আসল আসামিকে না ধরে অন্য ব্যক্তিকে কারাগারে পাঠাল পুলিশ
পটুয়াখালীর মহিপুরে চেক ডিজঅনার মামলার ওয়ারেন্ট কার্যকর করতে গিয়ে আসল আসামির পরিবর্তে একই নামের ভিন্ন এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তারের অভিযোগ উঠেছে। গ্রেপ্তার ব্যক্তির পরিবার জানিয়েছে, তিনি মামলার নথিতে উল্লেখ করা প্রকৃত ব্যক্তি নন। এদিকে থানা পুলিশও পরিচয় শনাক্তকরণের ক্ষেত্রে ভুল হওয়ার কথা স্বীকার করেছে।
মামলার বিবরণ সূত্রে জানা যায়, মো. আলমগীর হোসেন নামে এক ব্যবসায়ী ২ লাখ ৭৩ হাজার ৫১৩ টাকা পাওনা আদায়ের উদ্দেশ্যে মো. জলিল হাওলাদারের বিরুদ্ধে ২০২৩ সালে পটুয়াখালীর আদালতে একটি চেক ডিজঅনার মামলা করেন। নথিতে উল্লেখ রয়েছে, ২০২৩ সালের ২৭ মার্চ পর্যাপ্ত অর্থ না থাকায় ব্যাংক থেকে চেকটি ডিজঅনার হয়। পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশে জারি হওয়া ওয়ারেন্টের ভিত্তিতে গত ১৯ আগস্ট মহিপুর থানা পুলিশ মো. জলিল হাওলাদার নামের ওই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়।
তবে পরিবার দাবি করছে, নাম ও গ্রামের মিল থাকলেও গ্রেপ্তার হওয়া জলিল এবং মামলার আসামি ভিন্ন ব্যক্তি। তাদের জাতীয় পরিচয়পত্রের তথ্যেও স্পষ্ট পার্থক্য রয়েছে।
ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শামীম হাওলাদার বলেন, আসামির নাম, বাবার নাম এবং গ্রামের নাম একই হওয়ায় অসাবধানতাবশত ভুল ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
ওয়ারেন্ট কপিতে মায়ের নাম না থাকায় পরিচয় শতভাগ নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হয়নি উল্লেখ করে শামীম হাওলাদার বলেন, ভুক্তভোগী ব্যক্তি যেন দ্রুত আইনি প্রক্রিয়ায় জামিনে মুক্তি পান, সে বিষয়ে তার পরিবারকে পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কাজল বরণ দাস, পটুয়াখালী