দশকের নায়িকাদের হেয়ার স্টাইল আর চোখের মেকআপ আমার খুব প্রিয়।’
এখন বলিউডে স্টাইলিশ অভিনেত্রী যতই থাকুক না কেন, সোহার চোখে এখনো কিন্তু সবচেয়ে স্টাইলিশ নারী তাঁর মা শর্মিলা ঠাকুর। বললেন, ‘আমার মা আজও আমার কাছে স্টাইল আইকন। এখনো স্টাইলের ক্ষেত্রে আমি আমার মায়ের কাছ থেকেই সাজেশন নিয়ে চলি। নিজস্ব স্টাইল ঘরানায় আমি আমার মায়ের বিকল্প আর কাউকে ভাবতেই পারি না।’
আর পোশাক-আশাকের ক্ষেত্রে সোহা আলী খানের লং ড্রেস খুব পছন্দের। তবে পরিবেশ কিংবা পরিস্থিতির খাতিরে লং ড্রেস কিংবা জিন্স যাই পরুন না কেন, সোহার ওয়ারড্রোব কিন্তু শাড়ি ছাড়া ইনকমপ্লিট। সাফ সাফ বললেন, ‘শাড়ি পরতে আমার সব সময়ই ভালো লাগে। আর সেই শাড়ি কিন্তু হতেই হবে হ্যান্ডলুমের।’

মনোজ বসু, কলকাতা