সৌদির তিন শহরে হুথিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা
ইয়েমেনের হুতি বিদ্রোহীদের চালানো ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় সৌদি আরবের তিনটি শহরে অন্তত ১৩ জন বেসামরিক নাগরিক আহত হয়েছেন। একই সঙ্গে কয়েকটি ঘরবাড়ি ও যানবাহন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছে সৌদি নেতৃত্বাধীন সামরিক জোট।
আজ মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) বার্তা সংস্থা আনাদুলুতে প্রকাশিত প্রতিবেদনে এই তথ্য জানা গেছে।
সৌদি জোটের মুখপাত্র তুর্কি আল-মালকি জানান, গতকাল সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের খামিস মুশাইত, আবহা এবং তায়েফ শহরকে লক্ষ্য করে এই হামলা চালায় হুতিরা। এতে সাধারণ মানুষের ঘরবাড়ি ও যানবাহনের ক্ষতি হয় এবং ১৩ জন সামান্য থেকে মাঝারি ধরনের আহত হন। আল-মালকি হুথিদের বিরুদ্ধে ইচ্ছাকৃতভাবে বেসামরিক নাগরিকদের লক্ষ্যবস্তু করার অভিযোগ তোলেন। একই সঙ্গে এই হামলার কড়া জবাবের হুঁশিয়ারি দেন।
এদিকে আজ ভোরে সৌদি আরবের সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর জেদ্দা, ইয়ানবু, তায়েফ, আবহা, জাজান ও আলউলা— এই ছয়টি শহরে ‘সম্ভাব্য বিপদের’ সতর্কতা জারি করে। তবে পরবর্তীতে বিপজ্জনক পরিস্থিতি কেটে গেছে জানিয়ে জরুরি সতর্কতা তুলে নেওয়া হয়। সাধারণ মানুষকে নিরাপদে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়।
এর আগে হুতি সামরিক বাহিনীর মুখপাত্র ইয়াহিয়া সারিয়া জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় ইয়েমেনের পাঁচটি প্রদেশে এফ-১৫ ও টাইফুন যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে অন্তত ৫৪টি বিমান হামলা চালিয়েছে সৌদি নেতৃত্বাধীন জোট। এই হামলার জবাব দেওয়া হবে বলে তিনি কড়া সতর্কবার্তা দেন। পাশাপাশি খামিস মুশাইতের কিং খালিদ বিমানঘাঁটিতে বড় ধরনের ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানোর দাবি করে হুতিরা।
উল্লেখ্য, দীর্ঘদিনের সাময়িক শান্ত পরিস্থিতি কাটিয়ে গত জুলাইয়ের শুরু থেকে ইয়েমেন সরকার ও হুতি বিদ্রোহীদের সংঘাত মারাত্মক রূপ ধারণ করেছে। ২০১৪ সালে হুতিরা সানা দখল করার পর থেকেই অঞ্চলটি রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে লিপ্ত রয়েছে।

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক