মার্কিন বাধা ডিঙিয়ে বন্দরে পৌঁছাল ইরানি পণ্যবাহী জাহাজ
ওমান সাগরে মার্কিন বাহিনীর আটকানোর প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে দিয়ে নিরাপদেই বন্দরে পৌঁছেছে ইরানি পণ্যবাহী জাহাজ। আজ শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা ফার্স নিউজ এজেন্সির এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চাল বোঝাই ওই বাণিজ্যিক জাহাজটিকে ওমান সাগরে মার্কিন নৌবাহিনী আটক করার চেষ্টা চালিয়েছিল। খবর পেয়ে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কোর্পসের (আইআরজিসি) নৌ-ইউনিট দ্রুত সেখানে পৌঁছায়। এরপর জাহাজটিকে পাহারা দিয়ে নিরাপদ গন্তব্যে নিয়ে আসে। তিন ঘণ্টা আগে জাহাজটি সফলভাবে বন্দরে নোঙর করেছে বলে নিশ্চিত করেছে ফার্স নিউজ।
আরও পড়ুন : ইরানে পরমাণু হামলা করবেন কি না, জানালেন ট্রাম্প
আরও পড়ুন : মধ্যপ্রাচ্যের দিকে এগোচ্ছে আরেকটি মার্কিন রণতরী
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে হরমুজ প্রণালি ও ওমান সাগর এলাকায় ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের ওপর কঠোর নৌ-অবরোধ আরোপ করার পর থেকে সমুদ্রপথে ২৯ টি জাহাজ আটক করার দাবি করেছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) ওভাল অফিসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, হরমুজ প্রণালির পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ এখন যুক্তরাষ্ট্রের হাতে। ইরান একটি চুক্তিতে পৌঁছালেই কেবল এই নৌপথ খুলে দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন : ২০২৭ সালে কেমন থাকবে স্বর্ণের দাম?
আরও পড়ুন : ‘ইরান যুদ্ধ কতদিন স্থায়ী হবে’ প্রশ্নের জবাবে যা বললেন ট্রাম্প
জ্বালানি তেলের দাম নিয়ে সাধারণ মানুষের উদ্বেগের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে ট্রাম্প সরাসরি উত্তর না দিয়ে বিষয়টিকে ইরানের পারমাণবিক হুমকির সাথে তুলনা করেন। তিনি বলেন, তেলের দাম নিয়ে চিন্তার চেয়ে একটি পারমাণবিক শক্তিধর ইরানকে থামানো বেশি জরুরি। আমি ভেবেছিলাম তেলের দাম প্রতি ব্যারেল ২০০ ডলারে উঠে যাবে। কিন্তু পরিস্থিতি এখন সম্পূর্ণ ভিন্ন। যুক্তরাষ্ট্রের কাছে পর্যাপ্ত তেল মজুত রয়েছে। বিশ্বজুড়ে সব জাহাজ এখন মার্কিন তেল নিতে এখানে আসছে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট আরও বলেন, আমি চাই না যুদ্ধবিরতি চলাকালীন ইরান তেল বিক্রি করে প্রতিদিন ৫০ কোটি ডলার আয় করুক। আমিই এই পথ বন্ধ করে রেখেছি। যদি তারা সমঝোতায় না আসে, তবে আমি সামরিকভাবে এই যুদ্ধের সমাপ্তি ঘটাব।
সূত্র : মিডল ইস্ট আই

এনটিভি অনলাইন ডেস্ক