রিকন্ডিশন্ড ইভির নিষেধাজ্ঞা তুলে শর্তসাপেক্ষে আমদানির সুযোগ চায় বারভিডা
ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক ভেহিকেল (ইভি) আমদানির ওপর নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করে শর্তসাপেক্ষে আমদানির সুযোগ দেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ রিকন্ডিশন্ড ভেহিক্যালস ইমপোর্টার্স অ্যান্ড ডিলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বারভিডা)।
আজ বুধবার (৯ সেপ্টেম্বর) ঢাকা ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটি এ দাবি জানায়। এতে উপস্থিত ছিলেন বারভিডার সভাপতি আবদুল হক, সাবেক সভাপতি আবদুল মান্নান চৌধুরী, সাবেক সভাপতি হাবিবুল্লাহ ডনসহ বর্তমান কমিটির নেতারা।
গত ২৪ আগস্ট প্রকাশিত নতুন আমদানি নীতিতে ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড ইলেকট্রিক গাড়ি আমদানি সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ করা হয়, এতে সাধারণ ও মধ্যবিত্ত মানুষের নতুন প্রযুক্তির গাড়ি ব্যবহারের সুযোগ সীমিত হবে জানিয়ে বারভিডার প্রেসিডেন্ট আবদুল হক বলেন, নতুন ইভির দাম এখনও সাধারণ মানুষের নাগালের বাইরে। তুলনামূলক কম দামে রিকন্ডিশন্ড ইভি বাজারে পাওয়া গেলে সাধারণ মানুষের পরিবহণ ব্যয় কমার পাশাপাশি দেশে বৈদ্যুতিক গাড়ির ব্যবহার দ্রুত বাড়বে।
ইলেকট্রিক ভেহিকেল খাতকে নিয়ন্ত্রণ নয়, বরং নিরাপত্তা ও মান নিশ্চিত করে পরিকল্পিতভাবে বিকশিত করার নীতি গ্রহণ করার আবেদন জানিয়ে সংবাদ সম্মেলনে বারভিডা আট প্রস্তাব তুলে ধরেন। প্রস্তাবগুলো হলো- প্রাথমিকভাবে সর্বোচ্চ ৫ বছর পর্যন্ত ব্যবহৃত ও রিকন্ডিশন্ড ইভি আমদানির অনুমতি দেওয়া; ব্যাটারির ন্যূনতম স্টেট অব হেলথ ৭০ শতাংশ নির্ধারণের বিষয়টি বিবেচনা করা। ক্রেতা স্বার্থ অক্ষুণ্ণ রাখার লক্ষ্যে স্থানীয়ভাবে সংযোজিত ও উৎপাদিত এবং আমদানিকৃত নতুন ইলেকট্রিক ভেহিকেলের ব্যাটারির আয়ুষ্কাল সম্পর্কে যথাযথ কর্তৃপক্ষের প্রত্যয়ন বাধ্যতামূলক করা; আমদানির আগে অনুমোদিত সংস্থার মাধ্যমে কার্যকর পরিদর্শন এবং প্রত্যয়ন বাধ্যতামূলক করা; বন্যা, অগ্নিকাণ্ড, গুরুতর দুর্ঘটনা বা কাঠামোগত ক্ষতিগ্রস্ত ইভি আমদানি নিষিদ্ধ করা; ইভি ব্যাটারির জন্য ব্যাটারি পুনর্ব্যবহার / নিরাপদ অপসারণ কাঠামো প্রণয়ন করা; চার্জিং স্টেশন, সার্ভিসিং, ব্যাটারি ডায়াগনস্টিকস ও রিসাইক্লিং খাতের প্রকৃত বিনিয়োগকে উৎসাহিত করতে শুরু করে প্রদত্ত প্রণোদনা অব্যাহত রাখা; চলতি বাজেটে ইভির জন্য মূল্যস্তর ভিত্তিক যে শুল্ক/কর কাঠামো প্রণয়ন করা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট খাতগুলোর সাথে আলোচনার করে যৌক্তিক বিন্যাস ও শুল্ক কাঠামোর স্তর পুনঃনির্ধারণ করা; নির্দিষ্ট সময় পর নীতির ফলাফল মূল্যায়ন করে বয়সসীমা ও অন্যান্য শর্ত পুনর্বিবেচনা করা।

নিজস্ব প্রতিবেদক