এলিমিনেটর ম্যাচে রংপুরকে অল্পতে আটকাল সিলেট
গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে এসে আবারও ব্যাটিং ব্যর্থতা রংপুর রাইডার্স শিবিরে। কী পেস আর কী স্পিন– সিলেট টাইটান্সের কোনো বোলারকেই মোকাবিলা করতে পারলেন না তাওহিদ হৃদয়-কাইল মায়ার্সরা। ব্যাটিং ধ্বসে পড়া দলকে কোনোমতে টেনে তুলেছেন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর খুশদিল শাহ। এতে কোনোমতে ১০০ ছাড়ানো পুঁজি পেয়েছে রংপুর।
আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) মিরপুর শেরেবাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৯ উইকেট হারিয়ে ১১১ রান সংগ্রহ করেছে রংপুর।
টস হেরে ব্যাট করতে নেমে শুরুতেই ব্যাটিং ধ্বসে পড়ে রংপুর রাইডার্স। দলীয় রান ৩০ পেরোনোর আগেই হারায় ৪ উইকেট। দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ– টানা তিন ওভারে ৩ উইকেট হারায় রংপুর। ফিরে যান দুই ওপেনার তাওহিদ হৃদয় (৬ বলে ৪), ডেভিড মালান (৯ বলে ৪) আর তিন নম্বরে নামা লিটন দাস (৪ বলে ১)। পাওয়ার-প্লের পরের ওভারে ফিরে যান কেইল মায়ার্সও। তার ব্যাট থেকে আসে ১৩ বলে ৮ রান।
ধ্বংসস্তুপের ওপর দাঁড়িয়ে প্রতিরোধ গড়েন মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ আর খুশদিল শাহ। চতুর্থ উইকেটে গড়েন ৩৪ রানের জুটি। খুশদিলকে ফিরিয়ে রংপুরের আশা জাগানিয়া এই জুটি ভাঙেন নাসুম আহমেদ। দ্রুত গতিতে রান তুললেও ইনিংস বড় করতে পারেননি খুশদিল। ফিরেছেন ১৯ বলে ৩০ রান করে।
এরপর সোহানকে নিয়ে আরেকটি ৩০ ছাড়ানো জুটি গড়েন মাহমুদউল্লাহ। তবে এই জুটিও বড় করতে পারেননি তারা। মাহমুদউল্লাহকে ফিরিয়ে সেই জুটিও ভাঙেন নাসুম। মাহমুদউল্লাহ ফেরেন ২৬ বলে ৩৩ রান করে।
রংপুরের আশার আলো হয়ে ছিলেন ফাহিম আশরাফ আর নুরুল হাসান সোহান। ১৮তম ওভারে বোলিংয়ে জোড়া আঘাতে সেই আশার বাতিও নিভিয়ে দেন খালেদ আহমেদ। ওভারের তৃতীয় বলে ফাহিমকে (৫ বলে ৩) ফেরান ক্রিস ওকসের ক্যাচ বানিয়ে আর পঞ্চম বলে সোহানকে (২৪ বলে ১৮) ফেরান আফিফ হোসেনের ক্যাচ বানিয়ে।
এতেই শেষ হয়ে যায় রংপুরের লড়াই। শেষ ওভারে উইকেটে কাটান মুস্তাফিজুর রহমান আর নাহিদ রানা।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
রংপুর রাইডার্স : ২০ ওভারে ১১১/৯ (হৃদয় ৪, মালান ৪, লিটন ১, মায়ার্স ৮, খুশদিল ৩০, মাহমুদউল্লাহ ৩৩, সোহান ১৮, ফাহিম ৩, আলিস ৪, মুস্তাফিজ ১*, নাহি ২*; ওকস ৪-০১৫-২, খালেদ ৪-০-১৪-৪, মঈন ৪-০-৩৯-০, সালমান ৩-০-১৯-১, মিরাজ ১-০-১১-০, নাসুম আহমেদ ৪-০-১২-২)

ক্রীড়া প্রতিবেদক