সাংবাদিকরা গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াইয়ে যোদ্ধা হতে পারেন : চিফ হুইপ
জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেছেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দেশ স্বৈরতন্ত্রের কবলে ছিল। এসময় ছিল না মানুষের বাক স্বাধীনতা, সংসদীয় সরকার ও আইনের শাসন। পরিবতর্তিত নতুন পরিস্থিতিতে গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে আপনারা (সংবাদিকরা) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারেন। আপনারা গণতন্ত্রকে বাঁচিয়ে রাখার লড়াইয়ে যোদ্ধা হতে পারেন।
আজ সোমবার (২৭ এপ্রিল) জাতীয় সংসদ ভবনের এলডি হলে গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের সাথে মতবিনিময়কালে চিফ হুইপ এসব কথা বলেন। মতবিনিময় অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের হুইপ মো. জি কে গউছ, মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু, এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং মো. আখতারুজ্জামান মিয়া অংশগ্রহণ করেন।
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম বলেন, আপনারা তার (প্রধানমন্ত্রীর) পাশে থাকতে পারেন উনি যতক্ষণ পর্যন্ত ভালো কাজ করবেন। আমি যদি ভালো কাজ করি তাহলে পাশে থাকবেন এবং আমি যদি মন্দ কাজ করি বা অসুবিধা সৃষ্টি করি তাহলে যৌক্তিক সমালোচনা করবেন এবং আমার ভুল ধরিয়ে দিবেন। আর সব মানুষেরই ভুল হতে পারে।
মো. নূরুল ইসলাম আরও বলেন, আপনারা এই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার লড়াইয়ে একেকজন যোদ্ধা। মানুষের স্বাবলম্বী হওয়ার এই যুদ্ধে আপনারা শরিক হয়ে হয়ত (ব্যক্তিগতভাবে) কিছুই পাবেন না, কিন্তু কেয়ামতের মাঠে আল্লাহর কাছে তো বলতে পারবেন যে, আমি ওই যুদ্ধের একজন সদস্য (ছিলাম)।
বর্তমান সরকারের গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপ প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, বর্তমান সরকার ভঙ্গুর অর্থনীতি নিয়ে যাত্রা শুরু করার পরও দুই মাসের মাঝেই ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ড বাস্তবায়নসহ মানুষের অর্থনৈতিক সমস্যাগুলো চিহ্নিত করেছে এবং সমস্যা নিরসনে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে। এ প্রসঙ্গে তিনি বিগত সরকারের কথা উল্লেখ করে বলেন, তারা সাতটি বাজেটের সমপরিমাণ টাকা এদেশ থেকে পাচার করেছে।
চিফ হুইপ আরও বলেন, ৭৪ এর দুর্ভিক্ষের কথা আপনারা সবাই জানেন। অভাবের তাড়নায় মানুষ অপর মানুষের বমি খেয়েছে। এরকম অবস্থায় শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দায়িত্ব গ্রহণ করে ৩ বছরের মাঝে খাদ্যে স্বাবলম্বী হয়ে বাংলাদেশ থেকে খাদ্য রপ্তানি করেন। এরপর বেগম জিয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি হাতে নিয়ে দেশকে স্বাবলম্বী করেন। একইভাবে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও বাবা-মায়ের দেখানো পথে হাঁটছেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক