২০৩০ বিশ্বকাপ ফাইনাল আয়োজনের দৌড়ে বার্সার ক্যাম্প ন্যু
যৌথভাবে ২০৩০ ফুটবল বিশ্বকাপ আয়োজন করবে স্পেন, পর্তুগাল ও মরক্কো। বিশ্বকাপের এখনো লম্বা সময় বাকি থাকলেও আলোচনা চলছে বিশ্বকাপের ফাইনাল ম্যাচের ভেন্যু নিয়ে। ফাইনাল আয়োজনের লড়াইয়ে এবার যুক্ত বার্সেলোনার ঐতিহ্যবাহী স্টেডিয়াম ‘ক্যাম্প ন্যু’।
এর আগে স্পেনের রিয়াল মাদ্রিদের ঘরের মাঠ সান্তিয়াগো বার্নাব্যু এবং মরক্কোর কাসাব্লাঙ্কায় প্রস্তাবিত নতুন ‘হাসান–২ স্টেডিয়াম’ ফাইনাল ম্যাচের মূল দাবিদার হিসেবে আলোচনায় ছিল। এখন বিশ্বকাপের শিরোপা নির্ধারণী ম্যাচটি পেতে ত্রিমুখী লড়াই জমে উঠেছে।
আধুনিকায়ন ও পুনর্নির্মাণের কাজ শেষ হলে বিখ্যাত এই ক্যাম্প ন্যুর দর্শক ধারণক্ষমতা গিয়ে ঠেকবে প্রায় ১ লাখ ৫ হাজারে। জানা গেছে, স্টেডিয়ামটির সংস্কার ও নির্মাণকাজের পুরো প্রক্রিয়া ২০২৮ সালের প্রথম প্রান্তিকের মধ্যেই শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
এর মধ্যেই অবশ্য বড় একটি স্বীকৃতি পেয়ে গেছে মাঠটি— আগামী ২০২৯ সালের উয়েফা চ্যাম্পিয়নস লিগ ফাইনাল ম্যাচ আয়োজনের ভেন্যু হিসেবেও ক্যাম্প ন্যুকে বেছে নিয়েছে উয়েফা।
এদিকে বার্সেলোনার বর্তমান সভাপতি হোয়ান লাপোর্তাও ২০৩০ বিশ্বকাপের মেগা ফাইনাল ম্যাচটি ক্যাম্প ন্যুতে আয়োজন করার পক্ষে নিজের জোরালো অবস্থান তুলে ধরেছেন।
তিনি বলেছেন, মাদ্রিদের ভেন্যুর তুলনায় আধুনিক সুযোগ-সুবিধাসম্পন্ন বার্সেলোনার এই স্টেডিয়ামটিই ফাইনালের মতো জমজমাট ম্যাচের জন্য সবচেয়ে বেশি মানানসই ও উপযুক্ত।
তবে ফিফার পক্ষ থেকে এখনো চূড়ান্তভাবে কোনো নির্দিষ্ট ভেন্যু বা স্টেডিয়ামের নাম ঘোষণা করা হয়নি। স্পেনের ফুটবল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে বার্নাব্যু ও ক্যাম্প ন্যু—উভয় ভেন্যুকেই ফাইনালের সম্ভাব্য তালিকায় প্রস্তাব করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মরক্কো তাদের নতুন প্রকল্প হিসেবে প্রায় ১ লাখ ১৫ হাজার দর্শক ধারণক্ষমতার বিশাল আকৃতির ‘হাসান–২ স্টেডিয়াম’ নির্মাণ করছে। এই স্টেডিয়ামের নির্মাণকাজ সফলভাবে শেষ হলে এটিই হতে যাচ্ছে বিশ্বের সবচেয়ে বড় ফুটবল স্টেডিয়াম।

স্পোর্টস ডেস্ক