ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে পৃথক দুর্ঘটনায় ২ মোটরসাইকেল চালক নিহত
ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার দক্ষিণ বিজয়পুর ও কটকস্থল এলাকায় পৃথক দুই সড়ক দুর্ঘটনায় দুজন মোটরসাইকেল চালক নিহত এবং একজন আরোহী গুরুতর আহত হয়েছেন।
আজ শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে দক্ষিণ বিজয়পুর শারমিন ক্লিনিকের সামনে প্রথম দুর্ঘটনাটি ঘটে।
এসময় যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মোটরসাইকেল চালক আরাফাত রহমান বাবু (৩২) নিহত হন। তিনি আশোকাঠী গ্রামের বাসিন্দা ও বর্তমানে মাহিলাড়া এলাকায় বসবাসরত অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক মো. হানিফ আকনের পালিত পুত্র। এ ঘটনায় তার সঙ্গে থাকা আসাদুল ইসলাম (৩১) নামে অপর এক আরোহী গুরুতর আহত হন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঢাকা থেকে কুয়াকাটাগামী একটি বাস স্পিডব্রেকার অতিক্রম করার সময় বিপরীত দিক থেকে আসা দ্রুতগতির মোটরসাইকেলের সঙ্গে মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। স্থানীয়রা আহত দুজনকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে চিকিৎসক বাবুকে মৃত ঘোষণা করেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় আহত আসাদুলকে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়।
অন্যদিকে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে একই মহাসড়কের গৌরনদীর কটকস্থল এলাকায় অপর এক সড়ক দুর্ঘটনায় মেহেদী হাসান তুরাগ (৩২) নামের এক যুবকের মৃত্যু হয়েছে। তিনি বাবুগঞ্জ উপজেলার রহমতপুর ইউনিয়নের রাজকর এলাকার মৃত আব্দুল গনি হাওলাদারের ছেলে এবং বাবুগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সভাপতি মোস্তফা কামাল চিশতির ছোট ভাই। স্বজনরা জানান, ঢাকা থেকে চার বন্ধু দুটি মোটরসাইকেলে বাবুগঞ্জের উদ্দেশ্যে রওনা হয়ে কটকস্থল এলাকায় পৌঁছালে তুরাগের মোটরসাইকেলটি সড়কের মাঝখানে থাকা খাদে পড়ে নিয়ন্ত্রণ হারায় এবং বিপরীত দিক থেকে আসা একটি বেপরোয়া ট্রাকের সঙ্গে ধাক্কা লেগে তিনি নিহত হন।
ঘটনা দুটির সত্যতা নিশ্চিত করে গৌরনদী হাইওয়ে থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শরিফুল ইসলাম জানান, শুক্রবারের দুর্ঘটনায় জড়িত দুটি যান আটক করা হয়েছে। তবে রাতের দুর্ঘটনায় ঘাতক ট্রাকটি পালিয়ে যাওয়ায় তা শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। উভয় ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।

আকতার ফারুক শাহিন, বরিশাল