দ. কোরিয়াকে অপেক্ষায় রেখে প্রথমবার নকআউটে দ. আফ্রিকা
১৯৯৮ সালে ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপে প্রথমবার অংশ নিয়েছিল দক্ষিণ আফ্রিকা। এরপর ২০০২, ২০১০ ও ২০২৬-মোট চারটি বিশ্বকাপে খেললেও কখনো গ্রুপপর্বের বাধা পেরোতে পারেনি তারা। অবশেষে সেই আক্ষেপ ঘুচল ২০২৬ সালে।
২০২৬ ফুটবল বিশ্বকাপে ‘এ’ গ্রুপের শেষ ম্যাচে শক্তিশালী দক্ষিণ কোরিয়াকে ১-০ গোলে হারিয়ে ইতিহাস গড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকা। মেক্সিকোর মনতেরেতে অনুষ্ঠিত ম্যাচে থাপেলো মাসেকোর একমাত্র গোলে জয়ের পাশাপাশি প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে জায়গা নিশ্চিত করেছে আফ্রিকার দেশটি।
ম্যাচটি ছিল দুই দলের জন্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথমার্ধে গোলশূন্য সমতায় শেষ হলেও বিরতির পর আক্রমণের তীব্রতা বাড়ায় দক্ষিণ আফ্রিকা।
তাদের ধারাবাহিক চাপের ফল আসে ৬৩তম মিনিটে। বক্সের ভেতরে সুযোগ পেয়ে জোরালো শটে বল জালে পাঠান থাপেলো মাসেকো। সেই গোলই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ভাগ্য নির্ধারণ করে দেয়।
গোলের পর খেলোয়াড়দের আনন্দই যেন বলে দিচ্ছিল, তারা কত বড় একটি পদক্ষেপ নিয়েছে। শেষ বাঁশি পর্যন্ত সেই লিড ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করে দক্ষিণ আফ্রিকা।
এই জয়ে ‘এ’ গ্রুপে স্বাগতিক মেক্সিকোর পর দ্বিতীয় স্থান নিশ্চিত করল দক্ষিণ আফ্রিকা। একই সময়ে অনুষ্ঠিত অন্য ম্যাচে মেক্সিকো ৩-০ গোলে চেক প্রজাতন্ত্রকে হারিয়ে তিন ম্যাচেই জয় তুলে নেয়।
অন্যদিকে, পরাজয়ে দক্ষিণ কোরিয়ার ভাগ্য ঝুলে গেছে অনিশ্চয়তার মধ্যে। নকআউট পর্বে জায়গা করে নিতে এখন তাদের নির্ভর করতে হবে অন্য গ্রুপগুলোর ফলাফলের ওপর। সেরা আটটি তৃতীয় স্থানধারী দলের একটি হতে পারলেই কেবল শেষ ষোলোতে খেলার সুযোগ পাবে তারা।
দক্ষিণ আফ্রিকার ফুটবলের জন্য দিনটি তাই স্মরণীয় হয়ে থাকবে বহু বছর। ১৯৯৮ সালে বিশ্বকাপ অভিষেকের ২৮ বছর পর প্রথমবারের মতো গ্রুপপর্ব পেরিয়ে নকআউট মঞ্চে উঠল তারা। আর সেই ঐতিহাসিক অর্জনের নায়ক হয়ে থাকলেন থাপেলো মাসেকো।

স্পোর্টস ডেস্ক