ঈদযাত্রা : ২৬ মে’র ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু
পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে আজ চতুর্থ দিনের মতো আন্তঃনগর ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের নির্বিঘ্ন যাত্রা নিশ্চিত করতে আজ শনিবার (১৬ মে) সকাল ৮টা থেকে আগামী ২৬ মে’র টিকিট দেওয়া হচ্ছে।
সার্ভারের ওপর চাপ কমাতে এবং যাত্রীদের ভোগান্তি এড়াতে এবারও দুই শিফটে টিকিট বিক্রি করা হচ্ছে। সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলে চলাচলকারী সব ট্রেনের টিকিট বিক্রি শুরু হয়েছে। পূর্বাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট বিক্রি শুরু হবে দুপুর ২টা থেকে। কাউন্টারের ভিড় এড়াতে এবারও শতভাগ টিকিট রেলওয়ের অফিসিয়াল ওয়েবসাইট এবং ‘রেল সেবা’ অ্যাপের মাধ্যমে অনলাইনে বিক্রি করা হচ্ছে।
আগামী ২৮ মে ঈদুল আজহার সম্ভাব্য দিন ধরে গত ১৩ মে থেকে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করে বাংলাদেশ রেলওয়ে। প্রথম দিন ২৩ মে’র, ১৪ মে ২৪ মে’র এবং ১৫ মে ২৫ মে’র টিকিট বিক্রি হয়েছে। ২৫ মে থেকে সরকারিভাবে টানা সাত দিনের ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার কারণে ২৪ ও ২৫ মে’র টিকিটের চাহিদা ছিল আকাশচুম্বী। তবে ঈদের ছুটি দীর্ঘ হওয়ায় ২৬ মে’র টিকিটের জন্যও সকাল থেকেই লাখ লাখ যাত্রী অনলাইনে বুকিংয়ের চেষ্টা চালাচ্ছেন বলে রেলওয়ে সূত্রে জানা গেছে। রেলওয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামীকাল ১৭ মে বিক্রি হবে ২৭ মে’র ঈদযাত্রার টিকিট। এছাড়া ঈদ উপলক্ষে ঘরমুখী মানুষের অতিরিক্ত চাপ সামলাতে বিভিন্ন রুটে ১০টি বিশেষ ট্রেন চালানো হবে।
টিকিট কেনার ক্ষেত্রে কিছু কড়া নিয়ম আরোপ করেছে রেল প্রশাসন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, একজন যাত্রী ঈদযাত্রার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ একবার এবং একবারে সর্বোচ্চ ৪টি টিকিট কিনতে পারবেন। তবে ঈদযাত্রার এই অগ্রিম টিকিট কোনোভাবেই ফেরত বা রিফান্ড দেওয়া যাবে না। নিয়মিত যাত্রীদের সুবিধার্থে ভ্রমণের দিন স্টেশন কাউন্টার থেকে মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং বা আসনবিহীন টিকিট বিক্রি করা হবে।
এদিকে এক সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলাদেশ রেলওয়ে জানিয়েছে, টিকিট শুধুমাত্র রেলওয়ের বৈধ ওয়েবসাইট ও অ্যাপের মাধ্যমেই সংগ্রহ করা যাবে। কালোবাজারি ও প্রতারণা রুখতে অন্য কোনো ব্যক্তি, অননুমোদিত প্রতিষ্ঠান বা ফেসবুক পেজ থেকে টিকিট কেনাবেচা করা থেকে বিরত থাকার জন্য যাত্রীদের অনুরোধ করা হয়েছে। নির্ধারিত মাধ্যম ছাড়া অন্য কোথাও আর্থিক লেনদেন করলে যাত্রীরা প্রতারিত হতে পারেন বলে কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়েছে রেল কর্তৃপক্ষ।

নিজস্ব প্রতিবেদক