হাওর অঞ্চলে সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ
হাওর অঞ্চলে সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনকে প্রস্তুত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব সাইদুর রহমান খান।
আজ মঙ্গলবার (৫ মে) বাজিতপুর-ইটনা-অষ্টগ্রাম-মিঠামইনে পরিদর্শনে এসে তিনি এ কথা জানান।
সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সচিব বলেন, হাওর অঞ্চলে সম্ভাব্য দুর্যোগ মোকাবিলায় প্রশাসনকে প্রস্তুত থাকতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য প্রয়োজনীয় ত্রাণ সহায়তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।
সাইদুর রহমান খান বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তিন মাসের সহায়তা কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে। যারা ক্ষতিগ্রস্ত বেশি তাদের জন্য সাড়ে সাত হাজার, যারা মধ্যম তাদের জন্য পাঁচ হাজার এবং যাদের ক্ষতি কম তাদের জন্য আড়াই হাজার টাকা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি মৌসুমে কিশোরগঞ্জের ১৩ উপজেলায় এক লাখ ৬৮ হাজার ২৬২ হেক্টর জমিতে বোরো ধান চাষ হয়েছে। এর মধ্যে হাওরাঞ্চলে আবাদ হয়েছে এক লাখ চার হাজার ৫৮১ হেক্টর জমিতে। এ বছর জেলায় চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে সাত লাখ ৯৬ হাজার ৬৮৬ টন, যার বড় অংশই আসার কথা হাওর অঞ্চল থেকে। জেলায় এই পর্যন্ত সাড়ে ১২ হাজার হেক্টর জমির ক্ষতি হয়েছে এবং ৪৯ হাজার কৃষকের পাকা ধান জমিতে নষ্ট হয়েছে। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ক্ষতিগ্রস্ত তিন উপজেলা ইটনা, অষ্টগ্রাম ও মিঠামইন।

মোজাহিদ সরকার, কিশোরগঞ্জ (অষ্টগ্রাম, ইটনা ও মিঠামইন উপজেলা)