হাফটাইমে গোলশূন্য বাংলাদেশ-মিয়ানমার, আক্রমণে এগিয়ে মিয়ানমার
প্রথম দুই ম্যাচে ১৬ গোল হজম করেছিল বাংলাদেশ। তাই গ্রুপ পর্বের শেষ ম্যাচে মিয়ানমারের বিপক্ষে ঘুরে দাঁড়ানোর লক্ষ্য ছিল কোচ পিটার বাটলারের দলের। একই অবস্থা মিয়ানমারেরও। তাই দুই দলের লড়াইয়ে শুরু থেকেই ছিল বাড়তি উত্তেজনা। তবে প্রথম ৪৫ মিনিটে সেই উত্তেজনা গোলে রূপ নেয়নি। হাফটাইমে গোলশূন্য বাংলাদেশ-মিয়ানমার।
আজ সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) এশিয়ান গেমসে ‘এফ’ গ্রুপের ম্যাচে প্রথমার্ধ শেষে মিয়ানমারের সঙ্গে ০-০ গোলে সমতায় রয়েছে বাংলাদেশ। আগের দুই ম্যাচে উত্তর কোরিয়ার কাছে ১০-০ এবং দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৬-০ গোলে হারা বাংলাদেশ এবার মিয়ানমারের বিপক্ষে নিজেদের প্রথম গোলের সন্ধানে রয়েছে। মিয়ানমারও প্রথম দুই ম্যাচে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছে ৫-০ এবং উত্তর কোরিয়ার কাছে ৮-০ গোলে হেরেছে।
প্রথমার্ধে আক্রমণের দিক থেকে কিছুটা এগিয়ে ছিল মিয়ানমার। তারা মোট ৪টি শট নিয়েছে, যার ২টি ছিল লক্ষ্যে। বাংলাদেশের শট ছিল ১টি, সেটিও লক্ষ্যে পৌঁছায়নি। অর্থাৎ মিয়ানমার বাংলাদেশের গোলমুখে তুলনামূলক বেশি চাপ তৈরি করতে পেরেছে। তবে বাংলাদেশের গোলরক্ষক রুপনা চাকমা ও রক্ষণভাগের শিউলি আজিম, শামসুন্নাহার সিনিয়রদের দৃঢ়তায় এখনো গোলের দেখা পায়নি মিয়ানমার।
বাংলাদেশের আক্রমণে ঋতুপর্ণা চাকমা, মনিকা চাকমা ও তহুরা খাতুনকে সামনে রেখে সুযোগ তৈরির চেষ্টা ছিল। অন্যদিকে, মিয়ানমারের আক্রমণে উইন থেইঙ্গি তুনকে ঘিরে ছিল তাদের অন্যতম প্রধান হুমকি। মিয়ানমার দুই প্রান্ত ব্যবহার করে বাংলাদেশের রক্ষণে জায়গা তৈরির চেষ্টা করেছে, আর বাংলাদেশ সুযোগ পেলেই দ্রুত বল সামনে নেওয়ার চেষ্টা করেছে।
ম্যাচের ২৭ মিনিটে দুর্দান্ত শটে বল জালে পাঠানোর চেষ্টা করলেও তা আটকে দেন বাংলাদেশের গোল রক্ষক রুপনা চাকমা।
গোলের সুযোগ তৈরিতে মিয়ানমার এগিয়ে থাকলেও স্কোরবোর্ডে কোনো দলই এগিয়ে যেতে পারেনি। বাংলাদেশের জন্য ইতিবাচক দিক হলো, মিয়ানমারের ৪টি শটের মধ্যে ২টি লক্ষ্যে থাকলেও কোনোটিই গোলে পরিণত হয়নি। দ্বিতীয়ার্ধে বাংলাদেশকে আরও আক্রমণাত্মক হতে হবে এবং মিয়ানমারের আক্রমণ ঠেকিয়ে নিজেদের সুযোগ কাজে লাগাতে হবে।

স্পোর্টস ডেস্ক