পুলিশ সদস্যকে পিটিয়ে হত্যায় আরও ৩ আসামি রিমান্ডে
ঢাকার আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার এসআই আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার তিন আসামিকে তিন দিন রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া দুইজনকে কারাগারেও পাঠানো হয়েছে। আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না এই আদেশ দেন।
এর আগে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে তিনজনের ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সাভার মডেল থানার আমিনবাজার পুলিশ ক্যাম্পের এসআই মো. জাকির আল আহসান। এছাড়া দুইজনকে কারাগারে পাঠানোর আবেদন করা হয়।
রিমান্ডে যাওয়া তিন আসামি হলেন—রাকিব মিয়া, ছাব্বির আহম্মেদ ও ওয়াসিম। আর কারাগারে পাঠানো দুই আসামি হলেন—কাশেম আলী ও দদি আল ফায়েত জিত।
জিআরও বলেন, গত ৮ সেপ্টেম্বর মো. আলাউদ্দিন (২৯), মো. আপন (২৬), মো. জিহাদ (২৩), ইমরান হোসেন (২৫), নূর মোহাম্মদ রুদ্র (২৪) ও মো. গোলাম রাব্বিকে (২২) পাঁচ দিন এবং বিল্লাল (৩৪) ও দেলোয়ারকে (৩৩) তিন দিনের রিমান্ডে পাঠান আদালত। এ ছাড়া গত ৭ সেপ্টেম্বর এই মামলার প্রধান আসামি জহুরুলকে (৩২) পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়।
মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ৫ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা দিকে সাভারের বরদেবী পশ্চিমপাড়ায় আবুল কালাম আজাদের আটোগ্যারেজের সামনে এক ব্যক্তির অটো রাখাকে কেন্দ্র করে তর্কবিতর্ক হয়। থামাতে গিয়ে আসামিদের তোপের মুখে পড়েন পুলিশ সদস্য মো. আলতাব হোসেন।
অভিযোগে আরও বলা হয়, আসামিরা আলতাফ হোসেনকে রড, পাইপ, হাতুড়ি ও লাঠি দিয়ে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে গুরুতর জখম করে। তাকে বাঁচাতে এলে তার ছেলে আরিফুল ইসলামকেও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করা হয়। এ ছাড়া তারা প্রতিষ্ঠানে ভাঙচুর চালিয়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি এবং ক্যাশবক্স থেকে ২ লাখ ২০ হাজার টাকা চুরি করে। পরে আহতদের উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক আলতাফকে মৃত ঘোষণা করেন এবং তার ছেলেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ভর্তি করা হয়।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী শিউলী পারভীন বাদী হয়ে সাভার থানায় হত্যা মামলাটি দায়ের করেন। মামলায় ১৫ জনকে এজাহারভুক্ত আসামি করা হয়েছে।

আদালত প্রতিবেদক