শেষ মুহূর্তে প্রত্যাশিত দামে পশু পেয়ে খুশি ক্রেতারা, অসন্তুষ্ট বিক্রেতা
দরজার কড়া নাড়ছে পবিত্র ঈদুল আজহা। আজকের রাত পর হলেই আগামীকাল ঈদ। ঈদকে সামনে রেখে গবাদি পশু গরু, মহিষ ও ছাগলের অস্থায়ী ও অস্থায়ী হাটে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ব্যস্ত সময় পাড় করছে। ক্রেতার তাদের পছন্দের পশু কোরবানির জন্য ঘুরছে এক হাট থেকে অন্য হাটে।
কোরবানির পশু কিনে ক্রেতারা আলহামদুলিল্লাহ বললেও অন্যদিকে পশু দাম নিয়ে বিক্রেতাদের মধ্য অসন্তুষ্টি দেখা দিয়েছে। টানা বৃষ্টির কারণে গরু, মহিষ ও ছাগলের দাম কমে গেছে এমন অভিযোগ করছেন বিক্রেতারা। আজ বুধবার (২৭ মে) সকালে গাবতলী-কমলাপুর হাটে এমন চিত্র দেখা গেছে।
সরেজমিন ঘুরে দেখা, বৃষ্টির কারণে রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে বিভিন্ন স্থানে পানি জমে চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ক্রেতা-বিক্রেতা। অনেক জায়গায় হাঁটু পর্যন্ত পানি জমে আছে। অনেক জায়গায় পানি-কাদা মিলে অস্বস্তিকর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে। এতে পশু ওঠানামা, হাট থেকে বের করাসহ কেনাবেচায় চরম ব্যাঘাত ঘটছে।
যশোর থেকে আসা গরু বিক্রেতা আকাশ বলেন, গাবতলীর এই হাটে ৬টি গরু নিয়ে এসেছি। এ পর্যন্ত ২টি গরু বিক্রি হয়েছে। আজ ক্রেতা অনেক কিন্তু বিক্রি করার মতো দাম বলছে না কেউ। সবাই কেন জানি খুবই কম দাম বলছে। এতো কম দামে বিক্রি সম্ভব না।
কোরবানির গরু কিনে আলহামদুলিল্লাহ বললেন ক্রেতা আবুল খায়ের। তিনি বলেন, কোরবানির মানে ত্যাগ। এখানে দাম বিষয় না। তবে এবারে গরু দাম ঠিক আছে বলে জানান তিনি।
আরেক গরু ক্রেতা হুমায়ুন বলেন, গত দুইদিন গরু হাটে ঘুরেছি। দামে মিলাতে পারিনি। আজ বেলা ১১টায় হাটে এসেছি। এক ঘণ্টার মধ্যে প্রত্যাশিত দামে গরু পেয়ে গেছি।
খুলনা থেকে আসা বিক্রেতা আমজাদ বলেন, কমলাপুর হাটে ১০টি গরু ও ৫টি মহিষ নিয়ে এসেছি। এ পর্যন্ত ৪টি গরু ও একটি মহিষ বিক্রি হয়েছে। আজ বাজার খুবই মন্দা। বিশেষ করে বৃষ্টি পর থেকে। গতকাল যে সাইজের গরু আড়াই লাখ টাকার ওপরে বিক্রি করেছি, আজ সে ধরনের গরু দাম ২ লাখ টাকাও বলছে না। মহিষেরও দামের একই অবস্থা। এত কম দামে কিভাবে দেবো।

নিজস্ব প্রতিবেদক