সিরাজগঞ্জের ছেলে জাহিদ, কিশোরগঞ্জের মেয়ে মম
প্রতি বছর ঈদকে কেন্দ্র করে সাতদিনের অনুষ্ঠানমালার আয়োজন থাকে টেলিভিশন চ্যানেলগুলোতে। ঈদের দুমাস আগে থেকেই শুটিং শুরু হয়। দর্শক আগ্রহ নিয়ে অপেক্ষা করেন নাটকের জন্য। তবে আসছে পবিত্র ঈদুল ফিতরে নতুন নাটকের দেখা কমই মিলবে। কারণ, করোনার হানায় বন্ধ শুটিং। কঠিন সময় পার করছে বিশ্ব বিনোদন অঙ্গন।
তবে দেশে লকডাউন শুরুর আগেই সিরাজগঞ্জ থেকে ঈদের সাত পর্বের নাটকের শুটিং শেষ করে ফিরেছিলেন নাট্যনির্মাতা আদিবাসী মিজান। পরিচালনার পাশাপাশি নাটকটি রচনাও করেছেন তিনি। ‘সিরাজগঞ্জের ছেলে ও কিশোরগঞ্জের মেয়ে’ শিরোনামের এই নাটকের মূল চরিত্রে অভিনয় করেছেন জাহিদ হাসান ও জাকিয়া বারী মম।
এ বিষয়ে মিজান বলেন, ‘আমরা সিরাজগঞ্জে টানা ছয় দিন নাটকের শুটিং করেছি। সেখান থেকে ঢাকায় ফিরে একদিন বিশ্রাম নিয়েছি। ঠিক তার পরের দিন থেকেই দেশে লকডাউন শুরু হয়েছে।। আমরা নাটকটি এডিটিং করতে পারিনি। ঈদের জন্য এই নাটকটি শুট করেছিলাম। গতকাল (বুধবার) নাটকের এডিটিং শেষ করেছি। আসন্ন ঈদে নাটকটি কোনো এক টিভি চ্যানেলে প্রচার করা হবে।’
নাটকের গল্প প্রসঙ্গে মিজান বলেন, ‘নবাব সিরাজগঞ্জের ছেলে। অনেক আগেই তাঁর বিয়ের বয়স পার হয়ে গেছে। তবে যত বার বিয়ে ঠিক হয়েছে, তত বারই অজানা কারণে ভেঙে গেছে। কিন্তু নবাব সিরাজগঞ্জের মানুষ হিসেবে খুব অহংকার ও গর্ব করে। যদিও নিঃসংকোচে তার সিরাজগঞ্জের দোষগুলো স্বীকার করে নেয়। সে সব সময় বলে, আমরা সিরাজগঞ্জের মানুষের ঘাড়ের রগ ত্যাড়া এবং তারা কারণ ছাড়াই ঝগড়া করতে পারে। নবাবের বিয়ের জন্য ফের নতুন একটা সম্বন্ধ আসে কিশোরগঞ্জ থেকে। বিয়ে ভেঙে যাওয়ার ভয়ে এবার নবাব ও তাঁর মামা মেয়ে দেখতে যায়। মেয়ে দেখতে গিয়ে নবাব খুব উত্তেজিত হয়ে ভুলে মেয়ের মাকে দেখে পছন্দ করে ফেলে। মামাকে জানায়, তার মেয়ে পছন্দ হয়েছে। কিন্তু পরক্ষণেই জানতে পারে তিনি মেয়ের মা। এই নিয়ে মা ও মেয়ের মধ্যে ঝামেলা বাঁধে। তর্ক-বিতর্কের এক পর্যায়ে সিরাজগঞ্জের ছেলের সঙ্গে কিশোরগঞ্জের মেয়ের নানান বিষয় নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা, এমনকি ঝগড়াও বাধে। পরে নাটকটি মোড় নেয় অন্যদিকে। এভাবেই নাটকের গল্প এগিয়ে যাবে। আশা করি, দর্শক আনন্দ পাবেন।’
ক্রাউন এন্টারটেইনমেন্ট প্রযোজিত এই নাটকে জাহিদ হাসান, জাকিয়া বারী মম ছাড়াও অভিনয় করেছেন শামীমা নাজনীন, তারেক স্বপন, লিজা খানম প্রমুখ।

বিনোদন প্রতিবেদক