বস্ত্র-বিমায় লেনদেন ৩৫ শতাংশ
দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) গত সপ্তাহে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে বস্ত্র খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার। এতে খাতটি লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে সাধারন বিমা খাত। দুই খাতে সম্মিলিতভাবে লেনদেন হয়েছে ৩৫ দশমিক ৪২ শতাংশ।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে তিন হাজার ৯২৮ কোটি ৫৮ লাখ টাকা। এতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৭৮৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা। পুঁজিবাজারে বর্তমানে ২১টি খাতে মোট ৪১২টি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে বস্ত্র এবং সাধারন বিমা এই দুই খাতের ১০১টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৩৯১ কোটি ৩১ লাখ টাকা। বাকি ১৯টি খাতের ৩১১টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে দুই হাজার ৫৩৭ কোটি ২৭ লাখ টাকা।
শীর্ষ অবস্থানে থাকা বস্ত্র খাতের ৫৮টি প্রতিষ্ঠানে মোট লেনদেন হয়েছে ৭৯৩ কোটি ১২ লাখ টাকা। এই খাতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১৫৮ কোটি ৬২ লাখ টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ২০ দশমিক ১৯ শতাংশ। লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা সাধারন বিমা খাতের ৪৩টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৫৯৮ কোটি ১৯ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১৫ দশমিক ২৩ শতাংশ।
লেনদেনে তৃতীয় অবস্থানে থাকা ওষুধ ও রসায়ন খাতের ৩৪টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৫১৮ কোটি ৭১ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ। চতুর্থ অবস্থানে থাকা ব্যাংক খাতের ৩৬টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৩৬২ কোটি ৪৪ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ৯ দশমিক ২৩ শতাংশ। পঞ্চম অবস্থানে থাকা মিউচুয়াল ফান্ড খাতের ৩৫টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৩৩১ কোটি ৯৭ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের আট দশমিক ৪৫ শতাংশ।
অন্যান্য খাতের মধ্যে প্রকৌশল খাতে ছয় দশমিক ৮৪ শতাংশ, বিবিধ খাতে ছয় দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে চার দশমিক ৪৮ শতাংশ, নন-ব্যাংকিং আর্থিক খাতে তিন দশমিক ২৮ শতাংশ, আইটি খাতে দুই দশমিক ৬৩ শতাংশ, জ্বালানী ও শক্তি খাতে এক দশমিক ৯৫ শতাংশ, সেবা আবাসন খাতে এক দশমিক ৮৬ শতাংশ, জীবন বিমা খাতে এক দশমিক ৬১ শতাংশ, সিরামিক খাতে এক দশমিক ১২ শতাংশ, পেপার ও প্রিন্টিং খাতে শূন্য দশমিক ৮৮ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে শূন্য দশমিক ৮২ শতাংশ এবং সিমেন্ট খাতে শূন্য দশমিক ৮২ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।
বাকি খাতগুলোর মধ্যে চামড়া খাতে শূন্য দশমিক ৫১ শতাংশ, টেলিকম খাতে শূন্য দশমিক ৪৬ শতাংশ, পাট খাতে শূন্য দশমিক ৩৫ শতাংশ এবং করপোরেট বন্ড খাতে শূন্য দশমিক শুন্য এক শতাংশ লেনদেন হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক