ডিএসইতে দুই খাতের লেনদেন ৩৫ শতাংশ, শীর্ষে ব্যাংক
গেল সপ্তাহে (৮ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি) দেশের প্রধান পুঁজিবাজার ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জে (ডিএসই) সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ব্যাংক খাতের কোম্পানিগুলোর শেয়ার। এতে খাতটি লেনদেনের শীর্ষে অবস্থান করছে। পরবর্তী অবস্থানে রয়েছে বস্ত্র খাত। এই দুই খাতে সম্মিলিতভাবে লেনদেন হয়েছে ৩৫ দশমিক ২৫ শতাংশ।
ডিএসইর ওয়েবসাইট সূত্রে জানা যায়, গত সপ্তাহে মোট লেনদেন হয়েছে এক হাজার ৯১৪ কোটি ৮৫ লাখ টাকা। এতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ৬৩৮ কোটি ২৮ লাখ টাকা। পুঁজিবাজারে বর্তমানে ২১টি খাতে মোট ৪১৩টি প্রতিষ্ঠান তালিকাভুক্ত রয়েছে। এর মধ্যে ব্যাংক এবং বস্ত্র— এই দুই খাতের ৯৪টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ৬৭৪ কোটি ৬২ লাখ টাকা। বাকি ১৯টি খাতের ৩১৯টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে এক হাজার ২৪০ কোটি ২৩ লাখ টাকা।
শীর্ষ অবস্থানে থাকা ব্যাংক খাতের ৩৬টি প্রতিষ্ঠানে মোট লেনদেন হয়েছে ৩৮৫ কোটি ৯০ লাখ টাকা। এই খাতে দৈনিক গড় লেনদেনের পরিমাণ ছিল ১২৮ কোটি ৬৩ লাখ টাকা, যা ডিএসইর মোট লেনদেনের ২০ দশমিক ১৯ শতাংশ। লেনদেনে দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা বস্ত্র খাতের ৫৮টি প্রতিষ্ঠানে লেনদেন হয়েছে ২৮৮ কোটি ৭৩ লাখ টাকার শেয়ার, যা মোট লেনদেনের ১৫ দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ।
অন্যান্য খাতের মধ্যে ওষুধ ও রসায়ন খাতে ১৫ দশমিক শূন্য ছয় শতাংশ, প্রকৌশল খাতে সাত দশমিক ৯৯ শতাংশ, সাধারণ বিমা খাতে সাত দশমিক শূন্য তিন শতাংশ, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক খাতে ছয় দশমিক ৭৫ শতাংশ, জ্বালানি ও শক্তি খাতে চার দশমিক ৩১ শতাংশ, বিবিধ খাতে চার দশমিক ২৯ শতাংশ, জীবন বিমা খাতে তিন দশমিক ৪৪ শতাংশ, নন-ব্যাংকিং আর্থিক খাতে দুই দশমিক ৯৫ শতাংশ, টেলিকম খাতে দুই দশমিক ৩৭ শতাংশ, আইটি খাতে দুই দশমিক শূন্য পাঁচ শতাংশ, মিউচুয়াল ফান্ড খাতে দুই দশমিক শূন্য চার শতাংশ এবং পেপার ও প্রিন্টিং খাতে এক দশমিক ৮৫ শতাংশ লেনদেন হয়েছে।
বাকি খাতগুলোর মধ্যে সিমেন্ট খাতে এক দশমিক ৩৬ শতাংশ, সিরামিক খাতে এক দশমিক শূন্য ৯ শতাংশ, সেবা আবাসন খাতে শূন্য দশমিক ৭৮ শতাংশ, ভ্রমণ ও অবকাশ খাতে শূন্য দশমিক ৬৪ শতাংশ, চামড়া খাতে শূন্য দশমিক ৫৯ শতাংশ, পাট খাতে শূন্য দশমিক ২৪ শতাংশ এবং করপোরেট বন্ড খাতে শূন্য দশমিক শূন্য দুই শতাংশ লেনদেন সম্পন্ন হয়েছে।

নিজস্ব প্রতিবেদক