‘মুক্তিযোদ্ধাদের পবিত্র ভূমিতে পা রেখে অভিভূত’
ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের গভর্নর শ্রী তথাগত রায় বলেন, ‘ছোটবেলায় ১৯৭১ সালে রেডিওতে প্রতিদিনই বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের কথা শুনতাম। যা শুনে আমাদের রোমাঞ্চ হতো। মুক্তিযোদ্ধাদের সেই পবিত্র ভূমিতে পা রাখতে পেরে এবং একটি স্মৃতিস্তম্ভ উদ্বোধন করতে পেরে আমি অভিভূত।’
আজ বৃহস্পতিবার কুষ্টিয়ার চৌড়হাসে নির্মিত ‘মুক্তি মিত্র স্মৃতিসৌধ’ উদ্বোধন শেষে এ কথা বলেন ত্রিপুরার গভর্নর। এ উপলক্ষে পৌরসভা মিলনায়তনে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়।
তথাগত রায় বলেন, ‘অসাধারণ লড়াই করে স্বাধীনতা লাভ করার জন্য বাংলাদেশকে আমাদের প্রণাম ও শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। এ লড়াইতে আমরা ভারতীয়রা এবং ভারতের সেনাবাহিনী আপনাদের সহযোগিতা করতে পেরেছে বলে আমরা গর্বিত। এই ধরনের স্মৃতিস্মম্ভ তৈরিতে দুই দেশের সম্পর্ক আরো সুদৃঢ় হবে। যারা যুদ্ধ দেখেনি শুধু শুনেছে সেই নতুন প্রজন্ম জানতে পারবে। তিনি আরো বলেন, ‘বাংলাদেশের যেকোনো কিছুতে ভারতের সহযোগিতা চাইলে শতভাগ নয়, আমাদের হাত এক হাজার ভাগ এগিয়ে থাকবে।’
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সরকারের মুক্তিযুদ্ধবিষয়কমন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেন, সিদ্ধান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে বীরাঙ্গনাদের মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। তবে প্রথম প্রক্রিয়ায় এ তালিকায় কিছু নাম বাদ পড়েছে। চলমান সংশোধিত প্রক্রিয়া শেষে শিগগিরই ত্রুটিমুক্ত গেজেট প্রকাশ করা হবে। অচিরেই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তাঁদের মুক্তিযোদ্ধার সার্টিফিকেট দেবেন। এ ছাড়া মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে বকেয়া ভাতাও পরিশোধ করা হবে।’
এ সময় বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুব-উল-আলম হানিফ বলেন, সব স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মধ্যদিয়ে স্থানীয় সরকার নির্বাচন হচ্ছে। এর জন্য নির্বাচন কমিশনকে সরকারের পক্ষ থেকে সবরকম সহযোগিতা করা হচ্ছে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সংসদ সদস্য আব্দুর রউফ, ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. আব্দুল হাকিম সরকার, কুষ্টিয়ার জেলা প্রশাসক সৈয়দ বেলাল হোসেন, পুলিশ সুপার প্রলয় চিসিম প্রমুখ।

ফারুক আহমেদ পিনু, কুষ্টিয়া