দেশজুড়ে ৪৫৮ উপজেলা-থানায় রবির পরিবেশবান্ধব ‘সুপার বাইক’ সেবা
গ্রাহকদের কাছে আরও দ্রুত ও কার্যকরভাবে ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দিতে দেশজুড়ে পরিবেশবান্ধব বৈদ্যুতিক ‘রবি সুপার বাইক’ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে রবি আজিয়াটা পিএলসি। মাঠপর্যায়ের কর্মীদের জন্য চালু করা এই ই-বাইক সেবা এখন দেশের ৬৪ জেলার ৪৫৮টি উপজেলা ও থানা এলাকায় বিস্তৃত হয়েছে।
প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, এই উদ্যোগের মাধ্যমে প্রত্যন্ত অঞ্চল পর্যন্ত গ্রাহকসেবা, ডিজিটাল সেবা বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি এবং বিতরণ কার্যক্রম আরও দ্রুত, দক্ষ ও পরিবেশবান্ধবভাবে পরিচালনা করা সম্ভব হচ্ছে। বৈদ্যুতিক হওয়ায় এসব বাইক থেকে প্রচলিত জ্বালানিচালিত মোটরসাইকেলের মতো কার্বন নিঃসরণ হয় না, যা পরিবেশ সুরক্ষায় ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
রবি আজিয়াটা পিএলসির চিফ কমার্শিয়াল অফিসার শিহাব আহমাদ বলেন, ‘রবি সুপার বাইক আমাদের টেকসই পরিবহন ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে ডিজিটাল সেবা আরও কার্যকরভাবে পৌঁছে দেওয়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্যোগ। এর মাধ্যমে আমরা পরিবেশ সুরক্ষার পাশাপাশি গ্রাহকদের আরও দ্রুত ও নির্ভরযোগ্য সেবা দিতে পারছি।’
তিনি আরও বলেন, উদ্ভাবন, পরিবেশের প্রতি দায়বদ্ধতা এবং দেশের সব মানুষের কাছে ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য থেকেই সুপার বাইকের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে। এটি পরিবেশ সুরক্ষা এবং জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন অভীষ্ট (এসডিজি) অর্জনে রবির অঙ্গীকারের প্রতিফলন।
গত বছর মাঠপর্যায়ের কর্মীদের কাজ সহজ করতে চালু হওয়া এসব ই-বাইকে রয়েছে কনভার্টেবল কার্গো বক্স, রবি ব্র্যান্ডেড ছাতা, মোবাইল ও ল্যাম্প চার্জের জন্য ইউএসবি পোর্ট এবং জনসচেতনতামূলক প্রচারের জন্য অডিও হ্যান্ড মাইক্রোফোন। এছাড়া নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ফেস রিকগনিশনভিত্তিক আনলক ব্যবস্থা, জিও-ফেন্সিং এবং রিয়েল-টাইম জিপিএস ট্র্যাকিংয়ের মতো আধুনিক প্রযুক্তিও যুক্ত করা হয়েছে।
রবি জানায়, এই পরিবেশবান্ধব উদ্যোগের মাধ্যমে একদিকে যেমন কার্বন নিঃসরণ কমানো সম্ভব হচ্ছে, অন্যদিকে সুবিধাবঞ্চিত ও প্রত্যন্ত জনগোষ্ঠীর কাছে প্রয়োজনীয় ডিজিটাল সেবা পৌঁছে দেওয়ার সক্ষমতাও আরও জোরদার হচ্ছে। প্রযুক্তি, টেকসই উন্নয়ন এবং গ্রাহককেন্দ্রিক সেবার সমন্বয়ে ‘রবি সুপার বাইক’ কর্মসূচি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে সংযোগ বৃদ্ধি ও সেবার মান উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক