ফরিদপুরে সংসদ সদস্য হয়েই মানুষের দ্বারে দ্বারে বাবুল
নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর যেন কোন ফুরসত নেই। দিনরাত ছুটে বেড়াচ্ছেন তিনটি উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পথে-প্রান্তরে। যেসব ওয়াদা করেছিলেন নির্বাচনে বিজয়ী হলে করবেন, সেইসব ওয়াদার মানুষের কাছে গিয়ে আশ্বাস দিচ্ছেন তিনি। বলছি ফরিদপুর-৪ আসনের বিএনপি থেকে বিজয়ী শহিদুল ইসলাম বাবুলের কথা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুর-৪ (ভাঙ্গা, সদরপুর ও চরভদ্রাসন) এই আসন থেকে বিএনপির মনোনয়ন পান তিনি। মনোনয়নের আগে থেকেই শহিদুল ইসলাম বাবুল এলাকায় বিভিন্ন কাজ করে আলোচনায় আসেন। আর এ কারণে বিপুল ভোটে বিজয়ী হন তিনি। শহিদুল ইসলাম বাবুল ধানের শীষ প্রতীকে ১ লাখ ২৭ হাজার ৪৪৩ ভোট পেয়ে বিজয়ী হন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা সরোয়ার হোসাইন পান ৭৫ হাজার ৮০৫ ভোট। প্রায় ৫২ হাজার ভোটের ব্যবধানে তিনি জয়ী হন এই আসন থেকে। এই জয়ের মাধ্যমে দীর্ঘ ৩০ বছর পর ফরিদপুর-৪ আসনে বিএনপির কোনো প্রার্থী জয়লাভ করেন।
এখন তিনি নির্বাচিত সংসদ সদস্য হয়েই এলাকার মানুষের সাথে নিয়মিত যোগাযোগ রক্ষা করছেন এবং কৃতজ্ঞতা জানাতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন।
ফরিদপুর-৪ আসনের সদরপুর উপজেলা বাজারে গিয়ে দেখা যায়, নির্বাচনের আগে সেসব ওয়াদা তিনি করেছিলেন সেই সব মানুষের কাছে ছুটে যাচ্ছেন। আর এ কারণে এখন মাঠে ময়দানে তাকে ব্যস্ত সময় পার করতে হচ্ছে। এই আসনের বিভিন্ন এলাকা থেকে ছুটে আসছেন হাজার হাজার মানুষ। তাদের কথা শুনছেন এবং তাদেরকে আশ্বাস দিচ্ছেন। এছাড়া যেখানে যেখানে আশ্বাস দিয়েছেন সেখানে গিয়ে তিনি আশ্বাসের বাস্তবায়নের কথা বলে আসছেন। তার এই ছুটে চলা এবং মানুষের আশ্বাসের বাস্তবায়নের চেষ্টা দেখে এই এলাকার মানুষেরা বলছেন এমন এমপিই তো আমরা চেয়েছিলাম।
বিজয়ী হওয়ার পর তিনি ভোটারদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানিয়েছেন, ভোট যারা দিয়েছেন বা দেননি, সবার এমপি এখন তিনি। প্রতিটি মানুষের প্রতি সম্মান প্রদর্শন করা ছাড়াও এই এলাকার উন্নয়নে বড় ভূমিকা তিনি রাখতে চান। গত ১২ তারিখ পর্যন্ত সাধারণ মানুষ তাকে বিজয়ী করেছেন। এখন সামনের পাঁচ বছর মানুষের বিজয় তিনি দেখতে চান।
এসময় শহিদুল ইসলাম বলেন, ফরিদপুর-৪ আসনের জনগণের সেবা ও এলাকাকে দুর্নীতিমুক্ত করার প্রত্যয় নিয়ে কাজ করে যাব।
এদিকে নির্বাচনের আগেও তিনি এলাকায় ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ও চক্ষু শিবিরের মতো মানবিক কার্যক্রম পরিচালনা করে আলোচনায় ছিলেন।

সঞ্জিব দাস, ফরিদপুর