মিরপুরে বাড়ি দখলের অভিযোগ, প্রথম তদন্তভার পেল এসআরবি
রাজধানীর মিরপুরে বাড়ি দখল, মারধর ও চাঁদা দাবির অভিযোগে তিন আসামির বিরুদ্ধে করা মামলায় তদন্তের দায়িত্ব পেয়েছে স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়ন (এসআরবি)।
আজ রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম এসআরবিকে মামলাটি তদন্তের আদেশ দেন। স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নকে (এসআরবি) গঠনের পরে এটাই প্রথম তদন্ত করার দায়িত্ব পেল সংস্থাটি।
এদিন আদালতে মো. মিজানুর রহমান ওরফে বাচ্চু বাদী হয়ে মামলার আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত অভিযোগটি আমলে নিয়ে প্রথমবারের মতো স্পেশাল রেসপন্স ব্যাটালিয়নকে (এসআরবি) তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। আসামিরা হলেন—হেমায়েত উদ্দিন সুমন, মো. নাজমুল হোসেন ও মুন্নী আক্তার মিষ্টি।
আদেশে বলা হয়, এসআরবি আইনে মাদক, সাইবার অপরাধ, ভূমি ও ভূমি দস্যুতার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের ক্ষমতা দেওয়া হয়েছে। যেহেতু মামলাটি ভূমি বিষয়ের সঙ্গে জড়িত রয়েছে, সেহেতু এসআরবি আইনের ৫(২) ধারা অনুযায়ী আদালত মহাপরিচালককে যেকোনো ফৌজদারি অপরাধ তদন্তের নির্দেশ দিতে পারে। তাই বাদীর নালিশি দরখাস্তটি এসআরবি দ্বারা তদন্ত করা যুক্তিযুক্ত।
মামলার আবেদন থেকে জানা গেছে, রাজধানীর মিরপুর হাউজিং এস্টেটের অন্তর্ভুক্ত জমিতে নির্মিত বহুতল ভবনের মালিক মো. ইউনুস আলী ও রুমা আক্তার সপরিবারে কানাডা অবস্থান করছেন। তাদের আপন চাচা মিজানুর রহমান বাংলাদেশে থাকা সব প্রকার স্থাবর সম্পত্তি দেখাশোনা, রক্ষণাবেক্ষণ ও অন্যান্য সব প্রকার দায়দায়িত্ব পালন করে আসছেন। তবে আসামি হেমায়েত উদ্দিন সুমন, মো. নাজমুল হোসেন ও মুন্নী আক্তার মিষ্টি ওই বাড়িতে তাদের অনুপস্থিতির সুযোগ নিয়ে দীর্ঘদিন দখল ও আত্মসাতের চেষ্টায় লিপ্ত রয়েছেন। আসামি হেমায়েতের নেতৃত্বে ২০২৫ সালের ১৬ জুলাই জোরপূর্বক বাড়িতে অনুপ্রবেশ এবং দখল নেওয়ার চেষ্টা করেন তারা। তখন তাদের বাধা দিলে আসামিরা বাদীকে প্রাণনাশের হুমকি দেন। একপর্যায়ে আসামি হেমায়েত বাদী মিজানুরের কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন। চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করলে তারা বাড়িতে প্রবেশ করে ভাঙচুর করতে থাকে এবং দুই লাখ টাকা চুরি করে নিয়ে যায়।

আদালত প্রতিবেদক