ঋতুপর্ণাকে নিয়ে সতর্ক উত্তর কোরিয়ার কোচ
বাংলাদেশের চেয়ে যোজন যোজন এগিয়ে চীন নারী ফুটবল দল। নারী এশিয়ান কাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সেই চীনের রক্ষণেও কাঁপন ধরিয়েছে বাংলাদেশ। গোলও প্রায় আদায় করে ফেলেছিল। এর পেছনে অবদান ঋতুপর্ণা চাকমার। তার সেই দৃষ্টিনন্দন শট চোখে লেগেছে সবার।
বাংলাদেশ নিজেদের দ্বিতীয় ম্যাচ খেলবে উত্তর কোরিয়ার বিপক্ষে। ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে আরও এগিয়ে তারা। ঋতুপর্ণার সেই শট চোখ এড়ায়নি উত্তর কোরিয়ার কোচ রি সং হোর। আজ বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) ম্যাচের আগের দিন সংবাদ সম্মেলনে এসে ঋতুপর্ণাকে প্রশংসায় ভাসিয়ে তাকে নিয়ে সতর্ক থাকার কথা জানালেন তিনি।
রি সং হো বলেন, ‘মূলত আমি তাদের আক্রমণভাগের তিনজন খেলোয়াড়কে বিপজ্জনক মনে করি। এর মধ্যে বিশেষ করে ১৭ নম্বর জার্সিধারী খেলোয়াড়কে (ঋতুপর্ণা চাকমা) নিয়ে আমি সতর্ক, যে বাম প্রান্ত দিয়ে খুব দ্রুত আক্রমণ করতে পারেন।’
ঋতুপর্ণা-মারিয়া-মনিকারা পাহাড়ি অঞ্চল থেকে ওঠে আসা। ফলে অন্যদের তুলনায় তারা কিছুটা দ্রুতগতি সম্পন্ন। যেটা আলাদা করে ভাবাচ্ছে উত্তর কোরিয়ার কোচকে।
রি সং হো বলেন, ‘আমি আগেই বলেছি, তাদের আক্রমণভাগের খেলোয়াড়দের গতি অনেক বেশি। আক্রমণ ও রক্ষণ—উভয় ক্ষেত্রেই তাদের গতি আমাদের ভাবিয়ে তুলছে। তাই আগামীকালের ম্যাচে এই খেলোয়াড়দের রুখতে আমাদের রক্ষণভাগকে আরও বেশি মনোযোগী হতে হবে।’
প্রথম ম্যাচে পুরো বাংলাদেশ দলই দারুণ লড়াই করেছে। আক্রমণভাগের সঙ্গে রক্ষণেও ভালো করেছেন সবাই। আফঈদা খন্দকার, শিউলি আজিম, কোহাতি কিসকু, শামসুন্নাহার সিনিয়ররা ছিলেন সতর্ক। যার ফলেই চীনের ব্যবধান ছিল মাত্র ২-০ গোলের।
চীনের বিপক্ষে বাংলাদেশের ম্যাচ দেখেছেন রি সং হো। সেই ম্যাচ দেখে তার মনে হয়েছে বাংলাদেশ দল তার ভাবনার চেয়েও বেশি শক্তিশালী। যে কারণে তার দলের ফুটবলারদের, বিশেষ করে ডিফেন্ডারদের বেশি মনোযোগী হওয়ার তাগিদ দিয়েছেন।
রি সং হো বলেন, ‘এখানে এসে চীন বনাম বাংলাদেশ ম্যাচটি দেখেছি। আমার মনে হয়েছে, বাংলাদেশ দল আমি যতটা ভেবেছিলাম তার চেয়ে অনেক বেশি শক্তিশালী। উদাহরণ দিতে গেলে, তাদের আক্রমণভাগ অনেক দ্রুত এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে যাওয়ার গতি ও দক্ষতা বেশ তীক্ষ্ণ। তারা বেশ দ্রুতগতির দল।’

স্পোর্টস ডেস্ক