খাগড়াছড়িতে নামতে শুরু করেছে বন্যার পানি
খাগড়াছড়িতে বন্যা পরিস্থিতির সার্বিক উন্নতি হয়েছে। দীঘিনালা উপজেলা ব্যাতীত খাগড়াছড়ি সদর, মহালছড়ি ও রামগড়সহ বিভিন্ন উপজেলার নিম্নাঞ্চল থেকে পানি নেমে গেছে।
আজ শনিবার (১১ জুলাই) সরেজমিনে দেখা যায়, বন্যার পানি নামার পর সড়কে পড়ে থাকা গাছ ও মাটি অপসারণের কাজ চলছে। খাগড়াছড়ি-চট্টগ্রাম সড়কে যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
খাগড়াছড়ির সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি দেখতে আজ দুপুরে দূর্যোগ ব্যবস্থা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী এম ইকবাল হোসাইনের আসার কথা রয়েছে। মন্ত্রী চট্টগ্রাম থেকে সড়ক পথে খাগড়াছড়ি আসবেন এবং বিকেলে পাহাড়ি ঢলে ক্ষতিগ্রস্ত খাগড়াছড়ির বিভিন্ন এলাকা পরিদর্শন শেষে রাঙ্গামাটিতে যাবেন।
এদিকে দীঘিনালা উপজেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়ে উপজেলার ৭ হাজার পরিবার পানিবন্দী আছেন। উপজেলার ২০টি আশ্রয় কেন্দ্রে তিন হাজার পরিবার আশ্রয় নিয়েছে।
দীঘিনালার সঙ্গে রাঙ্গামাটির বাঘাইছড়ি-মারিশ্যার সড়ক যোগাযোগ পুনঃস্থাপিত হয়েছে। কিন্তু দীঘিনালার মেরুংয়ের ষ্টীলব্রীজ, হেডকোয়াটার এলাকায় সড়কের ওপর পানি থাকায় দীঘিনালার সঙ্গে রাঙ্গামাটির লংগদু উপজেলার সড়ক যোগাযোগ এখনও বন্ধ রয়েছে।
খাগড়াছড়ি-রাঙ্গামাটি সড়কে বাস চলাচল শুরু হয়নি। তবে পাঁচদিন পর আজ সকাল ৯টায় খাগড়াছড়ি থেকে যাত্রী নিয়ে একটি পিকআপ খাগড়াছড়ি ছেড়ে গেছে।
খাগড়াছড়ি সড়ক পরিবহন মালিক গ্রুপের রাঙ্গামাটির কাউন্টারের ম্যানেজার কামরুল হাসান বলেন,বাস চলাচল না করলেও যাত্রীদের কষ্ট ও দুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে আপতত পিকআপ সার্ভিস চালু করা হয়েছে।

আবু তাহের মুহাম্মদ, খাগড়াছড়ি