মুক্তিযোদ্ধার সন্তান না হয়েও কোটায় বিসিএসে চাকরি, ২১ জনের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা
মুক্তিযোদ্ধার সন্তান না হয়েও ২৯তম বিসিএসের ফল প্রকাশের ছয় মাস পর ভুয়া কোটার মাধ্যমে ছয়জনকে ক্যাডার পদে নিয়োগ দেওয়ার ঘটনায় তৎকালীন সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) সাবেক ১২ জন সদস্য, সাবেক সচিবসহ সংশ্লিষ্ট ২১ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছে দুদক।
আজ বুধবার (২১ জানুয়ারি) দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক আক্তার হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
২০০৮ সালে অনুষ্ঠিত হয় ২৯তম বিসিএস পরীক্ষা। তবে দীর্ঘ ১৬ বছর পর এসে সেই পরীক্ষার মাধ্যমে ক্যাডার হিসেবে নিয়োগ পাওয়া ৬ জনের নিয়োগে অসঙ্গতি খুঁজে পেয়েছে দুদক।
জানা গেছে, ওই ছয়জন বর্তমানে উপসচিব থেকে শুরু করে পুলিশ সুপারসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করছেন। দীর্ঘ ১৬ বছর পর ওই নিয়োগ প্রক্রিয়া অনুসন্ধান করে এমন গুরুতর অসঙ্গতি পেয়েছে দুদক।
ওই ছয়জন হলেন, উপ-সচিব নাহিদা বারিক, রকিবুর রহমান খান, তোফাজ্জেল হোসেন, পুলিশ সুপার খোরশেদ আলম, সহকারী পরিচালক হালিমা খাতুন, সহকারী অধ্যাপক মিল্টন আলী বিশ্বাস।
দুদক মহাপরিচালক জানান, মুক্তিযোদ্ধা কোটায় আবেদন না করা সত্ত্বেও পরস্পর যোগসাজশে ফল প্রকাশের ৬ মাস পর ভুয়া কোটায় ৬ জনকে চাকরি দেওয়া হয়। এ ঘটনায় পিএসসির তৎকালীন ১২ সদস্য, একজন সাবেক সচিবসহ ২১ জনকে আসামি করে ৬ মামলা করেছে দুদক।
দালিলিক প্রমাণ থাকায় ন্যাশনাল ব্যাংক থেকে ঋণের নামে ৯০৩ কোটি টাকা আত্মসাতের ঘটনায় ব্যাংকের সাবেক পর্যবেক্ষক ও বর্তমানে বাংলাদেশ ব্যাংকের ডেপুটি গভর্নর কবির আহমেদের বিরুদ্ধে সম্প্রতি মামলা করে। তাই এ মামলা নিয়ে সমালোচনার কোনো সুযোগ নেই বলে সাফ জানিয়েছেন মহাপরিচালক।
এ ছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে বাংলাদেশ শিপিং করপোরেশনের মহাব্যবস্থাপক মোহাম্মদ জিয়াউর রহমান চৌধুরী ও তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে অনুসন্ধানে নেমেছে দুদক।